"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Saturday, 1 October 2022

ব্লাড ক্যান্সার লক্ষণ ও প্রতিকার

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আজকের আলোচনার বিষয় ব্লাডক্যান্সার ও তার প্রতিকার

একটা সময় ছিল যখন ব্লাড ক্যান্সার হলে মানুষকে বাঁচানো যায় না। এখন অবশ্য ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা বের হয়েছে। তবে এই চিকিৎসায় ব্লাড ক্যান্সার ভাল হয়েছে এমন তথ্য হাতে গুনা কয়েকটি। তবে চিকিৎসা করিয়ে রোগীকে অনেকদিন বাঁচিয়ে রাখা যায়। 
কিন্তু এই ধরণের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাই জেনে নিন ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ ও প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়-

ব্লাড ক্যান্সারের প্রকারভেদ :-

A. শ্বেতকণিকা থেকে সৃষ্ট ব্লাড ক্যান্সারকে লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যন্সার বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার তিন ধরণের হয়ে থাকে।
১। একিউট মাইলোবস্নাস্টিক লিউকেমিয়া
২। একিউট লিমফোবস্নাস্টিক লিউকেমিয়া
৩। ক্রনিক লিমফোসাইটিক লিউকেমিয়া

B. লসিকা গ্রন্থি থেকে সৃষ্ট এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সারকে লিমফোমা বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার ২ ধরণের হয়ে থাকে।
১। হজকিন ও নন হজকিন লিমফোমা,
২। লিমফোবস্নাস্টিক লিমফোমা ইত্যাদি।

C. মাইলোমা ও প্লাজমা সেল লিউকেমিয়া: প্লাজমা সেল থেকে সৃষ্ট বস্নাড ক্যান্সার।

ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ : -
রক্ত কণিকাগুলো সঠিক মাত্রায় উৎপন্ন না হলে রক্তশূন্যতা, রক্তক্ষরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে রোগীর মৃত্যু ঘনিয়ে আসে।

রক্তশূন্যতাজনিত লক্ষণ : -

১। যেমন-অবসাদ ও দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় ইত্যাদি।
২। শরীরে ইনফেকশনের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ফলে মাঝে মাঝেই জ্বর দেখা দিতে পারে।
৩। রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা দেখা দেয়, যেমন নাক, দাঁতের মাড়ি, চোখ ও ত্বকে রক্তক্ষরণ এবং মাসিকের সময় বেশি রক্ত যাওয়া প্রভৃতি হতে পারে।
৪। শরীর বা হাড়ে ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা।
৫। লিভার ও স্পিলিন বড় হয়ে যাওয়া।
৬। গলায়, বগলে বা অন্যত্র লিম্ফনোড বড় হওয়া।

ব্লাড ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় :

১। যেসব রোগীকে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি একসঙ্গে দেয়া হয় তাদের মধ্যে বস্নাড ক্যান্সারের প্রবণতা প্রায় ২০ গুণ বেড়ে যায়।
২। সকল ধরণের তেজস্ক্রিয়তা পরিহার করতে হবে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে।
৪। এক্স-রে বিভাগে ও নিউক্লিয়ার বিভাগের কাজ করার সময় বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
৫। ধূমপান ও তামাক জাত দ্রব্য গুলি পরিহার করতে হবে।

অধিক ঝুঁকির কারণ :-
১। কৃষি কাজে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা।
২। কলকারখানায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
৩। পরিবেশ দূষণ।

ব্লাড ক্যান্সার নির্ণয় :-
১। বোনাম্যারো ও ট্রিফাইন বায়োপসি পরীক্ষা: কোমরের হাড় থেকে অস্থিমজ্জা সংগ্রহ করে পরীক্ষা।
২। লিমফোনোড এফএনএসি ও বায়োপসি পরীক্ষা: লসিকা গ্রন্থি থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা।

আধুনিক চিকিৎসা :-
১। কেমোথেরাপি
২। বোনম্যারো ট্রান্সপ্লানটেশন (মেরুমজ্জা প্রতিস্থাপন)
৩। টার্গেট থেরাপি।
৪। ইমিউনো বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

0 comments:

Post a Comment

hello