***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label frist aid. Show all posts
Showing posts with label frist aid. Show all posts

Wednesday, 16 November 2022

কৃমিরোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

 





কৃমিরোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

কৃমি আমাদের দেশে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। যে কোনো বয়সের মানুষের কৃমি হতে পারে। তবে শিশু কিশোরদের মাঝে কৃমির সংক্রমণ বেশি দেখা যায়৷ অবশ্য ছোট শিশু যেমন : পাঁচ মাস বয়স পর্যন্ত, যখন শুধু মাত্র মায়ের বুকের দুধই পান করে, তখন সাধারণত কৃমি হয় না৷ আমাদের দেশের মানুষের সুতা কৃমি, কেঁচো ও হুক কৃমির সংক্রমণ বেশি হলেও ফিতা কৃমির সংক্রমণ ও দেখা যায়৷

কৃমি
কৃমি হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে ক্ষতিকর ও বৃহৎ পরজীবী। এটি মানুষের দেহে বাস করে এবং শরীর থেকে খাবার গ্রহণ করে বেঁচে থাকে ও বংশ বৃদ্ধি করে৷ কৃমি অনেক ধরনের আছে৷ তবে আমাদের দেশে কেঁচো কৃমি, বক্র কৃমি ও সুতা কৃমিতে আক্রান্তের হার বেশি৷

চিকিৎসা
কৃমির চিকিৎসা দেবার আগে মল পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া ভালো৷ যদি রোগীর মলে বা বমির সঙ্গে কেঁচো কৃমি বের হয়, রোগী যদি বলে যে রাতে তার মল দ্বার চুলকায়, মল পরীক্ষার সুযোগ ও সামর্থ্যের অভাব, কিন্তু কৃমি আছে বলে সন্দেহ হয় তবে মল পরীক্ষা না করেও কৃমির ঔষধ দেওয়া যায়৷ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বয়স অনুযায়ী আলাদা আলাদা মাত্রায় ঔষধ খেতে হবে৷

কারো কারো কৃমির ঔষধ খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ, যেমন গর্ভবতী মহিলা, জ্বর ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী৷

প্রতিরোধ --

যেহেতু প্রতিরোধ চিকিৎসা অপেক্ষা অধিকতর ভালো তাই প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিৎ

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হবে

মল নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে হবে

খাবার তৈরি, পরিবেশন এবং খাওয়ার পূর্বে সাবান দিয়ে অবশ্যই হাত ধুয়ে ফেলতে হবে

মল ত্যাগের পর সাবান বা ছাই দিয়ে অবশ্যই হাত ধুয়ে ফেলতে হবে

নিয়মিত গোসল করা, পরিষ্কার জামা-কাপড় পড়া এবং নখ বড় হবার আগেই অবশ্যই কেটে ফেলা কারণ বড় নখের ভেতর কৃমির ডিম ঢুকে থাকে

প্রতি চার মাস পর পর পরিবারের সকলকে বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রার কৃমির ঔষধ খাওয়ানো উচিৎ

বাড়ির একজনের কৃমি থাকলে সকলেরই সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাড়ির সবাইকে কৃমির ঔষধ খেতে হবে, বাড়ির কাজের মানুষটিও যেন বাদ না পরে।


চুল পড়া রোধে প্রাথমিক চিকিৎসা



চুল পড়া রোধে প্রাথমিক চিকিৎসা

চুলের পুষ্টির জন্য তেলের বিকল্প নেই। তেল চিটচিটে ভাবের জন্য অনেকে চুলে তেল লাগাতে চায় না। এতে চুলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে থাকে।

তেল চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যোগিয়ে চুলকে সিল্কি, শাইনি করে তোলে। আমরা সাধারণত বাজারের নারকেল তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকি।

আয়ুর্বেদিক তেল চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুল পড়া রোধ করে চুলকে স্বাস্থ্যজ্বল ঝলমলে করে তোলে।

১। আয়ুর্বেদিক আমলা তেল

১০০ গ্রাম আমলকি পাউডার

২৫০ গ্রাম বিশুদ্ধ নারকেল তেল

৪ লিটার পানি

এক তৃতীয়াংশ আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন। অল্প আঁচে মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন পানি ১ লিটারে কমে না আসা পর্যন্ত। এবার পানিটি একটি সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। বাকী আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এখন একটি বড় পাত্রে আগের ছাকা আমলকি পানি এর সাথে আমলকির পেস্ট এবং নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার পাত্রটি চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে গ্লাস কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।


২। তুলসি আয়ুর্বেদিক তেল

নতুন তুলসি পাতা অথবা তুলসি পাউডার

বিশুদ্ধ নারকেল তেল

পানি

মেথি

কয়েকটি তুলসি পাতা অথবা কয়েক চামচ তুলসি পাতা গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি তুলসি পাতা ব্যবহার করেন তবে তুলসি পাতা পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

এবার ১০০ মিলিলিটার নারকেল তেলের সাথে তুলসি পাতার পেস্ট মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। এর সাথে কয়েকটি মেথি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দেওয়ার পর নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এটি কাঁচের জারে সংরক্ষণ রাখুন। সপ্তাহে দুইবার এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যম্পু করে ফেলুন।


টিপস:-

আয়ুর্বেদিক তেল ঠান্ডা স্থানে রাখুন। এতে কোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করার কারণে রোদের তাপে তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যবহার পর খুব ভাল করে তেলের ঢাকনাটি লাগিয়ে রাখুন। এই তেল আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলবে।


এলার্জি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

এলার্জি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা


অ্যালার্জি জনিত রোগের লক্ষণ ও করণীয় -



এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে

৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।


চিকিৎসা :-

তবে অনেক দিন যাবৎ চুলকানি এবং এলার্জির সমস্যায় ভুগতে থাকলে অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধনকৃত হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ মত কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন, আশা করি আপনার এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের অ্যালার্জি প্রতিরোধ করা

ধুলো মাইট অনেক অ্যালার্জির জন্য একটি সাধারণ কারণ সুতরাং, ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার ঘর নিয়মিত ভ্যাকুয়াম করুন। একটি শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরও ভাল সজ্জিত। সুতরাং, সেই দিকে কাজ করুন।

স্ট্রেস কিছু নির্দিষ্ট ধরণের ত্বকের অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। মানসিক চাপ কমাতে আপনার দৈনন্দিন রুটিনে ধ্যান এবং শারীরিক ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনার যদি অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে, তাহলে একটি এপিনেফ্রাইন ইনজেকশন নিয়ে যান (জীবন-হুমকির অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত) এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা শিখুন। প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত গুরুতর হলে এটি জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।

ত্বকের অ্যালার্জির জন্য ঘরোয়া প্রতিকার

এখানে কিছু সময়-পরীক্ষিত প্রতিকার রয়েছে যা আপনাকে ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে:

  • ওটমিল: ওটমিলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা আপনাকে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার কারণে চুলকানি দূর করতে সাহায্য করতে পারে। ওটমিল অন্তর্ভুক্ত করার সেরা উপায়গুলির মধ্যে রয়েছে ওটমিল বাথ এবং পোল্টিস গ্রহণ করা।
  • বেকিং সোডা: এটিতে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি আপনাকে ত্বকের অ্যালার্জি শান্ত করার সময় আপনার ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। আপনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বেকিং সোডা পেস্ট প্রয়োগ করতে পারেন বা একটি বেকিং সোডা স্নান বিবেচনা করতে পারেন।
  • ভেষজ এবং গাছপালা: ঘৃতকুমারী, নিম, তুলসি, পার্সিমন পাতার নির্যাস, স্টিংগিং নেটেল, ক্যামোমাইল সহ বিভিন্ন ধরণের ভেষজ এবং উদ্ভিদ রয়েছে যা আপনি ত্বকের ফুসকুড়ি বা আপনার ত্বকে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন।

কখন একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করবেন?

ত্বকের রোগগুলি প্রায়ই নিজেরাই বা সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহার করে চলে যায়। যাইহোক, যদি আপনার লক্ষণগুলি অব্যাহত থাকে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা নিশ্চিত করুন। আপনার ডাক্তার আপনার সমস্যার মূল শনাক্ত করবেন এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করবেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন:

কীভাবে ত্বকের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাবেন?

ত্বকের ফুসকুড়ি থেকে মুক্তি পেতে আপনি একটি ওটমিল স্নান, ঠান্ডা কম্প্রেস, সদ্য নিষ্কাশিত অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল বা বেকিং সোডা প্রয়োগ করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যাইহোক, যদি ঘরোয়া প্রতিকারগুলি কাজ না করে এবং লক্ষণগুলি অব্যাহত থাকে বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তবে আপনার ডাক্তারের কাছে যান।

ত্বকের অ্যালার্জিতে কী করবেন?

আপনি ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে হাইড্রোকর্টিসোন বা ক্যালামাইনের মতো মলম এবং ক্রিম প্রয়োগ করতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে, অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলি বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। অন্যান্য প্রতিকারের মধ্যে রয়েছে – ঠান্ডা কম্প্রেস এবং বেকিং সোডা বা ওটমিল বাথ। যাইহোক, আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না, কারণ তিনি আপনার ত্বকের রোগের প্রকৃতি অনুসারে আপনাকে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করবেন।

আপনি কীভাবে ত্বকের অ্যালার্জির ধরন সনাক্ত করতে পারেন?

লালভাব, ব্যথা, চুলকানি এবং প্রদাহ হল ত্বকের অ্যালার্জির কিছু সাধারণ লক্ষণ এবং উপসর্গ। অতএব, আপনার ত্বকের অ্যালার্জির ধরন সনাক্ত করা আপনার পক্ষে কঠিন হতে পারে। অতএব, আপনার লক্ষণগুলি আরও খারাপ হলে আপনার ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত সুপারিশ করা হয়।


বৈদ্যুতিক শক প্রাথমিক চিকিৎসা ও চিকিৎসা



বৈদ্যুতিক শক ঘটে যখন একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ শরীরের মধ্য দিয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শক থেকে আঘাতের ঘটনা ঘটে যখন কেউ ভুলবশত বৈদ্যুতিক উত্সের সংস্পর্শে আসে, যেমন একটি ভাঙা কর্ড বা বিদ্যুতের লাইন

বৈদ্যুতিক শক, কারণ

একটি বৈদ্যুতিক শক ঘটে যখন কেউ একটি উচ্চ-ভোল্টেজ কারেন্টের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে যা শরীরের মধ্য দিয়ে যায়।

বেশ কিছু জিনিস বৈদ্যুতিক শক সৃষ্টি করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বজ্রপাত দ্বারা আঘাত করা হচ্ছে
  • ডাউন পাওয়ার লাইনের সাথে যোগাযোগ করুন
  • বৈদ্যুতিক সকেটে আঙ্গুল বা বস্তু রাখা
  • ত্রুটিপূর্ণ বা ক্ষতবিক্ষত বৈদ্যুতিক তার বা যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা
  • ওভারলোড বৈদ্যুতিক আউটলেট স্পর্শ

বৈদ্যুতিক শকের লক্ষণ ও উপসর্গ

বৈদ্যুতিক শকের লক্ষণ এবং উপসর্গ ভোল্টেজের ধরন এবং পরিমাণের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। কিছু অন্তর্ভুক্ত হতে পারে: 1

  • অসাড়তা এবং কাতরতা
  • বার্নস
  • হৃদরোগের আক্রমণ
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
  • শ্বাস-প্রশ্বাসে অনিয়ম বা অসুবিধা
  • দৃষ্টি বা শ্রবণ সমস্যা
  • পেশী আক্ষেপ
  • মাথাব্যাথা
  • চেতনা হ্রাস
  • কার্ডিয়াক গ্রেপ্তার

একটি ভগ্ন রান্নাঘরের যন্ত্রের কর্ড স্পর্শ করার ফলে সৃষ্ট লক্ষণগুলি সাধারণত পাওয়ার লাইন বা বজ্রপাতের মতো উত্স থেকে উচ্চ-ভোল্টেজের শকগুলির তুলনায় অনেক কম গুরুতর হয়৷

বৈদ্যুতিক শক, চিকিৎসা

বাইরে বৈদ্যুতিক শক হলে, আক্রান্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করার আগে এলাকাটি নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসায় বেশ কিছু পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেমন: 2

  • ব্যক্তিটিকে চাক্ষুষভাবে পরীক্ষা করুন কিন্তু তাদের স্পর্শ করবেন না। যদি এখনও বৈদ্যুতিক উত্সের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে তারা আপনার কাছে বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রেরণ করতে পারে।
  • জরুরি নম্বরে কল করুন বা অন্য কাউকে জরুরি নম্বরে কল করুন
  • বিদ্যুতের উত্স পরীক্ষা করুন এবং সম্ভব হলে এটি বন্ধ করুন। যদি এটি সম্ভব না হয়, কাঠ বা প্লাস্টিকের মতো অ-পরিবাহী উপাদানের একটি বস্তু ব্যবহার করুন।
  • যখন আপনি নিশ্চিত হন যে আপনি বৈদ্যুতিক শক থেকে নিরাপদ থাকবেন, তখন শিকারের শ্বাস এবং নাড়ি পরীক্ষা করুন। অবিলম্বে শুরু কার্ডিওপ্লামনারি রিসাসিটেশন (CPR) যদি হয় থেমে থাকে বা অস্বাভাবিকভাবে কম দেখা যায়।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি যদি শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন কিন্তু অজ্ঞান দেখায় বা শকের অন্যান্য চিহ্ন থাকে, তাহলে তাদের পা উঁচু করে শুইয়ে দিন। মাথাটি শরীরের কাণ্ডের সামান্য নীচে আনুন।
  • কোন পোড়া চিকিত্সা বা কাপড় অপসারণ না, এবং সাহায্য আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন.

বাড়িতে প্রতিকার

যদি কোনও ব্যক্তি বা শিশু বাড়িতে বৈদ্যুতিক শক অনুভব করে, আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন বা জরুরি নম্বরে কল করুন।

কিছু ক্ষেত্রে, শক অভ্যন্তরীণ আঘাতের কারণ হতে পারে যা দৃশ্যত সনাক্ত করা যায় না।

একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী পৃষ্ঠ পোড়া, মুখ পোড়া বা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের আঘাতের জন্য মূল্যায়ন করতে পারেন।

যদি ব্যক্তিটি গুরুতরভাবে পুড়ে যায়, তাহলে তাকে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন হতে পারে।3

বৈদ্যুতিক শক ক্ষেত্রে চিকিৎসা চিকিত্সা

বৈদ্যুতিক শকের জন্য চিকিত্সা যত্ন জড়িত ভোল্টেজ পরিমাণ উপর নির্ভর করবে.

বৈদ্যুতিক শকের সামান্য ঘটনার জন্য চিকিৎসা যত্নের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

বৈদ্যুতিক শকের কম গুরুতর ঘটনাগুলির জন্য চিকিত্সার মধ্যে ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক মলম এবং সামান্য পোড়ার জন্য ড্রেসিং পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

উচ্চ ভোল্টেজের আঘাতের জন্য উচ্চ স্তরের যত্নের প্রয়োজন হবে এবং প্রায়শই খারাপ ফলাফল হতে পারে।

জরুরী চিকিৎসা যত্নের প্রয়োজন হতে পারে:


  • উজ্জীবন
  • আইসিইউ যত্ন
  • IV তরল
  • পুষ্টি সহায়তা
  • সার্জারি

কখন ডাক্তার দেখাবেন

আপনি বা আপনার প্রিয়জন যদি বৈদ্যুতিক শক অনুভব করেন, তাহলে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর দ্বারা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

বৈদ্যুতিক শক থেকে ক্ষয়ক্ষতি নির্ভর করে ভোল্টেজের মাত্রা, উৎস, কীভাবে এটি শরীরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছে, ব্যক্তির বয়স এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর।

ইমার্জেন্সি নম্বরে কল করুন যদি একজন ব্যক্তির বৈদ্যুতিক শক থাকে:

  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
  • পেশী ব্যথা বা পেশী সংকোচন
  • বিশৃঙ্খলা
  • শ্বাসকষ্ট
  • কার্ডিয়াক গ্রেপ্তার
  • হৃদরোগের আক্রমণ
  • চেতনা হ্রাস

বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ

বাড়িতে বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধের সর্বোত্তম অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে:3

  • সমস্ত আউটলেট আবরণ.
  • নিশ্চিত করুন যে তারগুলি সঠিকভাবে উত্তাপ এবং আচ্ছাদিত।
  • তারগুলি বাচ্চাদের নাগালের থেকে দূরে রাখুন।
  • সম্ভাব্য বৈদ্যুতিক বিপত্তি, যেমন বাথটাব বা পুলের কাছে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির মতো এলাকায় শিশুদের তত্ত্বাবধান করুন।
  • বাড়িতে বিদ্যুতের সাথে কাজ করার সময় সার্কিট ব্রেকার বন্ধ করুন।
  • স্নান বা ঝরনা মধ্যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করবেন না.

বাড়ির বাইরে বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: 2

  • আপনার পাওয়ার কোম্পানিকে অবিলম্বে পতিত বা ভাঙা পাওয়ার লাইনের রিপোর্ট করুন। কোন অবস্থাতেই তাদের স্পর্শ করবেন না।
  • বিদ্যুতের লাইন যদি পানিতে পড়ে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে থাকা পানি দিয়ে গাড়ি চালাবেন না বা হাঁটবেন না।
  • আপনি যদি আপনার গাড়িতে থাকাকালীন একটি পাওয়ার লাইনের সংস্পর্শে আসেন তবে আপনার গাড়িতে থাকুন এবং সম্ভব হলে তাড়িয়ে দিন। আপনি যদি গাড়ি চালাতে না পারেন, তাহলে আপনার গাড়িতে থাকুন এবং জরুরি পরিষেবায় কল করুন। জরুরী পরিষেবা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং কাউকে আপনার গাড়ির কাছে যেতে দেবেন না।
  • ভেজা বা জলের কাছাকাছি বৈদ্যুতিক সার্কিটগুলি ঠিক করতে একজন ইলেকট্রিশিয়ানকে কল করুন। যদি সম্ভব হয়, প্রধান ব্রেকারে পাওয়ার বন্ধ করুন তবে এটি অ্যাক্সেস করতে কখনই স্থায়ী জলে প্রবেশ করবেন না।
  • জলে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কখনও বৈদ্যুতিক উত্সের উপর বা কাছাকাছি কাজ করবেন না, বিশেষ করে যদি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেন।
  • নিশ্চিত করুন যে বৈদ্যুতিক উপকরণ শক্তি পুনরুদ্ধার করার আগে সম্পূর্ণ শুষ্ক।
  • একজন প্রত্যয়িত ইলেকট্রিশিয়ানকে নিশ্চিত করুন যে পাওয়ার আবার চালু করা নিরাপদ।
  • আপনার প্রধান সার্কিট ব্রেকার বন্ধ করুন যদি একটি জ্বলন্ত গন্ধ থাকে কিন্তু কোন সুস্পষ্ট উৎস না থাকে, অথবা আপনি যখন পাওয়ার চালু করেন তখন স্ফুলিঙ্গ এবং ক্ষয়প্রাপ্ত তারগুলি দেখতে পান।
  • একটি জেনারেটর ইনস্টল বা ব্যবহার করার সময়, ব্যবহার সম্পর্কে আপনার ইউটিলিটি কোম্পানির সাথে কথা বলুন। অনুমোদিত, স্বয়ংক্রিয়-বিঘ্নিত ডিভাইস ছাড়া জেনারেটর ব্যবহার করবেন না। বিদ্যুৎ আবার চালু হলে জেনারেটর অনলাইনে থাকলে আগুনের ঝুঁকি হতে পারে।

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রাথমিক চিকিৎসা

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রাথমিক চিকিৎসা



গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে তা নামানোর জন্য আমরা নানা পন্থা অবলম্বন করি। তার কোনোটি কাজ হয় আবার কোনটি বা হয় না। আপনি জানেন কি মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্টেই গলায় বিধা মাছের কাটা দূর হয়ে যায়। যাই হোক, আগে আপনাদের কিছু ঘরোয়া সমাধানের কথা বলি।


গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রথমেই খাওয়া হয় পানি, তারপর ভাতকে মুঠো করে খেয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এতেও যদি কাঁটা না নামে, তাহলে কী করবেন? জেনে নিন ৭টি ভিন্নরকম কৌশল।


• গলায় কাঁটা বিধলে পানি পান করেন? কেবল পানি পান করলে হবে না। হালকা গরম পানির সাথে অল্প লবণ গুলিয়ে পান করুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• গলায় কাঁটা বিঁধলে ভাত খেয়ে নামাতে চান? তাহলে এক কাজ করুন, ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলুন। ভাতের গোলা চিবিয়ে খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না। পানি দিয়ে গিলে ফেলাই সেরা উপায়।

• ভাত খাবার চাইতেও সহজ একটি উপায় আছে। গলায় কাঁটা বিঁধলে খেয়ে ফেলুন একটি কলা। কলা খেতে খেতে দেখবেন কাঁটা নেমে গেছে আর আপনি টেরও পাননি।

• এক টুকরো লেবু নিন, তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে লেবুর রস খেয়ে ফেলুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• পানির সাথে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে পান করলেও ঠিক লেবুর মতই কাজ হবে।

• গলায় বিঁধেছে কাঁটা? একটু অলিভ অয়েলও পান করতে পারেন। কাঁটা পিছলে নেমে যাবে।


উপরোক্ত কোনো প্রক্রিয়ায় যদি কাজ না করে তাহলেও চিন্তার কিছু নেই। মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমেই গলায় বিধা মাছের কাটা বেড়িয়ে আসে। তাই সমস্যায় পড়লে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলতে ভুলবেন না যেন।


কানে জল ঢুকলে / পোকা ঢুকলে প্রাথমিক চিকিৎসা

কানে জল ঢুকলে / পোকা ঢুকলে প্রাথমিক চিকিৎসা



কানে জল ঢুকে কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার চাইতে বিব্রতকর সমস্যা আর কিছুই হতে পারে না। খুবই বিচিত্র একটা অনুভব, সেটা কাউকে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। অন্যদিকে কানে পানি রয়ে গেলে কান পাকা ও তীব্র ব্যথা সহ নানান রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। অনেকেই কানে পানি ঢুকলে কটন বাড দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। এই কাজটি একেবারেই ভুল। জেনে নিন কান থেকে পানি বের করার ৬টি সঠিক উপায়-

১) কান থেকে পানি বের করার সবচাইতে নিরাপদ উপায়টি হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (গ্রাভিটি) কে কাজ করতে দেয়া। যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই দিকে মাথাটি কাত করুন। তারপর হাতের তালু রাখুন কানের উপরে এবং চাপ দিন। চাপ দিয়েই হাতটি সরিয়ে নিন। দেখবেন খানিকটা পানি বের হয়ে গেছে। এভাবে বেশ কয়েকবার করুন। পানি বের হয়ে কান বন্ধ হওয়ার সমস্যা দূর হবে।

২) আরেকটি উপায় হচ্ছে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে পানি বের করা। একটি লম্বা শ্বাস নিন, এবার দুই আঙুল দিয়ে নাকের ফুটো বন্ধ করে ফেলুন। এখন এই বন্ধ নাক দিয়েই নিঃশ্বাস ফেলার চেষ্টা করুন। খুব জোরে বল প্রয়োগ করতে হবে না, সাধারণত যেভাবে নিঃশ্বাস ফেলেন সেভাবে ফেললেই হবে। কানে আওয়াজ শুনতে পাবেন, বুঝবেন যে পানি বের করে বন্ধ কান ঠিক হয়ে গেছে।

৩) যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই কানটি বালিশে চাপা দিয়ে শুয়ে থাকুন এবং সম্ভব হলে ঘুমিয়ে পড়ুন। ঘুম ভাঙলে দেখবেন পানির সমস্যা নেই।

৪) চুইং গাম বা যে কোন কিছু চিবিয়ে খান। যেটা বেশ করে চিবাতে হয়, এমন খাবার বেছে নিন। খাবার চিবানোর সময় যে মুভমেন্ট তৈরি হবে, সেটা বন্ধ কানকে খুলে দিতে সহায়ক।

৫) হাই তুললেও কানের পানি বেরিয়ে বন্ধ কান খুলে যায়।

৬) হেয়ার ড্রায়ার বেশ ভালো কাজ করে এক্ষেত্রে। একদম লো-তে ড্রায়ার সেট করুন। তারপর কান থেকে ১০/১২ ইঞ্চি দূরে রেখে তাপ দিন। কানের পানির সমস্যা দূর হবে।


** যদি কিছুতেই কিছু না হয়, অতি সত্বর ডাক্তারের কাছে যান। অনেক সময় ওষুধেরও প্রয়োজন পড়ে কানের পানি বের করতে। তাই এই বিষয়টিকে অবহেলা করবেন না মোটেও।

কানে পোকামাকড় ঢুকে গেলে সরিষার তেল বা অলিভ ওয়েল অল্প পরিমাণ ঢেলে দিলে পোকা মরে যায় এবং বের হয়ে আসে। তাছাড়া মার্বেল জাতীয় কোনো কিছু ঢুকে গেলে নড়াচড়া না করে দ্রুত ডাক্তারের নিকট বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।


 

মাইগ্রেন ও মাথা ব্যাথায় প্রাথমিক চিকিৎসা

মাইগ্রেন ও মাথা ব্যাথায় প্রাথমিক চিকিৎসা




মাথা ব্যাথার প্রাথমিক চিকিৎসা

1.লাল লবঙ্গ চা পান করুন :-

লবঙ্গের ঔষধি গুন এতটাই বেশী যে লবঙ্গ দেয়া লাল চা সহজেই কমিয়ে ফেলে মাথা ব্যাথা। কাজের চাপে এক কাপ লাল চা আপনাকে আবারো চাঙ্গা করে তুলতে পারে|

2. বরফ থেরাপি :-

এটি মাথা ব্যাথা কমানোর আক্ষরিক একটি পদ্ধতি। বরফের প্যাকেট মাথার উপর ধরলেও মাথা ব্যাথা কমে যায়।

3. পেয়াজ এর রস:-

পেয়াজ রস করে কপালে লাগান, মাথা ব্যথা থেকে উপশম হবে।

আধকপালি বা মাইগ্রেন হলে করণীয় মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজও কোনও স্থির সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। টেনশনসহ নানা কারণেই মাথাব্যথা হতে পারে। এসব মাথাব্যথাকে আমরা আধকপালি বা মাইগ্রেন বলি। এ নিস্তারের উপায় কি? সে বিষয়েই আজকের আলোচনা।



কি কারণে মাথাব্যথা হতে পারে:

টেনশন বা অন্য কারণেও এ ব্যথা হতে পারে। রক্তবাহী শিরাগুলো কখনও কোনও কারণে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহ করলেও মাথাব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা মাইগ্রেনের ব্যথার চেয়ে তীব্র এবং মাইগ্রেনের ব্যথা বলে বুঝতে ভুল হতে পারে।

বংশগত প্রভাব:

অন্যান্য ব্যথার তুলনায় মাইগ্রেনের ব্যথার ওপর বংশগত প্রভাব বেশি- যা মূলত কোষের একক ‘জিন’-এর বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। এর প্রমাণ- নেদারল্যান্ডের লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির একদল নিউরোলজিস্ট একজন মাইগ্রেন রোগীর দেহ থেকে মাইগ্রেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিন পৃথক করেন। পরে ওই রোগীর মাইগ্রেনের ব্যথা আর দেখা যায়নি।

দুশ্চিন্তা-অস্থিরতা:

যারা সবসময়ে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। তাছাড়া হঠাৎ করে কোনও বিপজ্জনক খবর বা আবেগপ্রবণ অবস্থা এ মাইগ্রেনের জন্ম দেয়।

প্রভাবিত করে এমন কারণ:


প্রথমত:

কিছু কিছু খাবার মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা বাড়িয়ে দেয় বা হালকা ব্যথার ভাব থাকলে তা পরিপূর্ণ মাইগ্রেনের ব্যথায় রূপ লাভ করে। নিম্নলিখিত খাবার উল্লেখযোগ্য-

১. চকোলেট

২. পনির

৩. মদ

৪. কোলাজাতীয় পানীয়

দ্বিতীয়ত:

মাইগ্রেন রোগী যারা এ ব্যথার পাশাপাশি সাইনাসগুলোর প্রদাহে ভুগছেন বা প্রচন্ড সর্দি-কাশি বা ঠান্ডায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

তৃতীয়ত:

যখন প্রচন্ড গরম পড়ে এবং পরিবেশের অবস্থা ভ্যাপসা আকার ধারণ করে তখন মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে শীতকালে যদি ঠান্ডা বাতাস বেশি লাগে বা কুয়াশা পরিবেষ্টিত অবস্থা বিরাজ করে তখন এর প্রকোপ আরও বেড়ে যায়।


সাধারণ চিকিৎসা:


১. যেসব খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় সেসব খাবার বর্জন করা।

২. যদি কোনও মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে থাকেন, তবে তিনি বড়ি খাওয়া বন্ধ রাখবেন এবং অন্য যে কোনও ধরনের বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করবেন।

৩. পরিবেশগত কারণে যদি ধোঁয়া, ধুলাবালি, প্রচন্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হয় তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে।


মাইগ্রেন কিঃ-

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথা ব্যথা। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ হেমিক্রেনিয়া থেকে। হেমি অর্থ অর্ধেক আর ক্রেনিয়া অর্থ মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যাথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া। কিন্তু ব্যাথা একসাথে দুপাশেও হতে পারে অথবা এক পাশ থেকে আরেক পাশে দৌরাদৌরি করতে পারে।


কারণসমূহ:-

* বংশগত বা জেনেটিক।

* দুশ্চিন্তা এবং অস্থিরতা।

* শব্দ দূষণ, পরিবেশ দুষণ, বায়ু দুষণ ইত্যাদি।

* ধূমপান ও মদ্যপান।

* প্রচণ্ড রোদ অথবা গরম।

* তীব্র গন্ধ যেমন আতর, পারফিউম ইত্যাদি।

* চকলেট বা এ জাতীয় খাবারের কারণে।

* ঘুম কম হওয়া অথবা অতিরিক্ত সময় ধরে বিছানায় শুয়ে থাকা।

* অনিয়মিত খাওয়া দাওয়া এবং কম পানি পান করার কারণেও মাইগ্রেন হতে পারে।


মাইগ্রেনের লক্ষণঃ-

* সহনীয় থেকে তীব্র মাথাব্যাথা, সাধারণত মাথার একপাশে তীব্র ব্যাথা অনুভূত হয় ।এক পাশ থেকে অন্য পাশে তীব্র ব্যাথা অনুভূত হয় ।

* মাথার শিরা ব্যাথায় টনটন করে ।

* শারীরিক পরিশ্রমের সময় ব্যাথা বৃদ্ধি পায় ।

* মাথা ব্যাথার সময় স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যায় না ।

* বমি বমি ভাব ও বমি হয় মাঝে মাঝে ।

* কথা ভালোভাবে বলতে না পারা ।

* কোন কাজে মনোযোগ দিতে না পারা ।

* চোখে ঝাপসা দেখা।

* মাথা ঘোরানো।


করণীয়ঃ-


* যাদের এ রোগ আছে, তাদের অন্তত দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক।

* কফি, চকোলেট,পনির, কোমল পানীয়, মদ এড়িয়ে চলতে হবে।

* দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা যাবে না।

* জন্মবিরতিকরণ পিল না ব্যবহার করে অন্য পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে।

* রিশ্রম, মানসিক চাপ, দীর্ঘ ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে।

* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।

* কড়া রোদ বা তীব্র ঠাণ্ডা পরিহার করতে হবে।

* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।

* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।

* নিয়মিত সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করুন ।

* দুশ্চিন্তা বাদ দিন ।


সাপে কাটলে কী করবেন, সকলের জেনে রাখা উচিত



হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।


বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষত জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিষধর সাপের ওপরের দাঁতের গোড়ায় যে বিষথলি থাকে, কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিষ ক্ষতের মাধ্যমে রক্তনালিতে প্রবেশ করে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

সাপের বিষের বিষাক্ত উপাদানসমূহ স্নায়ুকোষকে আক্রমণ করে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া প্রতিহত করে এবং পরিশেষে মানুষের মৃত্যু ঘটায়।

সব সাপ বিষধর নয়, অল্প কিছু সাপ বিষধর। ভারতবর্ষে ২১৬ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে বিষ থাকে মাত্র ৬৮ প্রজাতির সাপের। সচরাচর বিষধর সাপের মধ্যে রয়েছে গোখরা, কালকেউটে, চন্দ্রবোড়া। তাই এদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো।


সাপের কামড় চেনার উপায়:

বস্তুত দংশিত স্থানে কামড়ের দাগ দেখে সাপটি বিষধর কি না তা শনাক্ত করা সম্ভব। সব বিষধর সাপের সামনে দুটো বিষদাঁত থাকে, যা অন্যান্য দাঁত থেকে বড় এবং বাঁকানো। কোনো কোনো বিষধর সাপের দাঁত ইনজেকশনের সুচের মতো তীক্ষ্ণ। সাপের কিন্তু দাঁতে কোনো বিষ থাকে না।  সাপে কামড়ালে যদি দংশিত স্থানে দুটো তীক্ষ্ণ গভীর দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটা বিষধর সাপের কামড়। আর যদি সে রকম দাগের বদলে কেবল ছোট ছোট এক সারি দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সাপটি বিষধর নয়।

গোখরায় কামড়ালে ছয় থেকে আট মিনিটের মধ্যে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। দংশিত স্থান লাল হয়ে যায় এবং চাপ দিলে ব্যথা লাগে। কিছুক্ষণ পর সেখানে কিছুটা জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়। ২৫ মিনিট পর অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। রোগীর ঘুম ঘুম ভাব আসে। রোগীকে কিছুটা মুমূর্ষু লাগে। তার পা দুর্বল হয়ে আসে এবং সে দাঁড়িয়ে থাকতে বা চলাচল করতে পারে না। ৩৫ থেকে ৫০ মিনিট পর রোগীর মুখে প্রচুর লালা ঝরে, এমনকি সে বমি করতে থাকে। তার জিহ্বা ও স্বরযন্ত্র ফুলে যায়। ফলে সে ঠিকমতো কিছু গিলতে বা কথা বলতে পারে না। দুই ঘণ্টা পর তার শ্বাস-প্রশ্বাস লঘু হয়ে আসে, তার জ্ঞান থাকে তবে কথা বলতে পারে না।

পরিশেষে তার শ্বাসক্রিয়া ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। কালকেউটে সাপে কামড়ালে গোখরার কামড়ের মতো উপসর্গ দেখা দেয় বটে, তবে দংশিত স্থানটি ফুলে ওঠে না কিংবা জায়গাটিতে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভূত হয় না। তবে রোগীর ঝিমঝিম ভাব আসে এবং তাকে মুমূর্ষু দেখায়। গোখরা, কেউটে, শঙ্খচূড় প্রভৃতি কোবরা শ্রেণির সাপের বিষে থাকে নিউরোটক্সিন নামক এক ধরনের রস যা স্নায়ুকে বিকল বা পঙ্গু করে দেয়। 


চন্দ্রবোড়া হলো ভাইপার শ্রেণির সাপ। এই শ্রেণির সাপের বিষে প্রধানত থাকে হিমোটক্সিন রস, যার কাজ হলো রক্তকণিকা ভেঙে দেওয়া এবং রক্তপাত ঘটানো। এর ফলে রক্তবমি, রক্তপায়খানা ও রক্তপ্রস্রাব হতে পারে। হিমোটক্সিন ধীরে কাজ করে বলে এই শ্রেণির সাপের কামড়ে মৃত্যু ধীরে হয়।

কি করবেন:-

(১) সর্পদংশনে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সর্পদংশনের নিরাময়যোগ্য আধুনিক চিকিত্‍সার ব্যাপারে আশ্বস্ত করুন। কারণ সর্পদংশনে আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুভয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন থাকেন। 

(২) পা আক্রান্ত হলে হাঁটা যাবে না।

 (৩) হাত আক্রান্ত হলে এড়িয়ে চলতে হবে হাতের সমস্ত নড়াচড়া। 

(৪) প্রয়োজনে আক্রান্ত হাত বা পায়ের সাথে একটি বন্ধফলক এঁটে দিয়ে তা উপযুক্ত বাঁধন যেমন- দড়ি, গামছা প্রভৃতি দ্বারা বেঁধে রহিত করতে হবে সব নাড়াচাড়া। কারণ আক্রান্ত স্থানের অযাচিত নাড়াচাড়া পুরো শরীরে বিষ ছড়ানোর জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

(৫) যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর মানসিক স্বস্তির লক্ষ্যে লোক সমাজে বহুল প্রচলিত দুটি পট্টি যথাক্রমে আক্রান্ত স্থানের কিছুটা আগে ও পরে এমনভাবে বাঁধতে হবে যে, যার মধ্য দিয়ে হাতের কনিষ্ঠা আঙুল সহজে প্রবেশ করানো যায়। এতে করে পায়ের রক্ত সঞ্চালনে কোনো রূপ বিরূপ প্রভাব পড়ে না। যদিও আধুনিক চিকিত্‍সায় এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তদুপরি চন্দ্র বোড়া সাপের দংশনে এর ব্যবহার পুরোপুরি নিষেধ। 

(৬) সেই সাথে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উন্নত চিকিত্‍সার জন্য নিকটস্থ উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।


কি করবেন না:-

(১) আক্রান্ত স্থানের আগে ও পরে দুই বা ততধিক পট্টি শক্ত বাঁধা। কারণ এতে আক্রান্ত স্থানে রক্তের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এমনকি আক্রান্ত স্থানে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। 

(২) আক্রান্ত স্থান ও এর চারপাশে ধারালো জিনিস দিয়ে চেরার মাধ্যমে বিষ ঝরানোর ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে অযাচিত রক্ত ঝরানো। 

(৩) আক্রান্ত স্থানে চেরার মাধ্যমে রক্ত ঝরানোর পর তা মুখ বা মুরগির বাচ্চার পায়ুপথ (ক্লোয়াকা) দ্বারা চোষানো। 

(৪) কোনো দহনকারক পদার্থ যথা- কার্বলিক এসিড দ্বারা আক্রান্ত স্থান পোড়ানো। 

(৫) আক্রান্ত স্থানে বিষ শোষণকল্পে বিভিন্ন লতাগুল্মের লেই কিংবা গোবর বা কাদামাটি লাগানো। কারণ এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং আক্রান্ত স্থানে তা বিভিন্ন জীবাণুঘটিত জটিল সংক্রমণ তৈরি করতে পারে। 

(৬) আক্রান্ত ব্যক্তিকে তেল, ঘি, গোলমচির কিংবা বিভিন্ন লতাগুল্মজাতীয় পদার্থ খাওয়ানোর মাধ্যমে বমি করানো। 

(৭) আক্রান্ত স্থানে বিষ শোষণকল্পে পাথর, বীজ বা লালা প্রয়োগ করা।



তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


প্রাথমিক চিকিৎসা



হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

প্রাথমিক চিকিৎসা কাকে বলে?

প্রাথমিক চিকিৎসা হচ্ছে ডাক্তারী চিকিৎসার পূর্বে রােগী বা আহত ব্যক্তির অবস্থা যাতে খারাপের দিকে না যায় বা অবনতি না ঘটে তার জন্য ঘটনাস্থলে তাৎক্ষনিকভাবে যে চিকিৎসা প্রদান করা হয় তাকেই প্রাথমিক চিকিৎসা বলে।


প্রাথমিক চিকিৎসার উদ্দেশ্য:

১। আহতদের জীবন রক্ষার চেষ্ঠা করা।

২। রােগী বা আহত ব্যক্তির অবস্থার অবনতি রােধ করা।

৩। আহতদের চিকিৎসায় সহযােগীতা করা।


প্রাথমিক চিকিৎসার গুরুত্ব

প্রাথমিক চিকিৎসার গুরুত্ব অপরিসীম। যেমন সময়ের এক ফোড়, অসময়ের দশ ফোঁড়”। প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে কিছু জ্ঞান থাকা প্রয়ােজন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, অগ্নি, ভূমিকম্প প্রভৃতি দুর্ঘটনায় লােক বিভিন্নভাবে আহত হয়। ইহাছাড়া আধুনিক জগতে যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদির বহুল ব্যবহারের দরুন মানুষ বিভিন্নভাবে আহত হয়। তাই এই সমস্ত আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি নাগরিকের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ গ্রহন অপরিহায্য হয়ে পড়েছে।


স্নায়ুবিক আঘাত (Shock)/ফিট

আঘাত, তীব্র ব্যথা, দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকলে পায়ে রক্ত জমে রক্ত সঞ্চালনের যে অসুবিধার সৃষ্টি হয় তাকেই স্নায়ুবিক আঘাত বা ফিট বলে।


করনীয়:

(ক) প্রথমেই রােগীকে সমান জায়াগায় (মেঝেতে) পা উচু করে শােয়াতে হবে। এভাবে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রােগীর জ্ঞান ফিরে আসে। তবে রােগীর যদি খিচুনি হয় তাহলে কাপড়ের টুকরা/রুমাল মুখের মধ্যে দিতে হবে যেন জিহ্বায় কামড় না লাগে। এর পর ডাক্তারের নিকট নিয়ে আসতে হবে।

(খ) ঘাড়, বুক ও কোমরের কাপড় ঢিলা করে দিন।

(গ) উৎসাহ জনক কথা বলে আহতের মনে সাহসের সঞ্চার করুন।


দাহ ও ঝলসানাে ক্ষত (Burns and Scalds):

শুস্ক তাপে, বিদ্যুৎ প্রবাহ, ঘর্ষনে রাসায়নিক পদার্থে বা বিকিরণে পুড়ে যাওয়াকে দাহ বলে। আদ্র তাপে যেমন-ফুটন্ত পানি। বা অন্য কোন গরম পদার্থের সংস্পর্শে এসে পুড়ে যাওয়াকে ঝলসানাে বলে।

করনীয়ঃ

(ক) দাহ বা ঝলসানাে রােগীর ক্ষত অংশে এমনভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে পতিত ঠান্ডা পানি ধীরে ধীরে ক্ষতের উপর দিয়ে গড়িয়ে যায়, এভাবে যতক্ষণ ক্ষস্থানের জ্বালা-যন্ত্রণা না কমে এবং ক্ষতস্থানে গরমভাব না কমে ততক্ষণ ঠান্ডা পানি দিতে হবে অথবা ক্ষত অংশকে পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

(খ) পরিস্কার জীবানুমুক্ত ব্যান্ডেজ বা কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান হালকা করে বেঁধে দিতে হবে।

(গ) আহত ব্যক্তির যদি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তবে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে প্রেরনের ব্যবস্থা সহ শ্বাস-প্রস্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।


বর্জনীয়ঃ

(ক) যে কোন লােশন, মালিশ বা তৈল ড্রেসিং ব্যবহার এ বিরত থাকুন।

(খ) পােড়া অংশে হাত লাগানাে যাবে না।


রক্তক্ষরণ (Hemorrhage) করনীয়

(ক) পরিস্কার কাপড় অথবা ব্যান্ডেজ দিয়ে চাপ দিয়ে ক্ষতস্থান চেপে ধরুন।

(খ) যে অঙ্গ হতে রক্ত নির্গত হচ্ছে তা উচু করে রাখুন।

(গ) আঠালাে ব্যান্ডেজের সাহায্যে রক্তপাত বন্ধ করুন।

(ঘ) প্রয়ােজন বােধে টুনিকেট ব্যবহার করে রক্তপাত বন্ধ করুন।

(ঙ) কখনও ক্ষতস্থান খােলা রাখা যাবে না।


ধোঁয়ায় শ্বাস রােধের চিকিৎসা

ধোয়ায় আটকে গেলে প্রথমে আত্মরক্ষার প্রয়ােজন, তারপর দুর্ঘটনাস্থল থেকে রােগীকে স্থানান্তর করতে হবে। ভেজা তােয়ালে, রুমাল বা কাপড়ের টুকরা দিয়ে নিজের মুখ ও নাক বেঁধে অথবা ফেসমাস্ক লাগিয়ে উদ্ধারের জন্য অগ্রসর হবে তারপর আহত রােগীকে আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।


চোখের মধ্যে কোন কিছু ঢুকলে প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

(ক) যদি পানির ঝাপটা (কয়েক বার) দিয়ে বাইরের বস্তুটি না সরে যায় তাহলে ডাক্তারের নিকট নিয়ে আসবেন।

(খ) কোনক্রমে রােগেীকে চোখ ডলতে দেওয়া যাবে না।

(গ) যদি বাহিরের কোন কিছু প্রবেশ করে চোখের গােলকে একধারে আটকে থাকে তবে তা পাতলা ভেজা কাপড় বা রুমাল দিয়ে বের করতে হবে।


কানে কিছু প্রবেশ করলে

অনেক সময় কানের ছিদ্র পথে ছােট কীট পতঙ্গ অথবা ময়লা প্রবেশ করে তবে কানের ছিদ্র পথে । অলিভয়েল বা নারিকেল তেল দিতে হবে। তবে তেল দেয়ার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হবে রােগীর কানের পর্দায় কোন ছিদ্র আছে কিনা।


প্রাথমিক চিকিৎসার কিছু পদ্ধতি

(ক) ক্ষিপ্র গতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে আগের কাজ আগে এবং পরের কাজ পরে এ নীতিতে কাজ করতে হবে।

(খ) শ্বাস-প্রশাসের বিঘ্ন দেখা দিলে কৃত্রিম উপায়ে দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

(গ) রক্তক্ষরণ হলে দ্রুত রক্ত ক্ষরণ বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে।

(ঘ) স্নায়ুবিক আঘাতের চিকিৎসা সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে।

(ঙ) রােগী বা আহত ব্যক্তিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের নিকট নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

(চ) নিয়মিত পড়াশুনা ও মহড়া দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত থাকতে হবে।


তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

আগুনে পোড়া রোগীদের সঠিক চিকিৎসা



হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।


আগুনে পোড়া রোগীদের সঠিক চিকিৎসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পোড়া রোগীর অবস্থা বাইরে থেকে সাধারণ বা মারাত্মক—যা-ই মনে হোক না কেন, রোগীকে সঠিক চিকিৎসা দিতে হবে।

আগুন, গরম পানি, গরম তেল, বিদ্যুৎ, রাসায়নিক পদার্থ, অ্যাসিড, ক্ষার, বোমা বিস্ফোরণ, বিকিরণ ইত্যাদি নানা কারণে পোড়াজনিত আঘাত বা বার্ন ইনজুরি হতে পারে। আমাদের দেশে আগুন লাগা ও রান্নাঘরের দুর্ঘটনা যেমন—গরম পানি, তেল ইত্যাদিতে পোড়ার ঘটনা বেশি। চিকিৎসা সহজলভ্য না হওয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা-সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাবে আমাদের দেশে পোড়াজনিত কারণে মৃত্যুর হার বেশি। অথচ একটু সচেতন হলে বড় বিপদ থেকে নিজেকে এবং আক্রান্তকে রক্ষা করা যায়।

পোড়ার ধরন:

ত্বকে পোড়ার গভীরতা ও ভয়াবহতার ওপর ভিত্তি করে পুড়ে যাওয়া বা বার্নকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এক ডিগ্রি বার্ন: ত্বকের উপরিভাগের একটি স্তর বা এপিডার্মিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ত্বক লাল হয়ে যায়, সামান্য ফুলে যায় এবং তীব্র জ্বালা করে। আগুনের পাশে কাজ করলে, রান্নার সময় আগুনের আঁচ বেশি লাগলে এ ধরনের বার্ন হয়।

দুই ডিগ্রি বার্ন: ত্বকের উপরিভাগের দুটি স্তরের প্রথমটি (এপিডার্মিস) সম্পূর্ণভাবে এবং পরবর্তীটি (ডার্মিস) আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পোড়া স্থান লাল হয়ে যায়, ফুলে যায়, ফোসকা পড়ে এবং প্রচণ্ড ব্যথা হয়। সাধারণত গরম পানি বা গরম তরল দিয়ে, কাপড়ে আগুন লেগে গেলে, আগুনে উত্তপ্ত হাঁড়ি বা কড়াই খালি হাতে ধরলে বা স্পর্শ লাগলে এ ধরনের বার্ন হয়।

তিন ডিগ্রি বার্ন: ত্বকের উপরিভাগের দুটি স্তরই সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ত্বকের নিচে থাকা মাংসপেশি, রক্তনালি, স্নায়ু ইত্যাদিও আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত স্থান কালো ও শক্ত হয়ে যায়, স্পর্শ করলেও ব্যথা অনুভূত হয়। সরাসরি আগুনের শিখায় পুড়লে, বিদ্যুতায়িত হলে, ফুটন্ত পানি বা তরল সরাসরি শরীরে পড়লে বা বোমা বিস্ফোরণে এ ধরনের বার্ন হয়।

চিকিৎসা:

এক ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব ১৫ থেকে ২০ মিনিট পানি ঢালতে হবে, আর তেমন কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। দুই ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ পানি ঢালতে হবে, ১-২ ঘণ্টা পর্যন্ত। নিজে নিজে ফোসকা গলানোর দরকার নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তিন ডিগ্রি বার্নের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আগুন বা গরম পদার্থ থেকে সরিয়ে পুড়ে যাওয়া কাপড় খুলে দিন। ঠান্ডা অথবা সাধারণ তাপমাত্রার পানি ঢালতে থাকুন বা ট্যাপের পানির নিচে বসিয়ে দিন।

আক্রান্ত অংশ পরিষ্কার কাপড় বা গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে একটু উঁচুতে রাখুন। আক্রান্ত ব্যক্তির জ্ঞান থাকলে পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে শরবত, স্যালাইন বা ডাবের পানি এমনকি সাধারণ পানিও পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করতে দিন। এভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে।


পরামর্শ

১. চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোনো মলম বা ক্রিম লাগাবেন না

২. ফোসকা হলে তা ফুটো করবেন না

৩. পোড়া স্থানে বরফ, তুলা, ডিম, পেস্ট ইত্যাদি লাগাবেন না

৪. পোড়া জায়গায় যেন আঘাত বা ঘষা না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন

৫. আগুন লেগে গেলে ছোটাছুটি করবেন না।



তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

 

পায়ের গোড়ালি ব্যথা



হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

পায়ের গোড়ালি ব্যথা নানা কারণে হতে পারে। এর মধ্যে গোড়ালির হাড় বৃদ্ধি বা ক্যালকেনিয়াল স্পোর বা অস্টিওফাইটিক স্পোর অন্যতম। এতে গোড়ালির হাড়ে ক্যালসিয়াম জমে একটা তীক্ষ্ণÿসুচালো স্পোর বা বাড়তি অংশ তৈরি হয়, যা আশপাশের পেশি, লিগামেন্ট ইত্যাদিতে চাপ দেয়। ফলে ব্যথা অনুভুত হয়।

কারা ঝুঁকিতে?

■ অ্যাথলেট, যারা দৌড়ান বা জগিং করেন

■ ওজনাধিক্য, স্থূল, কায়িক শ্রমহীন ব্যক্তি

■ ডায়াবেটিসের রোগী

■ ট্রাফিক পুলিশ, বিক্রয়কর্মী, যাঁরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন

■ জুতার মাপে সমস্যা থাকলে

■ যাদের পায়ের পাতা বেশি সমতল


কী করবেন?

আইসথেরাপি: পায়ের গোড়ালির নিচে কাপড় জড়ানো বরফ দিয়ে সেঁক দিন। বরফ সরাসরি দেওয়া ঠিক নয়। ডিপে রাখা পানির বোতল গোড়ালির নিচে গড়িয়ে নিতে পারেন। প্রতিবার বরফ সেঁক দেওয়ার মধ্যে অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিরতি নিতে হবে।

স্ট্রেচিং:

. একটা টাওয়েল রোল করে পায়ের নিচ থেকে দুই হাতে ধরে পায়ের পাতা ওপর দিকে টানুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। ১০ বার।

. একটা দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে গোড়ালি উঁচু করে শুধু আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ান। পায়ের পেছনের মাংসপেশিতে টান লাগবে। প্রতিবার ৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে মোট ১০ বার করুন

. চেয়ারে বসে এক পায়ের ওপর আরেক পা রাখুন। হাত দিয়ে পায়ের আঙুল ওপরের দিকে টেনে ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এবার অন্য পা দিয়ে করুন। মোট ১০ বার।

সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করুন। সোলের নিচে হিল কুশন ব্যবহার করা যায়। সাধারণত জুতার নিচে এক ইঞ্চিমতো উঁচু হলে গোড়ালি ব্যথা কমে যায়। ব্যথা অতিরিক্ত হলে ফিজিওথেরাপি নিন। সার্জারিও প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষজ্ঞ মতামত নিন।


তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


Friday, 11 November 2022

দাঁতের রোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

 



দাঁতের রোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

আমাদের শরীর-স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে আমাদের দাঁত। শৈশবে দুধের দাঁত উঠা থেকে তার শুরু। শেষ হয় বার্ধক্যে নড়ে যাওয়ার পরে ফোকলা দাঁতের হাসি দিয়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে প্রথম কাজ হলো ভালো করে দাঁতমাজা। আসলে নিত্যকার এই কাজটির ভিতরেই দাঁতের যত্ন এবং পরিচর্যা। তা না হলে শুধু দাঁত নড়ে যাওয়া বা পড়ে যাওয়া নয়- দাঁত আমাদের অনেক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে প্রথম কাজ হলো ভাল করে দাঁতমাজা। আসলে নিত্যকার এই কাজটির ভিতরেই দাঁতের যতœ এবং পরিচর্যা। তা না হলে শুধু দাঁত নড়ে যাওয়া বা পড়ে যাওয়া নয়- দাঁত আমাদের অনেক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

দাঁতের রোগ : পেরিওডন্টাইটিস

যেসব কারণে পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে সেগুলো :

ধূমপান :
 
ক্রমাগত ধূমপানের কারণে পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে এবং এমনকি চিকিৎসার পর ধূমপানের কারণে সফলতার হার কম হতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তন :
মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাড়ি বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে এবং মাড়ির প্রদাহ হতে হতে তা ধীরে ধীরে পেরিওডন্টাইটিসের দিকে মোড় নিতে পারে।

ডায়াবেটিস :
যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রানত্ম বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকে তাদের ৰেত্রে সংক্রমণসহ পেরিওডন্টাল রোগ হতে পারে।

মানসিক চাপ :
বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, মানসিক চাপের কারণে আমাদের শরীরের পক্ষে সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে শরীরের অন্যান্য রোগের মতো পেরিওডন্টাল রোগ ব্যতিক্রম নয়। তাই সবার উচিত মানসিক চাপমুক্ত থাকা।

ঔষধ সেবন :
কিছু ঔষধ সেবন বিশেষ করে বিষণ্নতানাশক ঔষধ এবং হৃদরোগের কিছু ঔষধ মুখের সার্বিক অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে। কারণ বিশেষ কিছু ঔষধ সেবনের কারণে লালা নিঃসরণের পরিমাণ কমে যায়। লাল মাড়ি এবং দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে। লালা নিঃসরণ কম হলে পেরিওডন্টাইটিস থেকে শুরু করে মুখে যে কোন রোগ দেখা দিতে পারে। তবে এসব রোগ ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে।

জটিল রোগের কারণে :

ক্যান্সার, এইডস জাতীয় জটিল রোগের কারণে মাড়ির যে কোন রোগসহ পেরিওডন্টাইটিসও হওয়া বিচিত্র নয়।

জেনেটিক কারণ :

জেনেটিক কারণে শরীরের কিছু রোগের মতো পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে।


পেরিওডন্টাল রোগের লক্ষনসমূহ :

(ক) দুর্গন্ধযুক্ত নিঃশ্বাস।

(খ) লাল অথবা ফুলা মাড়ি।

(গ) ব্যথাযুক্ত অথবা রক্তপাতযুক্ত মাড়ি।

(ঘ) কোন কিছু চুষতে ব্যথা হলে।

(ঙ) নড়া দাঁত।

(চ) সংবেদনশীল দাঁত।


পেরিওডন্টাইটিসের চিকিৎসা :

পেরিওডন্টাইটিসে দাঁতে পেরিওডন্টাল পকেট হতে পারে। পেরিওডন্টাল পকেট সাধারণত গভীরতায় ৩ থেকে ৫ মিলিমিটার হতে পারে। তবে তা কোন কোন ৰেত্রে কমবেশি হতে পারে। স্কেলিং এবং রুট স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পেরিওডন্টাল পকেটের চিকিৎসা করা হয়। প্রাথমিকভাবে স্কেলিং এবং কিউরেট করার পরে পেরিওডন্টাল পকেটে এন্টিসেপটিক চিপ এবং এ্যান্টিবায়োটিক জেল প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তবে এ ৰেত্রে চিকিৎসা সফল না হলে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে, যদি স্কেলিং এবং ওষুধ প্রয়োগের পরেও পকেট বিদ্যমান থাকে। এ ৰেত্রে ফ্ল্যাপ সার্জারির (Flap Surgery) মাধ্যমে পেরিওডন্টাল পকেটের চিকিৎসা করা হয় এবং দাঁতের মাড়িকে তার পূর্বের স্থানে বসিয়ে দেয়া হয়। ফ্ল্যাপ সার্জারির (Flap Surgery) পাশাপাশি হাড় এবং কোষের সংযোজন প্রয়োজন হতে পারে।

তাই দাঁত এবং মাড়ির যে কোন রোগ অবহেলা না করে চিকিৎসা করতে হবে দ্রুত।


দাঁত ব্যথার অন্যতম কারণ হল ক্যারিজ বা দন্তক্ষয়। অনেকের কাছে এই রোগটি দাঁতের পোকা নামে পরিচিত। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর কোনো ভিত্তি নেই।দাঁতের সব রোগের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি হয়।
বর্তমানে দাঁত ক্ষয় ও দাঁতে ছিদ্র হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত শিশু, টিনএজার ও বয়স্কদের এই সমস্যাটি বেশি হতে দেখা যায়।

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলেই দাঁত ক্ষয় হয়ে থাকে। ঘন ঘন স্ন্যাক্স ও ড্রিঙ্কস খাওয়া, অনেকক্ষণ যাবত দাঁতের মধ্যে খাবার লেগে থাকা, ফ্লোরাইড এর অপর্যাপ্ততা, মুখ ড্রাই থাকা, মুখের স্বাস্থ্যবিধি না মানা, পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষুধামন্দার সমস্যা থাকা ইত্যাদি কারণে দাঁতে ছিদ্র ও দাঁত ক্ষয় রোগ হয়ে থাকে।

লক্ষণ সমূহ:--

দাঁতে প্রচন্ড ব্যাথা হয়

কোন কিছু খাওয়া বা পান করার সময় হালকা থেকে তীব্র ব্যাথা হয়

আক্রান্ত দাঁতে গর্ত দেখা যায় এবং

দাঁতের উপরে সাদা, কালো বা বাদামী দাগ দেখা যায়।

যদি প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ইনফেকশন বৃদ্ধি পেয়ে ব্যাথা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে এবং দাঁতটি হারানোর সম্ভাবনা ও দেখা দিতে পারে। ক্যাভিটির চিকিৎসায় দাঁতে ফিলিং করা হয় ও ক্যাপ পরানো হয় এবং দাঁতের অবস্থা খুব খারাপ হলে রুট ক্যানেল করা হয়। এই সব চিকিৎসা খুব ব্যায় বহুল এবং কষ্টদায়ক।

ঘরোয়া কিছু উপায়ে দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। জেনে নিন সেই উপায় গুলো সম্পর্কেঃ

১। হলুদ গুঁড়ো
দাঁতের ছিদ্রের সমস্যায় হলুদ গুঁড়ো ব্যাবহার খুবই উপকারি। হলুদে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান আছে যা দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন কে ধ্বংস করতে পারে এবং এর প্রদাহ রোধী উপাদান দাঁতের ব্যাথা উপশম করতে পারে। হলুদ গুঁড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আস্তে আস্তে ব্যাথার দাঁতে লাগান,ব্যাথা কমে যাবে।

২। পেঁয়াজ
পেঁয়াজের একটি স্লাইস আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁত ক্ষয় এর সমস্যা কমায়। নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩। লবণ
লবনে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমাতে ও ব্যাথাকে সহনীয় করতে সক্ষম। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন এবং আক্রান্ত দাঁতের প্রতি মনোযোগ দিন।এভাবে দিনে ৩ বার করে করুন ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সাথে অথবা লেবুর রসের সাথে মিসিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে দিনে ২ বার করে কয়েকদিন করুন, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

এছাড়াও বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা, লবঙ্গ, রসুন, পুদিনা, আপেল সিডার ভিনেগার ইত্যাদি ব্যবহার করেও ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করুন।
তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।




Thursday, 10 November 2022

ফার্স্ট এইড বক্স || ফার্স্ট এইড বক্স এর সরঞ্জাম || first aid box

 প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত উপকরণাদি যে নির্দিষ্ট বাক্সে থাকে তাকে ফার্স্ট এইড বক্স (FAB) বলে।



ফার্স্ট এইড বক্স অতি দরকারি জিনিস। প্রয়োজনের সময় দৌড়াদৌড়ি না করে হাতের নাগালে ফার্স্ট এইড বক্স থাকলে খুব সহজেই রোগীকে কিছুটা সামলানো যায়। এতে রোগীসহ আশপাশে লোকজনের অস্থিরতাও অনেকটা কমে। তাই একটা ফার্স্ট এইড বক্স থাকা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে সবার মোটামুটি জ্ঞান থাকা দরকার। প্রয়োজনে তা খুব কাজে দেয়। ফার্স্ট এইড বক্স বহনযোগ্য। বক্সের উভয় দিকে FIRST AID BOX লেখা থাকে এবং উপরে একটি বাঁকা লাল রঙের অর্ধচন্দ্রের ছবি থাকে। ফার্স্ট এইড বক্স স্কুল-কলেজে, অফিস-আদালতে, কলকারখানায় এমনকি বাসাবাড়িতে বা গাড়িতেও রাখা যায়। বাসায় ও গাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফার্স্ট এইড বক্স থেকে প্রয়োজনের জিনিসটা তুলে নেয়া যায়।


সাধারণত যেসব উপকরণ থাকে:


* জীবাণুমুক্ত গজ পিস :

ক্ষত হতে রক্তপড়া বন্ধ করে ও জীবাণু সংক্রমণ কমায়। উহা ক্ষতস্থানকে নিরাপদে রাখে, তা ময়লা হতে দেয় না এবং ক্ষত থেকে নিঃসৃত তরল পদার্থ শুষে নেয়।


* রোলার ব্যান্ডেজ :

ড্রেসিংকে তার জায়গায় ভালোভাবে আটকে রাখার জন্য বা অতিরিক্ত রক্তপাত হলে, ব্যান্ডেজের ওপর চাপ দিয়ে পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করতে রোলার ব্যান্ডেজ ব্যবহৃত হয়। হাতে প্লাস্টার করা হলে তা জায়গামতো রাখতে, সিলিং (SLING) বানাতে রোলার ব্যান্ডেজ প্রয়োজন হয়।


* কাঁচি :

ক্ষতের পাশে প্রয়োজনে পরনের কাপড় কাটা, গজ, ব্যান্ডেজ, মাথার চুল ইত্যাদি কাটার জন্য কাঁচি দরকার।


* লিউকোপ্লাস্ট :

ব্যান্ডেজ ক্ষতের ওপর আটকানোর জন্য দরকার।


* অ্যান্টিসেপটিক লোশন বা ক্রিম :

ক্ষত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে দরকার হয়। যেমন- স্যাভলন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, পভিসেভ ইত্যাদি।


* ট্যুইজারস (TWEEZERS) :

শরীর থেকে কাঁটা, কোনো ক্ষুদ্র বস্তু বা স্পিন্টার (SPLINTER), পোকামাকড়ের শূল ইত্যাদি সরাতে বেশ ফলদায়ক। উহা ধাতু বা প্লাস্টিকের তৈরি ও বিভিন্ন রকমের হতে পারে।


* ক্রেপ ব্যান্ডেজ :

হাড় ফেটে গেলে বা কোথাও মচকে গেলে ক্রেপ ব্যান্ডেজ ব্যবহারে ব্যথা কমে, ফোলাও ক্রমশ হ্রাস পায়।


* সেফটিপিন :

কাঁটা বা ক্ষত থেকে কোনো স্পিন্টার সরাতে, ব্যান্ডেজ আটকাতে ও সিলিং জায়গামতো ধরে রাখার জন্য সেফটিপিন একটি কাজের জিনিস। এটা হালকা, শক্ত ও নিরাপদ।


* অ্যান্টিহিস্টামিন :

যেমন হিস্টাসিন, ফেক্সোফেনাডিন ইত্যাদি। এগুলো সর্দি, হাঁচি, কাশি, চুলকানি ও পোকার কামড়ের চিকিৎসায় সহায়ক।


* ব্যথার ওষুধ :

যেমন প্যারাসিটামল, আইবুপ্রুফেন ইত্যাদি।


* বার্ন ক্রিম :

পোড়া জায়গায় ব্যথা কমাতে ও ঘা শুকাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন বার্নল বা সিলভারজিন ক্রিম। অ্যালোভেরা জেল (GEL) পোড়া, চুলকানি ও চামড়ায় র‌্যাশ হলে বেশ কার্যকর। ক্যালেন্ডুলা ও আরটিকা ইউরেন্স বার্ন ক্রিম দ্রুত ব্যথা কমায়।


* থার্মোমিটার


----------------------------------


জরুরী ওষুধ -



* এন্টিসেপটিক সল্যুশন (যেমন বিটাডিন/স্যাভলন/ডেটল ইত্যাদি)।


* এন্টিবায়োটিক ওয়েস্টম্যান (যেমন ব্যাকট্রোবেন)।


* নরমাল স্যালাইন (ছোট বোতল)।


* সিলভার সালফা ডায়াজিন (সিল্ক ক্রিম), পোড়া বা ক্ষতের জন্য।


* হাইড্রোকর্টিসন ক্রিম_পোকায় কামড়ের চিকিৎসায় কাজে লাগে।


* জ্বর ও মাথাব্যথার জন্য_প্যারাসিটামল সিরাপ, ট্যাবলেট ও সাপোজিটরি।


* এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ_ঠাণ্ডা, অ্যালার্জির জন্য

(যেমন অ্যালাট্রল/এভিল/লরাটিডিন)।


* বমিবমি ভাব বা বমি রোধের জন্য_ডমপেরিডন ট্যাবলেট,সাপোজিটরি, সিরাপ।


* ডায়রিয়ার জন্য মুখে খাবার স্যালাইন।


* এসিডিটি রোধের জন্য এন্টাসিড ট্যাবলেট, সিরাপ।


* এ ছাড়াও পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনভিত্তিক কিছু ওষুধ যোগ করা যেতে পারে। যেমন তীব্র ব্যথানাশক হিসাবে আইবুপ্রোফেন রাখা যেতে পারে।


চোখে কিছু পড়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা

 চোখে কিছু পড়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা



চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। নানা কারণে চোখ দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে। চোখে ধুলোবালি পড়তে পারে। কাজ করার সময় কিছু ছিটকে এসে চোখে বিঁধতে পারে, কোনো রাসায়নিক পদার্থ চোখে পড়তে পারে। এরূপ কিছু চোখে পড়ে গেলে -


১। কখনই চোখ কচলানো যাবে না।


২। চোখে পানির ঝাপটা দিতে হবে।


৩। রোগীকে আলোর দিকে মুখ করে বসিয়ে আলতোভাবে চোখের দুটি পাতা খুলে দেখতে হবে। চোখে কোনো বস্তু লেগে থাকলে রুমালের কোনা ভিজিয়ে আলতোভাবে ব্রাশ করার মতো লাগিয়ে বস্তুটি তুলে নিতে হবে।


৪। রাসায়নিক কিছু চোখে পড়লে দুধ দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।


৫। তাড়াতাড়ি ডাক্তার বা হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করতে হবে।


জলে ডোবা রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা || জলে ডোবা || জলে ডোবার প্রাথমিক চিকিৎসা ||

 জলে ডোবা ব্যক্তির ?



জলে ডোবা ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা


জলে ডোবা ব্যক্তিকে উদ্ধার করার পর পরই প্রাথমিক চিকিত্সা দিতে পারলে মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে। যেকোনো শিক্ষিত ও সচেতন মানুষই এই চিকিত্সা দিতে পারেন।


— শ্বাসযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটে। তাই প্রথমেই শ্বাসযন্ত্র চালু করতে হবে।


— পর পর দুবার এভাবে শ্বাস দেওয়ার পর নাড়ি পরীক্ষা করুন। নাড়ি না পাওয়া গেলে দুই হাত একসঙ্গে করে বুকের ওপর জোরে চাপ দিন। চাপ দেওয়ার সময় আপনার এক হাত অপর হাতের ওপর থাকবে।


— ছন্দবদ্ধ নিয়মে এ দুটি কাজ চালিয়ে যান। ৩০ বার বুকে চাপ, তারপর দুবার শ্বাস—এই হলো একটি ছন্দ। এভাবে টানা পাঁচবার দিতে হবে।


— নাড়ির স্পন্দন ফিরে এলে আর বুকে চাপ দেওয়ার দরকার নেই।


— এই চিকিত্সা করার সময় রোগী বমি করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাকে একদিকে কাত করে দিন ও নাক-মুখ পরিষ্কার করে দিন।


— রোগীর জ্ঞান ফিরে এলেও তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। কেননা, তাকে অতি দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, বারডেম। দিতে পারলে মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে। যেকোনো শিক্ষিত ও সচেতন মানুষই এই চিকিত্সা দিতে পারেন।


— শ্বাসযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটে। তাই প্রথমেই শ্বাসযন্ত্র চালু করতে হবে।


— পর পর দুবার এভাবে শ্বাস দেওয়ার পর নাড়ি পরীক্ষা করুন। নাড়ি না পাওয়া গেলে দুই হাত একসঙ্গে করে বুকের ওপর জোরে চাপ দিন। চাপ দেওয়ার সময় আপনার এক হাত অপর হাতের ওপর থাকবে।


— ছন্দবদ্ধ নিয়মে এ দুটি কাজ চালিয়ে যান। ৩০ বার বুকে চাপ, তারপর দুবার শ্বাস—এই হলো একটি ছন্দ। এভাবে টানা পাঁচবার দিতে হবে।


— নাড়ির স্পন্দন ফিরে এলে আর বুকে চাপ দেওয়ার দরকার নেই।


— এই চিকিত্সা করার সময় রোগী বমি করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাকে একদিকে কাত করে দিন ও নাক-মুখ পরিষ্কার করে দিন।


— রোগীর জ্ঞান ফিরে এলেও তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। কেননা, তাকে অতি দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।




আর যদি শিশু হয় তবে --


পানিতে ডুবে যাওয়া শিশুকে অনেক সময় উদ্ধার করা গেলেও দেখা যায় তাকে বাঁচানো যায় না। এর প্রধান কারণ হচ্ছে অজ্ঞতা। অনেকে জানেই না, শিশু পানিতে ডুবে গেলে বা পানি খেলে কী করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক জ্ঞান থাকলে পানিতে ডুবে গেলেও শিশুকে সহজেই বাঁচানো সম্ভব। প্রথমেই যা যা করতে হবে---


১. শিশু যেহেতু বড় মানুষের মতো সামর্থ্যবান নয় এবং বেশিক্ষণ শ্বাস না নিয়ে বাঁচতে পারে না, তাই পানিতে ডুবে যাওয়ার পর তাকে যত দ্রুত সম্ভব পানি থেকে উদ্ধার করতে হবে।


২. উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে শুকনা স্থানে নিয়ে আসতে হবে।


৩. প্রথমেই কাত করে শুইয়ে দিতে হবে এবং পিঠে আস্তে আস্তে চাপড় দিয়ে পানি বের করার চেষ্টা করতে হবে।


৪. এরপর দেখতে হবে শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকভাবে চলছে কি না এবং নাড়ির গতি ঠিক আছে কি না। না চললে তার মুখের সঙ্গে মুখ লাগিয়ে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর আগে তার নাক-মুখ পরিষ্কার করে দিতে হবে।


৫. শিশু যদি বমি করতে চায়, তাহলে তাকে বমি করতে সহায়তা করা উচিত। এতে শিশুর ভেতরের পানি বেরিয়ে আসে। তবে বমি করানোর সময় তাকে কাত করে ধরতে হবে।


৬. সব ভেজা কাপড় দ্রুত খুলে ফেলে গরম কাপড় দিয়ে পুরো শরীর ঢেকে দিতে হবে।


৭. পানিতে ডুবে যাওয়ার পর শিশু মারা যাওয়ার আরও একটি বড় কারণ হচ্ছে শিশুর ভয় পাওয়া। শিশুকে উদ্ধারের পর পর যদি সম্ভব হয় তাকে অভয় দিতে হবে। তবে পানিতে শিশু ডুবে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে কিছু না জেনে নিজে নিজে কিছু না করাই উত্তম।


৮. পানিতে ডোবা শিশুকে উদ্ধারের পর যত দ্রুত সম্ভব তাকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা দিতে হবে। কেননা, ডুবে যাওয়ার পর থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, বুকে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে এবং হার্টফেল করতে পারে।


ওপরের এই কয়েকটি বিষয় জানা থাকলে পানিতে ডুবে যাওয়ার পরও আপনার শিশুকে আবার ফিরে পেতে পারেন।


কুকুর কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা || dog bites|| dog bites antibiotics || first aid for dog bites || dog bites treatment

 কুকুর কামড়ালে ?


কুকুর কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা




কুকুর কামড়ালে তাৎক্ষণিক যা করবেন


পথে ঘাটে হঠাৎ ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। কামড়াতে পারে কুকুর। কুকুরের কামড় অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং মারাত্নক। কুকুরের কামড় থেকে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। রেবিস নামক ভাইরাস থেকে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। এটি একটি স্নায়ুজনিত রোগ।


রেবিস ভাইরাস কুকুরের লালা থেকে ক্ষতস্থানে লেগে যায় এবং সেখান থেকে স্নায়ুতে পৌঁছে এই রোগ সৃষ্টি হতে পারে। জলাতঙ্ক হলে স্নায়ুতে সমস্যা হয়ে থাকে। যার কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কে প্রদাহের সাথে খাদ্যনালীতে তীব্র সংকোচন হতে পারে। এছাড়া রোগী কোন আলো বা শব্দ সহ্য করতে পারে না। এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে কুকুর কামড়ালে প্রাথমিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়। এই কাজগুলো করা হলে মারাত্মক আকার ধারণ করা প্রতিরোধ করা সম্ভব।


ক্ষত পরিষ্কার করুন:


প্রথমে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ক্ষতের স্থানটি চেপে ধরুন। তারপর কুকুরের কামড় দেওয়া স্থানে বেশি করে সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা ভাল। এটি ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দূর করে থাকে। তবে ক্ষত পরিষ্কার করার সময় খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না।


রক্ত বন্ধ করুন:


ক্ষত স্থানে চাপ দিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন। এতে রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যাবে।


ব্যান্ডেজ:


ক্ষতস্থানটিতে অ্যান্টিবায়েটিক ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে নিন। তারপর একটি গজ কাপড় দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে ফেলুন। ক্ষত স্থান খোলা থাকলে এতে বিভিন্ন রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।


ডাক্তারের কাছে যাওয়া:


প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং তার পরামর্শে টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ানোর পর অব্যশই টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন দেওয়া উচিত।


সতর্কতা:


কুকুরের কামড়ে অনেক সময় রোগী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তাকে আস্থা প্রদান করতে হবে যে, সে আবার সুস্থ হয়ে যাবে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অব্যশই রোগীকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যেতে হবে। এবং



পাঠ - ২


কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষত জায়গা ভালোভাবে পানি দ্বারা এবং এর পর আয়োডিন অথবা এন্টিসেপটিক লোশন দ্বারা ধুয়ে ফেলতে হবে


কুকুরটি স্বাভাবিক নাকি অসুস্থ সে বিষয়ে খোজ নেওয়া জরুরী


পালিত কুকুর হলে, কুকুরের আচরণ স্বাভাবিক কিনা সে বিষয়ে পালকের কাছথেকে তথ্য নিতে হবে


কুকুরটি পালিত হলে, কুকুরটির জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া আছে কিনা সে খবর নিতে হবে


রোগীকে ধনুষ্টঙ্কার এর টিকা দিতে হবে।


Thursday, 29 September 2022

পোকামাকড়ের কামড়ের চিকিৎসা! ||

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

পোকামাকড় আমাদের পরিবেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এর মধ্যে কিছু উপকারী আবার কিছু ক্ষতিকরও বটে। মাঝে মাঝে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এইসব পোকামাকড়ের সংস্পর্শে এলে হুল ফুটানো কিংবা কামড় দেয়ার মত ঘটনা ঘটে থাকে। যদি সময় মত চিকিৎসা না নেয়া হয় তাহলে এই ছোট কামড় বা হুল প্রাণঘাতী হতে পারে। কারণ অনেক পোকামাকড়ের শরীরেই বিষাক্ত পদার্থ থাকে যা মানুষ থেকে শুরু করে পূর্ণশক্তির ঘোড়া পর্যন্ত মেরে ফেলতে সক্ষম। তার পাশাপাশি অনেকের শরীরে এলার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে যা কালক্রমে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। তাই যদি আপনি কখনো কোন ধরনের পোকামাকড়ের কামড়ের শিকার হন, যেমন মৌমাছি কিংবা মাকড়সা তাহলে কামড় খাওয়ার মুহুর্ত থেকে সাবধান হওয়া জরুরী।

কামড় অনুভব করার সাথে সাথে আপনি যা করতে পারেন –

কামড় অনুভব করার সাথেই সাথেই উক্ত পোকা/মৌমাছি/মাকড়সাটিকে সরিয়ে দিন। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত এটি আপনাকে কামড়াবে ততক্ষণই বিষ শরীরে প্রবেশ করতে থাকবে।

নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। খুব বেশি নড়াচড়া করবেন না। কারণ নড়াচড়া বেশি করলে বিষ রক্তের মধ্য দিয়ে দ্রুত ছড়িয়ে যাবে।

যদি মৌমাছি আপনাকে হুল ফোটায়, তাহলে মৌমাছি সরিয়ে দেয়ার পরও হুল ভেঙ্গে চামড়ায় রয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব ভাঙ্গা হুলটি চামড়া থেকে সরিয়ে ফেলুন।

যদি আপনি পায়ে অথবা হাতে কামড় খেয়ে থাকেন তাহলে বাহু যত সম্ভব নিচু করে রাখুন। এতে বিষ সহজে ছড়াবে না। কয়েক ঘণ্টা পর যদি হাত ফুলতে শুরু করে, তাহলে হাত উচু করে ফোলা কমাতে পারেন।

তবে কামড় যদি কাঁকড়া বিছের হয়ে থাকে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হসপিটালে যান। এখন মোটামুটি সব হাসপাতালেই কাঁকড়া বিছের বিষের এন্টি ডোট পাওয়া যায়। তাই যত দ্রুত যাবেন ক্ষতি ততই কম হবে।

 ব্যথা নিরসনের জন্য করণীয় –

যাই কামড়াক, সাধারণত সেগুলো যদি বিষাক্ত হয় তাহলে কামড়ের স্থানে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে বরফ ব্যবহার করুন। প্রথম ৬ ঘণ্টার প্রতি ঘণ্টায় ১৫/২০ মিনিট করে বরফ ব্যবহার করুন। যেসময় বরফ লাগাচ্ছেন না, সেইসময় একটি পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান চেপে ধরে রাখুন এবং বরফ ব্যবহারের সময় বরফ এবং ক্ষতস্থানের মাঝে একটি পাতলা কাপড় ব্যবহার করা ভালো।

ক্ষতস্থানের ফোলা কমানোর জন্য যতটুকু সম্ভব ক্ষতস্থান সমতল থেকে উচুতে রাখার চেষ্টা করুন, এতে বিষ ছড়া্বে না, ফোলাও কম হবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে ক্ষতস্থানের চুলকানি, ফুলে যাওয়া, ব্যথা কমানোর জন্য Benadryl কিংবা ChlorTrimeton ধরনের এন্টিহিস্টামিন ওষুধ খেতে পারেন। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ ব্যবহার না করাই শ্রেয়।

ব্যথা কমানোর জন্য ফার্মেসি থেকে Benzocaine জাতীয় স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। তবে এলার্জিক রিএকশন এর ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন।

Hydrocortisone 1% cream অথবা ক্যালামাইন লোশন ক্ষতস্থানে লাগালে লালচে ভাব এবং ফোলা দূর হবে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এধরনের কিছু ব্যবহার করবেন না।

৬ ঘণ্টা বরফ ব্যবহারে যদি ফোলা কমে যায়, তাহলে আস্তে আস্তে ক্ষতস্থানে গরম কাপড়ের সেঁক দিতে পারেন। এতে ক্ষতস্থানের জীবাণু সংক্রমণ বন্ধ হবে।

 পোকার কামড়ের ক্ষেত্রে প্রতিকার হিসেবে আপনি প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যেসব ওষুধ খেতে পারেন –

Acetaminophen; যেমন – Tylenol.

Ibuprofen; যেমন – Advil অথবা Mortin.

Naproxen; যেমন – Aleve অথবা Naprosyn.

Aspirin; যেমন – Bayer অথবা Bufferin.

 আরো কিছু টিপস –

ওষুধ সেবনের পূর্বে ইন্সট্রাকশন গুলো পড়ে নেবেন।

যতটুকু সেবন করার নির্দেশনা দেয়া আছে ততটুকুই সেবন করুন।

এলার্জির সমস্যা থাকলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ সেবন করবেন না।

বিশ বছরের নিচে ডাক্তার এর নির্দেশনা ব্যতিত অ্যাসপিরিন সেবন করবেন না।

তবে প্রতিকারের চাইতে অবশ্যই প্রতিরোধ উত্তম। তাই সাবধান থাকবেন যাতে এই ধরনের বিষাক্ত পোকামাকড় আপনার সংস্পর্শে আসতে না পারে।


তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।