***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label AYURBEDA. Show all posts
Showing posts with label AYURBEDA. Show all posts

Thursday, 17 November 2022

অর্জুন

 



অর্জুন

ভেষজশাস্ত্রে ওষধি গাছ হিসাবে অর্জুনের ব্যবহার বলা হয়েছে। এই উদ্ভিদ কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘টারমিনালিয়া অরজুনা’, সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলোনো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহ্বাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল ওঠানো যায়। ফল দেখতে কামরাঙার মতো, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট।

ভেষজ গুণ

বুক ধড়ফড় করলে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনো হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি জলের সাথে মিশিয়ে জাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে খেলে বুক ধড়ফড়ানি কমে যায়। তবে পেটে যাতে বায়ু না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

অর্জুন ছাল বেটে খেলে হৃৎপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় কার্যক্ষমতা বাড়ে। এটি রক্তের কোলেস্টরল কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বিচুর্ণ ফল মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভারসিরোসিসের টনিক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্জুনের ছালে ট্যানিন রয়েছে, এ টানিন মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যাবহার হয়। এটি মাড়ির রক্তপাত বন্ধ করে এবং শরীরে ক্ষত, খোস পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছাল বেঁটে লাগালে সেরে যায়।

অর্জুনের ছাল হাঁপানি, আমাশয়, ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা, ব্যথা, প্রদর ইত্যাদি চিকিৎসায়ও উপকারী।

এ ছাড়া অর্জুনে স্যাপোনিন রয়েছে, এটি যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়। অর্জুনের ছালের রস যৌন উদ্দীপনা বাড়াতেও ব্যবহার হয়।

অর্জুন গাছের তেল খাদ্য হজম ক্ষমতা বাড়ায়। খাদ্যতন্ত্রের ক্রিয়া স্বভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

ক্যানসার কোষের বর্ধন রোধকারী গ্যালিক অ্যাসিড, ইথিগ্যালি, লিউটেনোলিন রয়েছে অর্জুন ছালে। এ কারণে এটি ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Wednesday, 16 November 2022

কালমেঘ

 


কালমেঘ

কালমেঘ আমাদের দেশে একটি বহুল প্রচলিত ভেষজ উদ্ভিদ। এই গাছের গড় উচ্চতা ১ মিটার। এই গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের ১ সেমি লম্বা ফুলের রং গোলাপী। দেড় থেকে দু সেমি লম্বা ফল অনেকটা ধানের মতো দেখতে। অকেনথেসি বর্গের অন্তর্ভুক্ত এই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম অ্যান্ড্রোগ্রাফিস পানিকুলাটা। 

ভারতের পূর্বাঞ্চল, হিমাচল প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে জন্মে থাকে। আর্দ্র ও অন্ধকারময় স্থানে এই উদ্ভিদের ভালো বৃদ্ধি হয়। তবে অল্প আলোকে বেশি চাষ হয়। সাধারণ ভাবে বিনা যত্নেই এই গাছ বেড়ে ওঠে। শিকড় ছাড়া কালমেঘ গাছের সব অংশই ওষুধের কাজে লাগে। কালমেঘের স্বাদ অত্যন্ত তেতো। জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ অত্যন্ত উপকারী।

তরিতরকারি হিসাবে কালমেঘ পাতা খাওয়া না হলেও ওষুধ হিসাবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। কালমেঘের পাতা থেকে তৈরি আলুই পশ্চিমবঙ্গের ঘরোয়া ওষুধ যা পেটের অসুখে শিশুদের দেওয়া হয়।বড়দেরও পেটের বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে কালমেঘ পাতা বেশ উপকারি। টাইফয়েড রোগে এবং জীবাণুরোধে কালমেঘ কার্যকর।

ভেষজ গুণ

কালমেঘ গাছের পাতার রস জ্বর, কৃমি, অজীর্ণ, লিভার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।

এ গাছের রস রক্ত পরিষ্কারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক ও রেচক হিসেবেও কাজ করে।

গাছের পাতা সিদ্ধ করে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিলে ঘা-পাঁচড়া জাতীয় রোগ সেরে যায়।

টাইফয়েডের প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহার হয়।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জ্বালাভাব দূর করে।

সর্দিকাশি, ব্রঙ্কাইটিস, বাত, অর্শ রোগ নিরাময়ে কার্যকর।

ফ্লু ও সাইনাসাইটিসের জন্য উপকারী।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

অকাল চুলপাকা রোধে কি কি করতে পারেন ?



 আজকাল দেখা যায় অনেকেরই অল্প বয়সে চুল সাদা হয়ে যায়। আর এই সাদা চুল নিয়ে বিপাকে পড়ে যান কেউ কেউ। কারণ চুল সাদা হলে বয়সের ছাপটা যেন একটু বেশি বোঝা যায়। সেইসঙ্গে নিজের ব্যক্তিত্ব খানিকটা ম্লান হয়ে পড়ে। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল সাদা হয়। কিন্তু অল্প বয়সে কালো চুল সাদা হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়।

কিন্তু আমাদের দেশে এখন অনেক কম বয়সী নারী-পুরুষেরই চুল পাকার সমস্যা দেখা যাচ্ছে। অল্প বয়সে চুল পাকার জন্য কিছু জিনিসতো অবশ্যই দায়ী। এসবের মধ্যে ঘুম কম হওয়া, নিম্ন মানের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, অত্যাধিক পরিমাণে চুলে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, চুলের নিয়মিত যত্ন না নেয়া, তেলে ভাজাপোড়াসহ ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়া, পুষ্টিকর খাবারের অভাব, বংশগত বা হরমোনের কারণে, অতিরিক্ত চিন্তা, চুল অতিরিক্ত ড্রাই করা, পানি দূষিত হওয়া, চুলে খুব বেশি রোদর তাপ লাগা প্রধান কারণ। তবে হতাশ না হয়ে একটু সচেতন হলে অল্প বয়সে কাচা চুল সাদা হওয়া থেকে প্রতিরোধ করা যায়। চুল সাদা হওয়া প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

চুল পাকা থেকে মুক্তির পাওয়ার কিছু উপায়




  • হরতকি ও মেহেদী পাতার সঙ্গে নারিকেল তেল দিয়ে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে চুলে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • আমলকির রস, বাদামের তেল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন চুলে লাগালে চুল পাকা কমে যায়।
  • নারিকেল তেল গরম করে মাথার তালুতে ভালো করে ম্যাসেজ করলে চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সঙ্গে সঙ্গে চুল সাদা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
  • চুল সাদা হওয়ার শুরুতে হেনা, ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগালে চুল সাদা হওয়া কমে যাবে। হেনা ব্যবহারে শুধু চুল সাদা হওয়া থেকে রক্ষা করবে না সেই সঙ্গে সাদা চুলে কালো রঙে ফিরে আসবে।
  • চুলে যেন সরাসরি রোদ না লাগে সেজন্য বাইরে বের হলে ছাতা, ক্যাপ অথবা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখা জরুরি।
  • চুলের ধরণ অনুযায়ী নিয়মিত ভালো ব্রান্ডের শ্যাশ্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের ক্রিম, জেল, কালার, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
  • চুলের নিজস্ব রঙ ধরে রাখতে মাঝে মাঝে চায়ের ঘন লিকার ব্যবহার করতে পারেন।
  • চুলে খুশুকি হলে শুরুতেই সাবধান হতে হবে। অতিরিক্ত খুশকির কারণে চুল সাদা হয়ে যায়।
  • ধুমপান পরিহার করে নিয়মিত পানি, ফলমূল, রঙিন শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার খেলে চুল সাদা হবে না বরং চুল হবে সুন্দর ও ঝরঝরে।

চিকিৎসা



ঘাবড়ানোর কারণ নেই। কোন কিছুতেই যদি আপনার অকাল চুলপাকা বন্ধ না হয়, সোজা আপনার হোমিওপ্যাথের কাছে চলে যান কারণ সমস্যাটা আপনার Characteristic Symptoms এর উপর অনেকটা নির্ভরশীল।

সজনে


সজনে

সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল, তিনেরই উপকারিতা আছে।

সজনে ডাঁটা একটি মরসুমি ফল। আয়ুর্বেদে দু’ ধরনের সজনের উল্লেখ আছে -- লাল ও সবুজ সজনে। লাল সজনে এখন আর চোখে পড়ে না। সবুজ সজনে পাওয়া যায়। এখন বাণিজ্যিক ভাবে কেউ সজনে লাগায় না। চৈত্র মাসে মাত্র কিছু দিনের জন্য সজনে পাওয়া যায়। কারণ পরিকল্পিত ভাবে এ গাছ কেউ চাষ করে না। ডাল মাটিতে পুঁতে দিলে গাছ হয়। অথচ সজনের অনেক গুণ। সজনের পাতা, ফুল ও ছাল সবই উপকারী।

আয়ুর্বেদ মতে সজনে ক্ষুধা বাড়ায়, বলবীর্য বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে ক্ষার ও লবণ। সজনে পেটের অসুখে উপকারী এবং বাত ও শ্লেষ্মা সারে। গোদ ও গলগণ্ড হলে সজনে খেতে বলা হয়। সজনে চোখের জন্যও ভালো। পেটে গ্যাস উৎপন্নে বাধা দেয়। সজনে সব ধরনের ব্যথা, কাশি, নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়া বা রক্তপিত্ত সারায় ও শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে।

শরীরের কোনও জায়গা ফুলে গেলে বা কারও বাত হলে সজনে বেসনের সাথে খড়খড়ে করে রান্না করে খেলে উপকার হবে। সজনে পাতা সামান্য জল দিয়ে বেঁটে রস বের করে সকাল-বিকেল দু’ চামচ করে খাবেন। উচ্চ রক্তচাপ কমবে। সজনে পাতা বেঁটে টিউমারে লাগালে বসে যাবে। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক অবস্থায় সজনে বীজের তেল বেশ কিছু দিন লাগালে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সজনের মূলের ছাল পিষে দাদ পরিষ্কার করে প্রলেপ দিলে দাদ ভালো হয়। সজনে পাতার ঝোল খেলে সর্দিজ্বর ভালো হয়। সজনে পাতা শাকের মতো রান্না করে বা ঝোল রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে।

সজনে ফুল শাকের মতো রান্না করে খেলে জলবসন্ত হয় না। এ ছাড়া সজনেও বসন্ত প্রতিষেধক। চোখে যদি পিচুটি পড়ে, ব্যথা হয় বা চোখ দিয়ে জল পড়ে তা হলে সজনে পাতা সেদ্ধ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে সমস্যা চলে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Friday, 11 November 2022

দাঁতের রোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

 



দাঁতের রোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

আমাদের শরীর-স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে আমাদের দাঁত। শৈশবে দুধের দাঁত উঠা থেকে তার শুরু। শেষ হয় বার্ধক্যে নড়ে যাওয়ার পরে ফোকলা দাঁতের হাসি দিয়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে প্রথম কাজ হলো ভালো করে দাঁতমাজা। আসলে নিত্যকার এই কাজটির ভিতরেই দাঁতের যত্ন এবং পরিচর্যা। তা না হলে শুধু দাঁত নড়ে যাওয়া বা পড়ে যাওয়া নয়- দাঁত আমাদের অনেক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে প্রথম কাজ হলো ভাল করে দাঁতমাজা। আসলে নিত্যকার এই কাজটির ভিতরেই দাঁতের যতœ এবং পরিচর্যা। তা না হলে শুধু দাঁত নড়ে যাওয়া বা পড়ে যাওয়া নয়- দাঁত আমাদের অনেক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

দাঁতের রোগ : পেরিওডন্টাইটিস

যেসব কারণে পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে সেগুলো :

ধূমপান :
 
ক্রমাগত ধূমপানের কারণে পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে এবং এমনকি চিকিৎসার পর ধূমপানের কারণে সফলতার হার কম হতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তন :
মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাড়ি বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে এবং মাড়ির প্রদাহ হতে হতে তা ধীরে ধীরে পেরিওডন্টাইটিসের দিকে মোড় নিতে পারে।

ডায়াবেটিস :
যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রানত্ম বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকে তাদের ৰেত্রে সংক্রমণসহ পেরিওডন্টাল রোগ হতে পারে।

মানসিক চাপ :
বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, মানসিক চাপের কারণে আমাদের শরীরের পক্ষে সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে শরীরের অন্যান্য রোগের মতো পেরিওডন্টাল রোগ ব্যতিক্রম নয়। তাই সবার উচিত মানসিক চাপমুক্ত থাকা।

ঔষধ সেবন :
কিছু ঔষধ সেবন বিশেষ করে বিষণ্নতানাশক ঔষধ এবং হৃদরোগের কিছু ঔষধ মুখের সার্বিক অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে। কারণ বিশেষ কিছু ঔষধ সেবনের কারণে লালা নিঃসরণের পরিমাণ কমে যায়। লাল মাড়ি এবং দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে। লালা নিঃসরণ কম হলে পেরিওডন্টাইটিস থেকে শুরু করে মুখে যে কোন রোগ দেখা দিতে পারে। তবে এসব রোগ ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে।

জটিল রোগের কারণে :

ক্যান্সার, এইডস জাতীয় জটিল রোগের কারণে মাড়ির যে কোন রোগসহ পেরিওডন্টাইটিসও হওয়া বিচিত্র নয়।

জেনেটিক কারণ :

জেনেটিক কারণে শরীরের কিছু রোগের মতো পেরিওডন্টাইটিস হতে পারে।


পেরিওডন্টাল রোগের লক্ষনসমূহ :

(ক) দুর্গন্ধযুক্ত নিঃশ্বাস।

(খ) লাল অথবা ফুলা মাড়ি।

(গ) ব্যথাযুক্ত অথবা রক্তপাতযুক্ত মাড়ি।

(ঘ) কোন কিছু চুষতে ব্যথা হলে।

(ঙ) নড়া দাঁত।

(চ) সংবেদনশীল দাঁত।


পেরিওডন্টাইটিসের চিকিৎসা :

পেরিওডন্টাইটিসে দাঁতে পেরিওডন্টাল পকেট হতে পারে। পেরিওডন্টাল পকেট সাধারণত গভীরতায় ৩ থেকে ৫ মিলিমিটার হতে পারে। তবে তা কোন কোন ৰেত্রে কমবেশি হতে পারে। স্কেলিং এবং রুট স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পেরিওডন্টাল পকেটের চিকিৎসা করা হয়। প্রাথমিকভাবে স্কেলিং এবং কিউরেট করার পরে পেরিওডন্টাল পকেটে এন্টিসেপটিক চিপ এবং এ্যান্টিবায়োটিক জেল প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তবে এ ৰেত্রে চিকিৎসা সফল না হলে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে, যদি স্কেলিং এবং ওষুধ প্রয়োগের পরেও পকেট বিদ্যমান থাকে। এ ৰেত্রে ফ্ল্যাপ সার্জারির (Flap Surgery) মাধ্যমে পেরিওডন্টাল পকেটের চিকিৎসা করা হয় এবং দাঁতের মাড়িকে তার পূর্বের স্থানে বসিয়ে দেয়া হয়। ফ্ল্যাপ সার্জারির (Flap Surgery) পাশাপাশি হাড় এবং কোষের সংযোজন প্রয়োজন হতে পারে।

তাই দাঁত এবং মাড়ির যে কোন রোগ অবহেলা না করে চিকিৎসা করতে হবে দ্রুত।


দাঁত ব্যথার অন্যতম কারণ হল ক্যারিজ বা দন্তক্ষয়। অনেকের কাছে এই রোগটি দাঁতের পোকা নামে পরিচিত। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর কোনো ভিত্তি নেই।দাঁতের সব রোগের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি হয়।
বর্তমানে দাঁত ক্ষয় ও দাঁতে ছিদ্র হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত শিশু, টিনএজার ও বয়স্কদের এই সমস্যাটি বেশি হতে দেখা যায়।

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলেই দাঁত ক্ষয় হয়ে থাকে। ঘন ঘন স্ন্যাক্স ও ড্রিঙ্কস খাওয়া, অনেকক্ষণ যাবত দাঁতের মধ্যে খাবার লেগে থাকা, ফ্লোরাইড এর অপর্যাপ্ততা, মুখ ড্রাই থাকা, মুখের স্বাস্থ্যবিধি না মানা, পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষুধামন্দার সমস্যা থাকা ইত্যাদি কারণে দাঁতে ছিদ্র ও দাঁত ক্ষয় রোগ হয়ে থাকে।

লক্ষণ সমূহ:--

দাঁতে প্রচন্ড ব্যাথা হয়

কোন কিছু খাওয়া বা পান করার সময় হালকা থেকে তীব্র ব্যাথা হয়

আক্রান্ত দাঁতে গর্ত দেখা যায় এবং

দাঁতের উপরে সাদা, কালো বা বাদামী দাগ দেখা যায়।

যদি প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ইনফেকশন বৃদ্ধি পেয়ে ব্যাথা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে এবং দাঁতটি হারানোর সম্ভাবনা ও দেখা দিতে পারে। ক্যাভিটির চিকিৎসায় দাঁতে ফিলিং করা হয় ও ক্যাপ পরানো হয় এবং দাঁতের অবস্থা খুব খারাপ হলে রুট ক্যানেল করা হয়। এই সব চিকিৎসা খুব ব্যায় বহুল এবং কষ্টদায়ক।

ঘরোয়া কিছু উপায়ে দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। জেনে নিন সেই উপায় গুলো সম্পর্কেঃ

১। হলুদ গুঁড়ো
দাঁতের ছিদ্রের সমস্যায় হলুদ গুঁড়ো ব্যাবহার খুবই উপকারি। হলুদে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান আছে যা দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন কে ধ্বংস করতে পারে এবং এর প্রদাহ রোধী উপাদান দাঁতের ব্যাথা উপশম করতে পারে। হলুদ গুঁড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আস্তে আস্তে ব্যাথার দাঁতে লাগান,ব্যাথা কমে যাবে।

২। পেঁয়াজ
পেঁয়াজের একটি স্লাইস আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁত ক্ষয় এর সমস্যা কমায়। নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩। লবণ
লবনে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমাতে ও ব্যাথাকে সহনীয় করতে সক্ষম। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন এবং আক্রান্ত দাঁতের প্রতি মনোযোগ দিন।এভাবে দিনে ৩ বার করে করুন ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সাথে অথবা লেবুর রসের সাথে মিসিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে দিনে ২ বার করে কয়েকদিন করুন, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

এছাড়াও বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা, লবঙ্গ, রসুন, পুদিনা, আপেল সিডার ভিনেগার ইত্যাদি ব্যবহার করেও ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করুন।
তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।




বাসক পাতা || বাসক পাতার উপকারিতা

 


বাসক পাতা

বাসক কথাটি অর্থ সুগন্ধকারক। এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। লোকের মুখে ঘুরে ঘুরে বাসকের নাম পরিণত হয়েছিল ‘বসায়।’ বাসকের অনেক গুণ। বাসকের ছাল, পাতা, রস সবই উপকারী। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বাসক পাতাকে নানা রোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়। সর্দি-কাশির মহা ওষুধ বাসক, একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ উদ্ভিদ। গাছটি লম্বায় ১-১৫ মিটার (৩-৫ ফুট) পর্যন্ত হয়। কচি অবস্থায় গাছের গোড়া সবুজ হলেও পরিণত অবস্থায় হাল্কা বেগুনি রঙের মতো দেখায়। পাতাগুলি লম্বায় ৫-১২ সেন্টিমিটারের মতো হয়। ফুল সাদা রঙের এবং গুচ্ছাকারে ফোটে। ফলগুলি ক্যাপসুলের মতো দেখতে।

বাসকের তাজা অথবা শুকনো পাতা ওষুধের কাজে লাগে। বাসকের পাতায় ‘ভাসিসিন’ নামীর ক্ষারীয় পদার্থ এবং তেল থাকে। শ্বাসনালীর লালাগ্রন্থিকে সক্রিয় করে বলে বাসক শ্লেষ্মানাশক হিসেবে প্রসিদ্ধ। বাসক পাতার নির্যাস, রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে সুবিধা করে দেয় বলে সর্দি, কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ উপকারী। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি হয়, অন্তত বমির ভাব বা নসিয়া হয়, অস্বস্তি হয়।

উপকারিতা

১. বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে এক চামচ মধু-সহ খেলে শিশুর সদির্কাশি উপকার পাওয়া যায়।

২. বাসক পাতার রস স্নানের আধ ঘণ্টা আগে মাথায় কয়েক দিন মাখলে উকুন মরে যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেঁটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।

৩. যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার জন্য শ্বাসকষ্ট হয় বা কাশি হয় তা হলে বাসক পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারী রস ১-২ চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।

৪. প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা থাকলে বাসকের ফুল বেঁটে ২-৩ চামচ ও মিছরি ১-২ চামচ সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

৫. জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলিলিটার জলে ফোটাতে হবে।

৬. ২৫ মিলিলিটার থাকতে নামিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে জ্বর এবং কাশি দুই-ই চলে যায়।

৭. বাসকের কচি পাতা ১০-১২টি ও এক টুকরো হলুদ এক সঙ্গে বেঁটে দাদ বা চুলকানিতে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

৮. বাসক পাতা বা ফুলের রস ১-২ চামচ মধু বা চিনি ১ চামচ-সহ প্রতি দিন খেলে জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।

৯. পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে বাসক পাতা ২০টি থেঁতো করে ২ কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

১o. যাঁদের হাঁপানির টান আছে তাঁরা বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি বা চুরুটের মতো পাকিয়ে, তার সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।

১১. যাঁদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তাঁরা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে।

১২. বাসক পাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রঙ ফরসা হবে।

১৩. এক কলসি জলে তিন-চারটি বাসক পাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই জল বিশুদ্ধ হয়ে যায়। এর পর ব্যবহার করতে পারেন।

১৪. পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ দূর হয়ে যায়।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

থানকুনি পাতার উপকারী গুন

 


থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম সেন্টালা আকিয়াটিকা। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। রোগ চিকিৎসার অঙ্গনে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের  উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য হিসাবে এই পাতা সরাসরি খেলে রোগ নিরাময়ে যথার্থ  ভূমিকা রাখতে পারে। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়।

উপকারিতা

জ্বর

থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে খেলে জ্বর সারে।

পেটের পীড়া

অল্প পরিমাণ আমগাছের ছাল, আনারসের কচি পাতা ১টি, কাঁচা হলুদের রস, ৪/৫ টি থানকুনি গাছ শিকড়সহ ভালো করে ধুয়ে একত্রে বেটে রস করে খালি পেটে খেলে পেটের পীড়া ভালো হয়। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি কার্যকর।

পাঁচড়া রোধ

কাঁচা হলুদের রস চা চামচের ২ চামচ, থানকুনি পাতার রস ২/৩ চামচ একত্রে মিশিয়ে শরীরে মাখলে পাঁচড়া রোগ ভাল হয়।

গ্যাস্ট্রিক

আধ কেজি দুধে ১ পোয়া মিশ্রি ও আধা পোয়া থানকুনি পাতার রস একত্রে মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে ১ সপ্তাহ খেলে গ্যাস্ট্রিক ভালো হয়।

হজমশক্তি বৃদ্ধি

বেগুন/পেঁপের সাথে থানকুনি পাতা মিশিয়ে শুক্তো রান্না করে প্রতি দিন ১ মাস খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।

রক্ত দূষণ রোধে থানকুনি

প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ৪ চা চামচ থানকুনি পাতার রস ও ১ চা চামচ মধু/ মিশিয়ে ৭ দিন খেলে রক্ত দূষণ ভালো হয়।

বাক স্ফুরণে

যে সব বাচচা কথা বলতে দেরি করে অথবা অস্পষ্ট, সে ক্ষেত্রে ১ চামচ করে থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠান্ডা হলে ২০/২৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠান্ডা দুধের সাথে কিছু দিন খাওয়ালে অসুবিধাটা সেরে যায়।

খুসখুসে কাশি

২ চামচ থানকুনির রস সামান্য চিনিসহ খেলে সঙ্গে সঙ্গে খুসখুসে কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। ১ সপ্তাহ খেলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।

আমাশয়


প্রতি দিন সকালে ৫/৭ টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে ৭ দিন খেলে আমাশয় ভালো হয়। অথবা, থানকুনি পাতা বেঁটে পাতার রসের সাথে চিনি মিশিয়ে দু’ চামচ দিনে দু’ বার খেলে আমাশয় ভালো হয়।

পেট ব্যথা

থানকুনি পাতা বেঁটে গরম ভাতের সাথে খেলে পেট ব্যথা ভাল হয়।

লিভারের সমস্যা

প্রতি দিন সকালে থানকুনির রস ১ চামচ, ৫/৬ ফোঁটা হলুদের রস (বাচ্চাদের লিভারের দোষে) সামান্য চিনি ও মধুসহ ১ মাস খেলে লিভারের সমস্যা ভালো হয়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

রসুন || কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা

 


রসুন সারায় এমন ১০টি অসুখ

১. প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক :

রসুনে থাকা ভিটামিন ‘সি’র কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। কেননা এই ভিটামিন স্কার্ভি রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে তা রক্তনালি নমনীয় রাখে।

২. রক্ত চলাচলে সহায়তা :

রসুনে ‘অ্যাজোইন’ নামক এক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এ পদার্থ নির্বিঘেœ রক্ত চলাচলে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে রক্তের কোলেস্টরেল কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

৩. হরমোন নিঃসরণ :

রসুনে থাকা সালফার আমাদের শরীরের নানা হরমোন নিঃসরণ করতে সহায়তা করে।

৪. হৃদরোগজনিত সমস্যা :

হৃদজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভীষণ কার্যকর এ ভেষজ। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত, এটি উচ্চ রক্তচাপও কমিয়ে দেয়।

৫. রোগজীবাণু ধ্বংস :

রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ পদার্থ ক্ষত সারাতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া পদার্থটি যক্ষা, আমাশয়, টাইফয়েড প্রভৃতির রোগজীবাণু ধ্বংস করে।

৬. ঠান্ডা কমায় :

ঠান্ডা লাগা, গলা বসে যাওয়া কিংবা গলাব্যথা, মাথাব্যথা, গেঁটে বাত, হাঁপানি, ব্রংকাইটিসের সমস্যায় রসুন চিবিয়ে খেলে এ ধরণের সমস্যাগুলো একেবারেই থাকে না।

৭. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে :


ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী মসলা এই রসুন। এটি ব্লাড সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৮. হজমের সমস্যা দূর করে :

লিভারের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং হজমের সমস্যা দূর করে এ ঔষধি। অ্যালার্জি সারিয়ে তুলতে এর ভূমিকা সুবিদিত।

৯. ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনে :

অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন ফুড পয়জনিং নিবারণ করে এ মসলা।

১০. পুরুষের সুস্থ স্পার্ম তৈরি :


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

হলুদ || কাচা হলুদ এর উপকারিতা || কাঁচা হলুদ || black turmeric || turmeric

 


হলুদের অপর নাম বর্ণবতী। বলবর্ধক, রক্তপরিষ্কারক, পিত্তনাশক, দাহ-নিবারক ইত্যাদি উপকারের কারণে হলুদ বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন কাঞ্চনী, পীত, বরবর্ণিলী, যোষিৎপ্রিয়া ও বর্ণবিধায়িনী। এতে আছে কফ, বাত, পিত্ত, ব্রণ, চর্মরোগ, শোথ, পাণ্ডু, কৃমি, প্রমেহ, অরুচি, উদরী ও বিষদোষ প্রশমন করার ক্ষমতা। প্রাচীনকাল থেকে এটি ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এটি ভারতবর্ষে আয়ুর্বেদ ও হেকমিতে ব্যবহৃত। এটি ভেষজ ছাড়াও বর্ণ, রুচি ও দীপ্তির জন্য উপকারী হিসেবে চিহ্নিত। এর ভেষজ ব্যবহারগুলি হল :

পেটের বায়ু ও পুরনো ডায়েরিয়া

পেটে গ্যাস হলে ও পুরনো ডায়েরিয়ায় হলুদের গুঁড়ো বা রস জল সহ খেলে খুবই উপকার হয়।

পেটে ব্যাথা:

পেটের সংক্রমণ রোধে হলুদ খুবই কার্যকর। মাখন বা দুধের সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

কৃমি:

কাঁচা হলুদের রস ১৫-২০ ফোঁটা (বয়সানুপাতে) সামান্য লবণ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হয়। কৃমি দমনে কার্যকর ওষুধ, তাই একে কৃমিঘ বা কৃমিনাশকারীও বলে।

লিভারের দোষ:

পাণ্ডু রোগে (জন্ডিস) গায়ের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে আসছে বুঝতে পারলে হলুদের রস ৫ থেকে ১০ ফোঁটা থেকে শুরু করে বয়সানুপাতে ১ চা চামচ পর্যন্ত একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা বহু আগে থেকে চলে আসছে। আবার একটু হলুদ গুঁড়ো তার দ্বিগুণ পরিমাণ দইয়ে মিশিয়ে খেলে পিলে ও যকৃতের দোষ এবং জন্ডিস সারে। মধু সহ হলুদ খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

তোতলামি:

ছোটবেলায় যাদের কথা আটকে যায় বা স্বাভাবিক ভাবে তাড়াতাড়ি কথা বলার অভ্যাস, সে ক্ষেত্রে হলুদ গুঁড়ো করে (কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করতে হবে) তা দুই-তিন গ্রাম পরিমাণে এক চা চামচ ঘিয়ে একটু ভেজে সেটাকে দুই-তিনবার চেটে চেটে খাওয়াতে হয়। এতে তোতলামি কমে যায়।

হামজ্বর:

ক) এই জ্বরে কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সাথে করলা পাতার রস ও অল্প মধু মিশিয়ে খাওয়ালে তা সারে।

খ) হলুদের শিকড় রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে এক চা চামচ মধু ও করলা পাতার রস মিশিয়ে খেলে হাম সারে।

পুরনো ঘুসঘুসে জ্বর, কোষ্ঠবদ্ধতা, হজমে দুর্বলতা, পুরনো কাশি

মধু মিশিয়ে হলুদের গুঁড়ো খেলে এ সব রোগে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

এলার্জি:

খাদ্য বিশেষে অনেকের দেহ চাকা চাকা হয়ে ফুলে ওঠে, চুলকায়, লাল হয়ে যায় তাকে চট্টগ্রামে পিঁড়ি বাত বলে। এ ক্ষেত্রে নিমপাতার গুঁড়ো এক ভাগ, কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সেটা দুই ভাগ ও শুকনো আমলকীর গুঁড়ো তিন ভাগ এক সঙ্গে মিশিয়ে এক গ্রাম হারে তা সকালে খালি পেটে বেশ কিছু দিন খেতে হয়।

কফ, সর্দি ও ঠান্ডা লাগা:

দুধে হলুদ সিদ্ধ করে বেঁটে চিনি মিশিয়ে খেলে সর্দি সারে। পুরনো কফ রোগ, গলা ফোলা ও গলা জ্বালায় আধা চা-চামচ হলুদের গুঁড়ো ৩০ মিলি গরম দুধে মিশিয়ে খেলে খুবই উপকার হয়। এতে বড় চামচে দুধ ঢেলে তাতে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে অল্প আঁচে উৎরিয়ে নিতে হয়।

কাশি:

খুব বেশি কাশির ঝোঁক হলে এক কাপ ঈষৎ উষ্ণ জলে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করলে কাশির উপশম হয়।

সর্দিজ্বর:

গরম দুধে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সর্দিজ্বর কমে।

ফোঁড়া:

পোড়া হলুদের ছাই জলে গুলে লাগালে ফোঁড়া পাকে ও ফেটে যায়; আবার গুঁড়ো লাগালে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

খেঁজুড়ের উপকারী গুন || খেজুরের উপকারিতা || খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

 

প্রতিদিন সকালে ৩-৪ টে খেজুর খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত যারা কনস্টিপেশন বা কোনো ধরনের পেটের রোগে ভুগছেন তাদের জন্য তো এই ফলটি মহৌষধির কম নয়! এখানেই শেষ নয়, খেজুরের আরও অনেক উপকারিতা আছে, যেমন
একাধিক পেটের রোগের প্রকোপ কমায় :


প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনো ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে অন্দরে উপকারী  ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদহজম, কোলাইটিস ও হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।



হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া রোগকে দূরে রাখে :
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা নেয়।


অ্যালার্জির প্রকোপ কমায় :
 ২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে ‘এল ডি এল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।


ওজন বাড়ায় :
নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


সংক্রমণের আশঙ্কা হ্রাস :
খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

নিম গাছের ঔষধি গুন || নিম পাতার উপকারিতা

 


 নিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Azadirachta indica) একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কাণ্ডের ব্যাস ২০-৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই নিম গাছ পাওয়া যায়। এই গাছ প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় ১০ বছর। নিম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে ভালো হয়।


নিমের কিছু ব্যবহারিক উপকারিতা:

কফজনিত বুকের ব্যথা:

অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম জলে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এই ওষুধটি নিষিদ্ধ।

 


কৃমি:

পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুঁড়ো দিনে ৩ বার সামান্য গরম জল সহ খেতে হবে।

উকুন নাশ:


নিমের পাতা বেঁটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘণ্টা খানেক পরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এ ভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।

অজীর্ণ:

অনেক দিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

খোস পাঁচড়া:

নিম পাতা সিদ্ধ করে জল দিয়ে চান করলে খোস পাঁচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েক দিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

পোকামাকড়ের কামড়:

পোকামাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেঁটে ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

দাঁতের রোগ:

নিমের পাতা ও ছালের গুঁড়ো কিংবা নিমের ছাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত।

জন্ডিস:

বাচ্চাদের জন্য ৫-১১ ফোঁটা, বয়স্কদের জন্য ১ চামচ রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে প্রতি দিন সকালে।

ডায়াবেটিস রোগ:
৫টি গোলমরিচের সঙ্গে ১০টি নিম পাতা একত্রে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, 🙏🙏🙏🙏 খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


তুলসীর উপকারী গুন

 

 


তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক। মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই তাঁর অসুখ বিশুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ , লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। এসবে কোন পার্স প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে।

১। নিরাময় ক্ষমতা

তুলসী পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুণ আছে। তুলসি পাতা নার্ভ টনিক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। এটা শ্বাস নালী থেকে সর্দি–কাশী দূর করে। তুলসীর ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম নিঃসৃত হতে সাহায্য করে।

২। জ্বর ভালো করে

তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়া নাশক ক্ষমতা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়ার জ্বর পর্যন্ত ভালো করতে পারে তুলসী পাতা।

–      আধা লিটার জলে কিছু তুলসী পাতা ও এলাচ গুঁড়া  দিয়ে ফুটিয়ে নিন
–      এক্ষেত্রে তুলসী ও এলাচ গুঁড়ার অনুপাত হবে ১:০.৩
–      জ্বাল দিতে দিতে মিশ্রণটিকে অর্ধেক করে ফেলুন
–      মিশ্রণটির সাথে চিনি ও দুধ মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা পর পর পান করুন
–      এই মিশ্রণটি শিশুদের জন্য অনেক কার্যকরী।

বিভিন্ন প্রকার জ্বরে তুলসীপাতার রসের ব্যবহার অনেকটা শাস্ত্রীয় বিষয় হিসেবে পরিচিত। বিশেষত ঋতু পরিবর্তন হেতু যে জ্বর, ম্যালেরিয়া জ্বর এবং ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে সমাজে। এর জন্য কচি তুলসীপাতা চায়ের সাথে সেদ্ধ করে পান করলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ হয়ে থাকে।

*. একিউট জ্বরে তুলসীপাতার সেদ্ধ রসের সাথে এলাচিগুঁড়া এবং চিনি ও দুধ মিশিয়ে পান করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। গলক্ষতের জন্য তুলসীপাতা সেদ্ধ পানি পান করলে এবং গারগল করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

তুলসী পাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে ফুসফুসীয় সমস্যায়। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কাশি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে তুলসী পাতার রস, মধু ও আদা মিশিয়ে পান করলে উপশম পাওয়া যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে তুলসী পাতার রস, লবণ ও লবঙ্গ মিশিয়ে পান করলে ফল পাওয়া যায়। এ ধরনের রোগের ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতা আধা লিটার জলে সেদ্ধ করতে হয় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষন তা অর্ধেকে পরিণত হয়।

৩। ডায়াবেটিস নিরাময় করে

তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও এসেনশিয়াল অয়েল আছে যা ইউজেনল, মিথাইল ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য করে( বিটা সেল ইনসুলিন জমা রাখে ও নিঃসৃত করে)। যার ফলে ইনসুলিন এর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এতে ব্লাড সুগার কমে এবং ডায়াবেটিস ভালো হয়।

৪। কিডনি পাথর দূর করে

রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং  এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।

৫। ক্যান্সার নিরাময় করে


তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল ক্যান্সার এর বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।

৬। তুলসীপাতার রস শিশুদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষত শিশুদের ঠাণ্ডা লাগা, জ্বর হওয়া, কাশি লাগা, ডায়রিয়া ও বমির জন্য তুলসীপাতার রস ভালো কাজ করে। জলবসন্তের পুঁজ শুকাতেও তুলসীপাতা ব্যবহৃত হয়।

৭। মানসিক চাপ কমায়: মানসিক চাপে অ্যান্টিস্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক অবসাদ প্রশমনে এমনকি প্রতিরোধে তুলসী চমৎকার কাজ করে। কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অন্তত ১২টি তুলসীপাতা দিনে দু’বার নিয়মিত চিবাতে পারেন তাহলে সেই ব্যক্তি কখনো মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হবেন না বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। স্নায়ু শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী ফ্রি রেডিকলকে নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত অবসাদ এবং মানসিক চাপ অনুভূত হলে ১০ থেকে ১২টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন, উপকৃত হবেন।তুলসীর স্ট্রেস কমানোর ক্ষমতা আছে। সুস্থ মানুষও প্রতিদিন ১২ টি তুলসী পাতা চিবালে স্ট্রেস মুক্ত থাকতে পারবেন।

৮। মুখের ঘা দূর করতেঃ তুলসী পাতা মুখের আলসার ভালো করতে পারে। মুখের ঘা শুকাতেও তুলসীপাতা ভালো কাজ করে। মুখের ইনফেকশন দূর করতে তুলসীপাতা অতুলনীয়। প্রতিদিন কিছু পাতা (দিনে দুবার) নিয়মিত চিবালে মুখের সংক্রমণ রোধ করা যেতে পারে। চর্মরোগে তুলসীপাতার রস উপকারী। দাউদ এবং অন্যান্য চুলকানিতে তুলসীপাতার রস মালিশ করলে ফল পাওয়া যায়। ন্যাচার অ্যাথিতে শ্বেতীরোগের চিকিৎসায় তুলসীপাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

৯। মাথা ব্যথা ভালো করতে পারে।এর জন্য চন্দনের পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে।

১২। তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল কমায় ।

১৩। পোকায় কামড় দিলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে ব্যথা দূর হয়।

১৪। ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।

১৫। তুলসীর বীজ গায়ের চামড়াকে মসৃণ রাখে। বীজ সেবনে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে থাকে।

১৬। চোখের ক্ষতে এবং রাতকানা রোগে নিয়মিত তুলসীপাতার রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহারে ফল পাওয়া যায়। দাঁতের সুরক্ষায় তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। এ ছাড়া সরিষার তেলের সাথে তুলসীপাতার গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁত শক্ত থাকে। মুখের দুর্গন্ধ রোধে তুলসীপাতার মাজন ভালো ফল দিয়ে থাকে।

১৭। তুলসীর বীজ জলে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই জলে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়। এছাড়াও তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ।

১৮। মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

১৯। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

২০। ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷

২১। কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময় শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়, সেটাই নস্যি।

২২। তুলসি পাতার রসে লবন মিশিয়ে দাদে লাগালে উপশম হয়।

২৩। যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

২৪। সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।

২৫। ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷

২৬। তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

২৭। চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

২৮। শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

২৯। চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।

৩০। পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷ হাগু একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে!!! মানে পায়খানার ওই সমস্যাটা আর কি!

৩১। মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অনন্য। এতে রয়েছে জীবাণুনাশক ও সংক্রমণ শক


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


ঘৃতকুমারী || ঘৃতকুমারীর উপকারিতা

 


ঘৃতকুমারী

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ ওষধি গাছ। অ্যালোভেরা গাছের গোড়া থেকেই সবুজ রঙের পাতা হয় এবং পাতাগুলো পুরু ধরনের হয় যার দুই পাশেই করাতের মতো ছোট ছোট কাঁটা থাকে। পাতার ভেতরে স্বচ্ছ পিচ্ছিল ধরনের শাঁস থাকে যাকে অ্যালোভেরা জেল বলা হয়। এই গাছের পাতা থেকেই নতুন গাছ জন্মায়।

ভেষজ গুণ

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিএইজিং উপাদান যা ত্বকের সুরক্ষায় বিশেষ ভাবে কার্যকর। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত পান করলে দেহের ভেতর থেকে ত্বকের নানা সমস্যা যেমন ব্রন, ইনফেকশন এমনকী ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে ব্রন এবং ব্রনের দাগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

ত্বকের পাশাপাশি অ্যালোভেরা চুলের জন্যও বেশ ভালো একটি উপকারী উপাদান। প্রতি দিন মাত্র ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত চুলের নানা সমস্যা থেকে রেহাই দেবে। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধান করে অ্যালোভেরা। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি তেলের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।

অ্যালোভেরার রস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত দেহের সাদা রক্তকণিকা বাড়ায় যা রোগ প্রতিরোধে বিশেষভাবে কার্যকর।

অ্যালোভেরার রস রক্তের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে আমাদের দেহের শিরা উপশিরায় অক্সিজেন সম্বলিত রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায় এবং তা আমাদের হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

অনেকেই হজমের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য অ্যালোভেরার শরবত মহৌষধ হিসেবে কাজ করে থাকে। অ্যালোভেরার একটি বিশেষ গুণ হল এটি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়েরিয়াজনিত সমস্যার সমাধান করতে পারে। অ্যালোভেরা শুধুমাত্র হজম শক্তিই উন্নত করে না, এর পাশাপাশি পেটের নানা সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করতে সহায়তা করে।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Thursday, 27 October 2022

খুশকি মুক্ত চুল পাবেন কিভাবে ? || DANDROP || dandruff || dandrop solution || খুশকি || মাথায় খুশকি কেন হয় || খুশকি দূর করার উপায়

 


ক্রমাগত আপনার কালো পোশাকের উপর পড়ে থাকা সেই ছোট ছোট ফ্লেক্সগুলির দ্বারা আত্মবিশ্বাস এবং আত্মসম্মানে কম বোধ করছেন? ঠিক আছে, খুশকি এমন কিছু যা জনসমক্ষে আপনার আচরণকে আঘাত করতে পারে। খুশকিকে ডাক্তারিভাবে সেবোরিয়াও বলা হয় এবং এই অবস্থাটি আপনার মাথার ত্বককে দুর্বল করে তোলে প্রাথমিকভাবে চুল ব্রাশ করা, চাপ এবং শুষ্ক ত্বকের কারণে। তাহলে এখন প্রশ্ন হল কিভাবে আপনি এটা বন্ধ করবেন?

এখন যেহেতু আপনি খুশকির প্রাথমিক কারণ বুঝতে পেরেছেন, আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনি এই অবস্থার অবসান ঘটাতে পারেন। ঘরোয়া প্রতিকারগুলি খুশকির চিকিত্সার জন্য ভাল কাজ করতে পারে, যদি অবস্থা গুরুতর না হয়। যদি খুশকি গুরুতর হয়, তাহলে আপনাকে এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে এমন চিকিৎসা গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কখনও কখনও, আপনি যে শ্যাম্পুগুলি ব্যবহার করেন তা কোনও ভাল কাজ করে না এবং তখনই এই অবস্থার চিকিত্সার জন্য আপনাকে চিকিত্সার প্রয়োজন হবে।

খুশকির কারণঃ

আপনার মাথার ত্বকে ম্যালাসেজিয়া নামক এক ধরনের ছত্রাক বাড়তে শুরু করলে খুশকি হয়। যাইহোক, এর ফলে মাথার ত্বকের ক্ষতি হয় এবং মারাত্মক শুষ্কতা সৃষ্টি করে। আরেকটি ধরনের খুশকি আছে যেখানে আপনার মাথার ত্বকে বেশি তেল উৎপন্ন হতে শুরু করে এবং ফলস্বরূপ, খুশকি আপনার চুলে আঠালো এবং তৈলাক্ত বলে মনে হয়। এখানে খুশকির কিছু প্রধান কারণ রয়েছে।

অনিয়মিত ব্রাশিং এবং চুল ধোয়া।
অনবরত শ্যাম্পু ব্যবহার না করা
স্ট্রেস এবং যেকোনো ধরনের মানসিক অসুস্থতা
এখন যেহেতু আপনি খুশকির প্রাথমিক কারণগুলি জানেন, আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কোনও চিকিত্সা ছাড়াই এবং কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকার অনুসরণ করে এটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

খুশকি নিরাময়ের ঘরোয়া উপায়ঃ

এমন অনেক ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে যা আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন এবং এটি আপনাকে স্থায়ীভাবে খুশকি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে। যাইহোক, এই সমস্ত কিছু সম্পন্ন করার জন্য, আপনাকে কিছু উপাদান প্রস্তুত করতে হবে এবং উপযুক্ত পদ্ধতিতে সবগুলি মিশ্রিত করতে হবে। একবার এটি হয়ে গেলে, একটি নির্ধারিত উপায় রয়েছে যা আপনাকে এটি প্রয়োগ করতে হবে এবং এটি আপনাকে সেই ঘৃণ্য ফ্লেক্সগুলি থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করবে যা আপনার আত্মবিশ্বাসের স্তরকে কমিয়ে দেয়। এখানে ঘরোয়া প্রতিকারগুলির একটি তালিকা রয়েছে যা আপনাকে খুশকি থেকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করবে।

নারকেল তেল এবং লেবু:
নারকেল তেল এমন একটি জিনিস যা প্রত্যেকের ঠাকুরমা পরামর্শ দেন। এর অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য চুলকানি এবং শুষ্ক মাথার ত্বক থেকে একটি দুর্দান্ত উপশম দিতে পারে। নারকেল তেল এবং লেবুর রস সমান পরিমাণে একত্রিত করুন এবং আপনার মাথার ত্বকে মিশ্রণটি ম্যাসাজ করুন। এটি প্রায় 10-15 মিনিটের জন্য রাখুন এবং আপনার চুল ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনাকে কেবল খুশকি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে না বরং চুলের বৃদ্ধি এবং পুষ্টিও বাড়াবে। শীতকালে তেলটি আগে থেকে গরম করা নিশ্চিত করুন কারণ এটি ঠান্ডা তাপমাত্রায় সহজেই জমে যায়।

দই:
দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড খুশকি কমাতে সাহায্য করে এবং এতে থাকা প্রোটিন চুলের গোড়া থেকে মজবুত করে। এটি বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়ার একটি ভান্ডার এবং মাথার ত্বকের অংশের ফ্ল্যাকিং প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাজা দইয়ের একটি স্তর মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগান। এটি 10-15 মিনিটের জন্য বসতে দিন এবং হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। আপনি দইতে কালো মরিচ যোগ করার চেষ্টা করতে পারেন কারণ এটি ছত্রাক-বিরোধী বৈশিষ্ট্যে লোড হয়।

নিম:
ত্বকের সমস্যার জন্য নিম পাতার তৈরি তাজা ভুনা পেস্ট ব্যবহার পূর্বপুরুষের সময় থেকে শুরু করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যের কারণে, এটি খুশকি এবং চুলকানির জন্য একটি সহজ নিরাময়।
বিকল্পভাবে, আপনি কেবল কিছু তাজা নিম পাতা সিদ্ধ করতে পারেন, এটি ঠান্ডা হতে দিন এবং সেই জল দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

ঘৃতকুমারী:

 
সমস্ত ধরণের ত্বকের সমস্যার জন্য একটি প্যানেসিয়া, অ্যালোভেরা ত্বকের চকচকেতা এবং ত্বকের জ্বালা দূর করে, একটি প্রাকৃতিক কুল্যান্ট হিসাবে কাজ করে এবং আপনার মাথার ত্বককে চুলকানি মুক্ত এবং ঠান্ডা করে। অ্যালোভেরার কিছু ছত্রাকবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা পুনরাবৃত্ত খুশকির চিকিত্সা করতে সাহায্য করে এবং তাজা কোষের পুনর্জন্মের জন্য মৃত ত্বক পরিষ্কার করে।
আপনার মাথার ত্বকে অ্যালোভেরা জেল লাগান, প্রায় আধা ঘন্টা রেখে দিন এবং পরে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

আপেল সিডার ভিনেগার (ACV):

 
ACH একটি প্রাকৃতিক চুল পরিষ্কারকারী হিসাবে কাজ করে এবং ছিদ্র এবং চুলের ফলিকলগুলিকে বন্ধ করে দেয়। এর অ্যাসিডিক প্রকৃতি মাথার ত্বকের মৃত ত্বকের কোষগুলিকে অপসারণ করতে সাহায্য করে, ছত্রাকের বৃদ্ধি রোধ করে এবং আপনার মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে।
এক কাপ ঠান্ডা জলে 2 টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন এবং শ্যাম্পু করার পরে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি ধুয়ে ফেলার আগে দুই মিনিটের জন্য বসতে দিন। সেরা ফলাফল পেতে, এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

লবণ:
লবণ আপনার মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে পারে, এটি চুলকানি এবং খিটখিটে করে তোলে। তৈলাক্ত মাথার ত্বকও কপালে ব্রণের কারণ এবং তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়িতে খুশকির চিকিত্সা করা ভাল।
আপনার স্বাভাবিক শ্যাম্পুতে এক চিমটি লবণ যোগ করুন এবং আপনার চুলে লাগান। আপনার মাথার ত্বকে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন এবং এক্সফোলিয়েট করুন। এক বা দুই মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

গ্রিন টি:
সবুজ চায়ে প্রচুর অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করতে পারে। খুশকি নিরাময়ের জন্য আপনার যা দরকার তা হল আপনার মাথার ত্বকে কিছু ঠান্ডা গ্রিন টি প্রয়োগ করা এবং আপনি পার্থক্যটি দেখতে পারেন।

গ্রিন টি এর প্রস্তুতি:
খুশকি থেকে মুক্তি পেতে, এই সহজ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে গ্রিন টি ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রথমে আপনার উপাদানগুলির প্রধান অংশ হিসাবে 2টি সবুজ চা ব্যাগ এবং কিছু গরম জল প্রয়োজন।
তারপরে আপনাকে গ্রিন টি ব্যাগটি গরম জলে 20 মিনিটের জন্য রাখতে হবে যতক্ষণ না ক্বাথটি এতে দ্রবীভূত হয় এবং তারপরে এটিকে ঠান্ডা হতে দিন।
একবার এটি ঠান্ডা হয়ে গেলে, আপনি আপনার মাথার ত্বকে গ্রিন টি লাগাতে পারেন এবং 30 মিনিটের জন্য শুকাতে পারেন।
30 মিনিট পর আলতো করে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
দ্রষ্টব্য: সকালে গোসল করার সময় এটি অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি একটি সহজ উপায় যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই প্রাকৃতিকভাবে খুশকি নিরাময় করতে পারেন।

তুলসী পাতা:

 
তুলসী পাতা একটি প্রাকৃতিক উপায় যার মাধ্যমে আপনি খুশকি নিরাময় করতে পারেন। কারণ এই পাতাগুলিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনাকে ভারী খুশকি নিরাময় করতে পারে। এই পাতাগুলি আপনার মাথার ত্বককে শক্তিশালী হতে এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে।

তুলসী পাতা তৈরি:
খুশকি এবং চুল সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যা নিরাময়ের জন্য আপনি কীভাবে তুলসী পাতা তৈরি করেন তা এখানে রয়েছে।

প্রথমে আপনার কিছু তুলসী পাতা, 2 চা চামচ আমলা পাউডার এবং মাত্র 2 চা চামচ পানি লাগবে।
এই সমস্ত উপাদান একসাথে মিশ্রিত করুন এবং এটি একটি পরিষ্কার পেস্ট তৈরি করবে।
পেস্টটি তৈরি হয়ে গেলে, এটি আপনার মাথার ত্বকে আলতোভাবে প্রয়োগ করুন এবং 30 মিনিটের জন্য শুকাতে দিন।

30 মিনিট পর কিছু জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

দ্রষ্টব্য: আপনাকে প্রতিদিন এটি অনুসরণ করতে হবে এবং আপনি পার্থক্যটি দেখতে পাবেন। এটি করলে আপনার চুলের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং এটি চুল পড়া রোধেও সাহায্য করবে।