***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label TEA. Show all posts
Showing posts with label TEA. Show all posts

Tuesday, 25 October 2022

Cold and Cough: সর্দি-কাশি কমাতে তুলসী চায়ে চুমুক দেন? কাদের জন্য এই চা ক্ষতিকর হতে পারে

 


 বাজারে নানা রকম ভেষজ চা পাওয়া যায়। অনেকেই তা খেতেও ভালবাসেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, বাজারের ভেষজ চায়ের বদলে বাড়িতেই অমন স্বাদের চা বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। ভেষজ চায়ের মধ্যে অন্যতম তুলসী চা। সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা কমাতে তুলসী দারুণ কার্যকর। মধু ও তুলসী পাতা জ্বর, সর্দি-কাশির মহৌষধ বলা যেতে পারে। তবে এই চা বানানোর সঠিক পদ্ধতি না জানলে মুশকিলে পড়তে হতে পারে।

কী ভাবে বানাবেন তুলসী চা?

এক বাটি জলে এক মুঠো তুলসী পাতা ফুটতে দিন। টগবগ করে ফুটলে আঁচ কমিয়ে ১০ মিনিটে ফুটিয়ে নিন। এর পর এতে মেশান এক চামচ মধু আর দু’চামচ লেবুর রস। মধু শক্তি জোগায়, লেবুর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগবে। আর তুলসীর প্রভাবে জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ কম থাকবে। নিয়মিত খেলে প্রদাহের প্রবণতা কমবে, বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

শুকনো কাশির প্রকোপ কমাতে চাইলে এতে ধনে ও আদা মিশিয়ে নিন। প্রদাহ কমবে।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন, তুলসী চা সকলের জন্য উপকারী নয়। কারা খাবেন না এই চা?

১) অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নিয়মিত এই চা খাবেন না। কারণ, তুলসীতে আছে এস্ট্রাজল। তা জরায়ুর ক্ষতি করতে পারে।

২) ডায়াবিটিসের ওষুধ খেলে বা ইনস্যুলিন নিলে নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নেবেন। কারণ, তুলসী রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৩) রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ খেলেও সাবধান। কারণ তুলসীও রক্ত পাতলা করে। দু’টি একসঙ্গে খেলে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নিয়মিত অ্যাসিটামিনোফেন জাতীয় ব্যথার ওষুধ খেতে হয়, তাঁরা তুলসী খাওয়ার আগে দু’বার ভাববেন। কারণ, দুইয়ের মিলিত প্রভাবে লিভারের কিছু ক্ষতি হতে পারে।

 

 

Side Effects of Tea: দিন শুরু করছেন শুধু চা খেয়ে? কী বিপদ ডেকে আনছেন

 দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অধিকাংশেরই সকালে চা পানের অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু অনেকেই চা পান করে থাকেন খালি পেটে। সাম্প্রতিক কয়েকটি গবেষণা বলছে খালি পেটে চা পানের অভ্যাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। গরম বা শীতকাল বলে নয়— সব ঋতুতেই এই অভ্যাস ডেকে আনতে পারে নানা শারীরিক সমস্যা। চা খাওয়ার আগে ভারী কিছু না খেলেও অন্তত চায়ের সঙ্গে একটি বিস্কুট খেয়ে নেওয়া জরুরি। ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চায়ের কাপে চুমুক না দেওয়াই ভাল।

চায়ে ক্যাফিন নামক যৌগ আছে। খালি পেটে এই যৌগ পাকস্থলীতে প্রবেশ করলে অম্লের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে অনেক সময়ে আকস্মিক বমি বমি ভাব, বুক জ্বালার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। গ্যাসের সমস্যারও সূত্রপাত ঘটে। দীর্ঘ দিন ধরে খালি পেটে চা পানের অভ্যাস গ্যাসের সমস্যাকে আরও মারাত্মক করে তুলতে পারে।

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

চায়ে থিয়োলিন নামে আর এক যৌগ থাকে। এই যৌগ শরীরে জলের পরিমাণ হ্রাস করে। ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শরীরে জলের পরিমাণ এমনিই হ্রাস হয়। ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চা খেলে সেই পরিমাণ আরও কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে বৃক্কে। চা খাওয়ার আগে অল্প কিছু খাবার বা তিন-চারটি বিস্কুট খেয়ে নিলে এই থিয়োফিলিন নামক যৌগ কিছুটা হলেও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাতে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে কিছুটা জল খেয়ে নেওয়া জরুরি। কিছু ক্ষণ পর হালকা কোনও খাবার খেয়ে তার পর চায়ের কাপে চুমুক দিলে শরীর ও মেজাজ দু’টোই থাকবে ফুরফুরে।

 

Green Tea or Black Tea || লাল চা না গ্রিন টি? গরমকালে কোন-‘টি’ বেশি উপকারী

সময় মতো চা না পেলে মেজাজ বিগড়ে যায় বহু মানুষেরই। লাল চা তো ছিলই, এখন আবার চা-প্রেমীদের মধ্যে কদর বেড়েছে গ্রিন টি-র। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসচেতন বহু মানুষই দুধ চা ছেড়ে ঝুঁকছেন গ্রিন টি-র দিকে। কিন্তু গরমকালে কোন ধরনের চায়ে উপকার সবচেয়ে বেশি? 

 


গ্রিন টি: লাল চায়ের তুলনায় গ্রিন টি কম জারিত হয়। এই চা ক্যাটেকিন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ। এই উপাদানটি হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারের মতো বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, এই চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ থাকে বেশ কম। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপযোগী। দেহে অম্লত্বের পরিমাণ কমাতে, বিপাক হার বাড়াতে ও দেহ পরিশুদ্ধ করতে গ্রিন টি বেশ কার্যকর বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

 


লাল চা: গ্রিন টি-র তুলনায় লাল চায়ে ক্যাটেকিন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টটির পরিমাণ অপেক্ষাকৃত কম থাকে। কিন্তু অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এতে বেশ ভাল পরিমাণে থাকে। পাশাপাশি, দেহে জলের ঘাটতি পূরণ করতেও বেশ উপযোগী লাল চা।

সব মিলিয়ে দু’ধরনের চায়ের মধ্যেই রয়েছে হরেক রকম গুণ। পরিমিত পরিমাণে পান করলে দু’ধরনের চায়েই মিলতে পারে উপকার। কিন্তু সবার স্বাদ ও স্বাস্থ্য সমান নয়। তাই শরীর ও জিভের খেয়াল রেখে বেছে নিতে হবে যে কোনও এক রকমের চা।

 

লাল চা পানের উপকারিতা

 


হ্যালো বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন!

আমাদের প্রকৃতি আমাদের দরকারি সমস্ত সামগ্রীই এই প্রকৃতিতে সৃষ্টি করে রেখেছে কিন্তু আমরা অনেকেই সেই সব অতি মূল্যবান বস্তুগুলি সম্পর্কে সচেতন নয়।
চলুন আজ আমরা সেইরকম কিছু জিনিস সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করি।

লাল চা-এর উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না।
এই পানীয়টি নানাভাবে শরীরের গঠনে কাজে লাগে, যে সম্পর্কে জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

লাল চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে ক্লান্তি দূর করার পাশপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামে একটি উপাদান থাকে। এটি শরীরকে সার্বিকবাবে চাঙ্গা করতে দারুন কাজে দেয়। এখানেই শেষ নয়।

এই পানীয়র আরও কিছু উপকারিতা আছে।
যেমন-
১:) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে একদম ঠিক শুনেছেন। প্রতিদিন কয়েক কাপ লাল চা আপনাকে এই মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।

আসলে এই পানীয়তে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ সহ এমন কিছু উপাদান, যা লাং, প্রস্টেট, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

শুধু তাই নয়, লাল চা শরীরের যে কোনও অংশে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৃদ্ধি আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২:) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে নানাবিধ অসুস্থতার প্রকোপ থেকে বাঁচতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটা একান্ত প্রয়োজন।

আর এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে লাল চা। এখানেই শেষ নয়, এই পানীয়তে টেনিস নামে একটি উপাদান রয়েছে, যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে সহজে কোনও রোগ ছুঁতে পারে না।

৩:) মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে লাল চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকায় এই পানীয়টি মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস কমে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে এক মাস টানা যদি লাল চা খাওয়া যায়, তাহলে পারকিনস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

৪:) ওজন হ্রাস করে লাল চা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সুযোগই পায় না। তাই আপনি যদি ওজন কমাতে বদ্ধপরিকর হন, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই পানীয়।

৫:) হার্ট চাঙ্গা হয়ে ওঠে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে লাল চায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
আসলে এই পানীয়তে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমিয়ে দেয়। প্রসঙ্গত, স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমাতেও লাল চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬:) হাড়কে শক্তপোক্ত করে লাল চায়ে উপস্থিত ফাইটোকেমিকালস হাড়কে শক্ত করে। ফলে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৭:)  হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় প্রতিদিন লাল চা খেলে হজম ক্ষমতা ভাল হতে শুরু করে।
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশপাশি গ্য়াস্ট্রিক এবং নানা ধরনের ইন্টেস্টিনাল রোগ সরাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮:) স্ট্রেস কমায় লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে মনকে চনমনে করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।