***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label food and health. Show all posts
Showing posts with label food and health. Show all posts

Thursday, 17 November 2022

পেয়ারা || পেয়ারার ১০টি উপকারিতা



পেয়ারা আমাদের সকলের প্রিয় একটি ফল। স্বাদ, গন্ধ আর পুষ্টিগুণে পেয়ারার তুলনা হয়না। এটি প্রায়ই সব ঋতুতেই খুব কম দামে পাওয়া যায়। পেয়ারার পুষ্টিগুণ আমাদের অনেকেরই অজানা। অথচ এই পুষ্টিকর ফলটি যেমন আমাদের প্রতিদিনের খাবারের অংশ হতে পারে তেমনি আমাদের অনেক অসুখ বিসুখ থেকে বাঁচাতে পারে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব পেয়ারার ১০টি উপকারিতা, পুষ্টিগুণ, ঔষধিগুণ  সহ অতিরিক্ত এ ফলটি খেলে এর অপকারিতা কি এবং কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন সে সমবন্ধে।

পেয়ারার ১০টি উপকারিতাঃ

পেয়ারার ১০টি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা বর্ননা করা হলো।

১। ডায়রিয়া ভালো করেঃ পেয়ারার পাতা প্রাচীন কাল থেকেই ভেষজ ঔষধ হিসেবে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহার হয়ে আসছে। ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ৬ টি পেয়ারার পাতা নিয়ে তা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পাতার নির্যাস পান করুন দিনে দুইবার যতদিন না আপনি সুস্থ হন।

২। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ পেয়ারা একটা ভিটামিন সি সম্পুর্ন ফল এবং এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার আছে । আপনি নাস্তা বা হালকা খাবার হিসেবে তৈলাক্ত খাবার না খেয়ে পেয়ারা খেতে পারেন যা আপনার পেট ভরবে কিন্তু মেদ বৃদ্ধি করবে না।

৩। বয়সের ছাপ কমায়ঃ মানুষ যতই সুন্দর হোক না কেন বয়সের সাথে সাথে সবার চামড়াতেই বয়সের একটা ছাপ পড়ে। প্রকৃতির এই নিয়মকে কখনই ঠেকানো যায়না কিন্তু আমরা বয়সের এই ছাপ পড়াকে একটু আটকাতে পারি এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি যুক্ত ফল খেয়ে যা কিনা আমাদের ত্বকের পুনর্গঠনে ভুমিকা রাখে। পেয়ারায় প্রচুর প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং মুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কম।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ অনেক ফলে অনেক সুগার থাকে যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় কিন্তু পেয়ারা নিয়মিত খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের উপরে করা একটি রিসার্চে জানা গেছে।

৫। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ পেয়ারার ডায়েটারি ফাইবার আমাদের ব্লাড ভেসেল এবং আর্টারি পরিস্কার রাখে। এছাড়া পেয়ারা খেলে এটি আমাদের শরীরের সব অঙ্গে স্বাস্থ্যকর রক্ত প্রবাহে সাহায্য করে।

৬। হজমে সাহায্য করেঃ যাদের হজমে সমস্যা হয় তারা পরিমাণ ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা আপনার চামড়া থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

৭। মেটাবলিজম বাড়ায়ঃ সুস্থ থাকার জন্য ও এনার্জেটিক থাকার জন্য আমাদের একটি স্বাস্থ্যকর মেটাবলিক সিস্টেম থাকা উচিত। পেয়ারায় প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার ও এন্টি অক্সিদেন্ট আছে যা কঠিন প্রটিনকে ভেঙ্গে আমাদের শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। এটি আমাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি করে দেয়।

৮। থাইরয়েডের সমস্যা থেকে আমাদের দূরে রাখেঃ আগেই বলা হয়েছে পেয়ারা আমাদের শরীরের মেটাবলিক সিস্টেমের অনেক সাহায্য করে। আর একটা স্বাস্থ্যকর মেটাবলিক সিস্টেম আমাদের থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাস্থ্যের জন্যও দরকারি।

৯। ক্যান্সার রোধে সাহায্য করেঃ পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল ও এন্টি অক্সিডেন্ট আছে। এইসব উপাদান আমাদের শরীরে টিউমার ও ক্যান্সারের সেল হতে বাঁধা সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পেয়ারা খান তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার, নিয়মিত পেয়ারা খেলে উপকার পেতে পারেন। এটি যেমন আমাদের সিস্টেমকে পরিস্কার রাখে তেমনি শরীর থেকে ক্ষতিকর অনেক পদার্থ দূর করে আমাদের অনেক অসুখ বিসুখ থেকে দূরে রাখে।

১০। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে আমরা অসুখ বিসুখ ও ইনফেকশনে কতোটা সহজে আক্রান্ত হব। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা খুব সহজেই অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হয়। পেয়ারা নিয়মিত খেলে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি এবং এন্টি অক্সিডেন্ট আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আমাদের সহজে অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হওয়া থেকে দূরে রাখে।

পেয়ারার ঔষধিগুণঃ

পেয়ারার ভিটামিন সি এবং আয়রন সর্দি , কাশি এবং জ্বরে উপশমে সহায়তা করে।

পেয়ারা এর ভিটামিন বি৩ এবং বি৬ মস্তিস্কের জন্য উপকারী ।

পেয়ারাতে থাকা ভিটামিন-এ চোখের জ্যোতি বৃধি করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ করে মহিলাদের স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

পেয়ারার মধ্যে থাকা কপার থাইরয়েড জনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

পেয়ারার অপকারিতাঃ  যেকোন ভাল কিছুই আপনি যদি মাত্রাতিরিক্ত ব্যাবহার করেন বা গ্রহন করেন তবে তাঁর ফলাফল ভাল থাকেনা। তেমনই অধিক পেয়ারা খেলেও আপনাকে পরতে হবে কিছু সমস্যায় ।

পেট ফাপাঃ  পেয়ারা একটি উচ্চ ফ্রুক্টোজ সমৃধ ফল। আমাদের শরীর অধিক পরিমানে ফুক্ট্রোজ শোষণের জন্য উপুযোগী নয়। তাই অধিক পরিমাণে পেয়ারা খেলে এর খনিজ এই উপাদানটি আমাদের এবং সাথে কিছু ব্যাক্টেরিয়া মিলে পেটে গ্যাস উতপন্ন করে এবং পেট ফাপা অনুভূত হয়।

ডাইরিয়া এবং পেটের পীড়াঃ উচ্চ মাত্রার ফ্রুক্টজ হজম করতে না পারার কারনে অনেক সময় ডাইরিয়া এবং পেটব্যাথা হতে পারে। আর পেয়ার ভিতরের অংশে অনেক বীজ থাকে। এই অংশটি আমাদের পেটে কখনোই ঠিক মত হজম হয়না। তাই অধিক পেয়ারা খেলে পেট ব্যাথা এবং পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

সুগার বৃদ্ধিঃ অধিক পেয়ারা খেলে আপনার ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর পাশাপাশি এটিতে কোন প্রোটিন এবং ফ্যাট না থাকায় আপনি পেট ভরে পেয়ারা খেলেও একটু পর দেখবেন আপনার আবার ক্ষুধা পেয়ে যাচ্ছে। কারন শরীরে প্রোটিনের অভাব থেকেই যায়। তাই এভাবে প্রয়োজনের অধিক খাবার গ্রহন যাদের রক্তে সুগারের সমস্যা আছে তাদের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে।

ব্যাকটেরিয়াঃ অন্যান্য যে কোন ফলের মতো পেয়ারাতেও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রামণ হয়। বিশেষ করে যদি পেয়ারার চামড়া ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্থ থাকে তবে তাতে ব্যাক্টেরিয়ার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই পেয়ারা উপরের চামড়া ফেলে দিয়ে খাওয়া বযাক্টেরিয়ার উপদ্রব থেকে রেহাই দিতে পারে।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Wednesday, 16 November 2022

আম



আম আমাদের সবার পছন্দের একটা ফল। আম খেতে যেমন সুস্বাদু  তেমনি এর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। ভিটামিন , মিনারেল এবং এন্টি অক্সিডেন্ট সহ আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এবং প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানই আমের মধ্যে রয়েছে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আমের ১০ টি উপকারিতার কথা জানব।

 
১। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেছে আমের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট, কোলন ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া সহ বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২। কোলেস্ট্রেলরের মাত্রা কমায়ঃ আমে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পেক্টিন এবং ভিটামিন সি আছে। এইসব উপাদান শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩। ত্বক সুন্দর রাখেঃ আম খেলে বা ত্বকের উপর ব্যবহার, দুইটাই ত্বকের জন্য উপকারী। আম আমাদের ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলে দিয়ে ব্রণ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে।

৪। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করেঃ ভিটামিন এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। এক কাপ আমে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিনের এ এর চাহিদার ২৫% ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত আম খেলে এটি আমাদের রাতকাণা রোগ ও শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে।

৫। শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করেঃ আমে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।

৬। ডায়বেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ
 আমের পাতায় এমন উপাদান আছে যা আমাদের রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আমের পাতা সিদ্ধ করে, সারারাত সেই পানিতে পাতা ভিজিয়ে ভোর বেলা সেই পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। হজমে সাহায্য করেঃ
 আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা আমাদের হজমে সাহায্য করে।

৮। প্রচণ্ডে গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে আম খানঃ প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আমের জুস আমাদের শরীরকে প্রশান্ত অ ঠাণ্ডা করে। প্রচণ্ড গরমে আমাদের শরীর থেকে অধিক পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায় এবং টক্সিক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়। গরমের সময় আমের জুস শরীরের পানি শুন্যতা যেমিওন দূর করে তেমনি ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।

৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়ঃ আমে প্রচুর ভিটামিন সি, এ এবং প্রায় ২৫ রকমের ক্যারটিনয়েড আছে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আমাদের সাস্থবান বানায়।

১০। এজমা প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এজমা অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

সজনে


সজনে

সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল, তিনেরই উপকারিতা আছে।

সজনে ডাঁটা একটি মরসুমি ফল। আয়ুর্বেদে দু’ ধরনের সজনের উল্লেখ আছে -- লাল ও সবুজ সজনে। লাল সজনে এখন আর চোখে পড়ে না। সবুজ সজনে পাওয়া যায়। এখন বাণিজ্যিক ভাবে কেউ সজনে লাগায় না। চৈত্র মাসে মাত্র কিছু দিনের জন্য সজনে পাওয়া যায়। কারণ পরিকল্পিত ভাবে এ গাছ কেউ চাষ করে না। ডাল মাটিতে পুঁতে দিলে গাছ হয়। অথচ সজনের অনেক গুণ। সজনের পাতা, ফুল ও ছাল সবই উপকারী।

আয়ুর্বেদ মতে সজনে ক্ষুধা বাড়ায়, বলবীর্য বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে ক্ষার ও লবণ। সজনে পেটের অসুখে উপকারী এবং বাত ও শ্লেষ্মা সারে। গোদ ও গলগণ্ড হলে সজনে খেতে বলা হয়। সজনে চোখের জন্যও ভালো। পেটে গ্যাস উৎপন্নে বাধা দেয়। সজনে সব ধরনের ব্যথা, কাশি, নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়া বা রক্তপিত্ত সারায় ও শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে।

শরীরের কোনও জায়গা ফুলে গেলে বা কারও বাত হলে সজনে বেসনের সাথে খড়খড়ে করে রান্না করে খেলে উপকার হবে। সজনে পাতা সামান্য জল দিয়ে বেঁটে রস বের করে সকাল-বিকেল দু’ চামচ করে খাবেন। উচ্চ রক্তচাপ কমবে। সজনে পাতা বেঁটে টিউমারে লাগালে বসে যাবে। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক অবস্থায় সজনে বীজের তেল বেশ কিছু দিন লাগালে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সজনের মূলের ছাল পিষে দাদ পরিষ্কার করে প্রলেপ দিলে দাদ ভালো হয়। সজনে পাতার ঝোল খেলে সর্দিজ্বর ভালো হয়। সজনে পাতা শাকের মতো রান্না করে বা ঝোল রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে।

সজনে ফুল শাকের মতো রান্না করে খেলে জলবসন্ত হয় না। এ ছাড়া সজনেও বসন্ত প্রতিষেধক। চোখে যদি পিচুটি পড়ে, ব্যথা হয় বা চোখ দিয়ে জল পড়ে তা হলে সজনে পাতা সেদ্ধ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে সমস্যা চলে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ কি কি?

 


আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণ কি কি?

১. পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. গাছপাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে।

৩. সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৪. আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে।

৬. আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে।

৭. আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান পরিমাণে পর্যাপ্ত থাকায় পাকা আম হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।

৯. আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

১০. আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়।

১১. পাকা আম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১৩. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৪. আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে।

১৫. শুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে।

১৬. আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

অতএব বুঝতেই পারছেন আমের উপকারিতা অপরিসীম। আসছে আমের সিজন। অবশ্যই আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা আম খাবেন। তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত আম খেতে হবে। বাজারের ফরমালিন যুক্ত আমের উপকারিতা থেকে অপকারিতাই বেশি। এই বিষয়ে সাবধান হবেন।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Friday, 11 November 2022

খেঁজুড়ের উপকারী গুন || খেজুরের উপকারিতা || খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

 

প্রতিদিন সকালে ৩-৪ টে খেজুর খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত যারা কনস্টিপেশন বা কোনো ধরনের পেটের রোগে ভুগছেন তাদের জন্য তো এই ফলটি মহৌষধির কম নয়! এখানেই শেষ নয়, খেজুরের আরও অনেক উপকারিতা আছে, যেমন
একাধিক পেটের রোগের প্রকোপ কমায় :


প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনো ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে অন্দরে উপকারী  ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদহজম, কোলাইটিস ও হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।



হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া রোগকে দূরে রাখে :
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা নেয়।


অ্যালার্জির প্রকোপ কমায় :
 ২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে ‘এল ডি এল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।


ওজন বাড়ায় :
নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


সংক্রমণের আশঙ্কা হ্রাস :
খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

নিম গাছের ঔষধি গুন || নিম পাতার উপকারিতা

 


 নিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Azadirachta indica) একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কাণ্ডের ব্যাস ২০-৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই নিম গাছ পাওয়া যায়। এই গাছ প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় ১০ বছর। নিম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে ভালো হয়।


নিমের কিছু ব্যবহারিক উপকারিতা:

কফজনিত বুকের ব্যথা:

অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম জলে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এই ওষুধটি নিষিদ্ধ।

 


কৃমি:

পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুঁড়ো দিনে ৩ বার সামান্য গরম জল সহ খেতে হবে।

উকুন নাশ:


নিমের পাতা বেঁটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘণ্টা খানেক পরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এ ভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।

অজীর্ণ:

অনেক দিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

খোস পাঁচড়া:

নিম পাতা সিদ্ধ করে জল দিয়ে চান করলে খোস পাঁচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েক দিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

পোকামাকড়ের কামড়:

পোকামাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেঁটে ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

দাঁতের রোগ:

নিমের পাতা ও ছালের গুঁড়ো কিংবা নিমের ছাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত।

জন্ডিস:

বাচ্চাদের জন্য ৫-১১ ফোঁটা, বয়স্কদের জন্য ১ চামচ রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে প্রতি দিন সকালে।

ডায়াবেটিস রোগ:
৫টি গোলমরিচের সঙ্গে ১০টি নিম পাতা একত্রে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, 🙏🙏🙏🙏 খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


উচ্ছে || উচ্ছের উপকারিতা || উচ্ছে খাওয়ার উপকারিতা || bitter gourd

 


উচ্ছেকে বলা হয় সর্বরোগের মহৌষধ। প্রাচীনকাল থেকে এ অঞ্চলে উচ্ছে বা করলা খাওয়ার চল রয়েছে। উচ্ছেসেদ্ধ রক্তচাপ ও চর্বি কমায়। উচ্ছের তেতো রস কৃমিনাশক। দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে উচ্ছে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে উচ্ছে বা করলা। এবার জেনে নেওয়া যাক উচ্ছের আরও কিছু গুণাগুণ।

রক্তশূন্যতায় উচ্ছে

 
রক্তশূন্যতায় উত্তম পথ্য হিসেবে কাজ করে উচ্ছে। এটি শরীরের রক্ত বাড়ায়। উচ্ছে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় ও রক্ত পরিষ্কার করে।

লিভার ভালো রাখে
উচ্ছের রস লিভার পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। এই রস বিষাক্ত রক্তকে পরিষ্কার করে, রক্তের চলাচলকে সহজ করে ও গেঁটে বাতের ব্যথা উপশম করে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন এক গ্লাস করলার রস পান করলে লিভারের যে কোনো সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে
করলার বিশেষ উপাদানসমূহ রক্তকে দূষিত উপাদানমুক্ত রাখে। নিয়মিত করলার রস পানে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

চোখের যত্নে
উচ্ছেতে রয়েছে উচ্চমাত্রার বেটা-ক্যারোটিন। তাই চোখের যে কোনো সমস্যা সমাধানে ও চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে এই উচ্ছে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


ঘি এর উপকারিতা

 ঘি

 


গরম ভাতের সাথে এক চামচ ঘি হলে গ্রোগ্রাসে খেয়ে ফেলা যায় প্লেটের পর প্লেট ভাত। ঘি খেলে স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। তবে এই নতুন শহুরে প্রজন্মের কাছে ঘি অনেকটাই অচেনা। কেউ আবার মোটা হওয়ার ভয়ে ঘি খান না। কিন্তু আসল খবর হলো, অনেক ধরনের উপকারের পাশাপাশি ঘি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।


সাধারণত অন্যান্য সব তেলই ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে গরম করলে নষ্ট বা ক্ষতিকর হয়ে যায়। কিন্তু ঘি এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ঘিয়ের স্ফুটনাঙ্ক বেশি বলে অধিক তাপমাত্রায়ও ঘি ভালো থাকে। এবং এই কারণেই ঘি খুব সহজে নষ্ট হয় না। ১০০ বছর পর্যন্ত ঘি ভালো থাকার রেকর্ড রয়েছে।

ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এটা অনেকটা দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতোই। সাথে আছে সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ। ভিটামিন এ ও ই এবং পুষ্টিগুণ তো আছেই।

নতুন মায়েদের সাধারণত ঘি খেতে দেয়া হয়। এর কারণ ঘিয়ে আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ। যা দ্রুত ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

বেশির ভাগ অ্যাথলেটই দৌড় শুরুর আগে ঘি খেয়ে নেন। কারণ ঘিয়ে আছে মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শরীরে এনে দেয় বাড়তি শক্তি। এর ফলে ওজনও কমে।

ঘিয়ে থাকা বাটাইরিক অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঘি খেলে পেট থাকে ঠান্ডা। হজম শক্তি বাড়লে ক্ষুধা বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। এই বাটাইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে।

ঘি অতি প্রাচীন খাবার। বহুকাল আগে থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে।

 

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

ঘৃতকুমারী || ঘৃতকুমারীর উপকারিতা

 


ঘৃতকুমারী

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ ওষধি গাছ। অ্যালোভেরা গাছের গোড়া থেকেই সবুজ রঙের পাতা হয় এবং পাতাগুলো পুরু ধরনের হয় যার দুই পাশেই করাতের মতো ছোট ছোট কাঁটা থাকে। পাতার ভেতরে স্বচ্ছ পিচ্ছিল ধরনের শাঁস থাকে যাকে অ্যালোভেরা জেল বলা হয়। এই গাছের পাতা থেকেই নতুন গাছ জন্মায়।

ভেষজ গুণ

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিএইজিং উপাদান যা ত্বকের সুরক্ষায় বিশেষ ভাবে কার্যকর। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত পান করলে দেহের ভেতর থেকে ত্বকের নানা সমস্যা যেমন ব্রন, ইনফেকশন এমনকী ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে ব্রন এবং ব্রনের দাগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

ত্বকের পাশাপাশি অ্যালোভেরা চুলের জন্যও বেশ ভালো একটি উপকারী উপাদান। প্রতি দিন মাত্র ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত চুলের নানা সমস্যা থেকে রেহাই দেবে। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধান করে অ্যালোভেরা। এ ছাড়াও অ্যালোভেরার রস সরাসরি তেলের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন।

অ্যালোভেরার রস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতি দিন ১ গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত দেহের সাদা রক্তকণিকা বাড়ায় যা রোগ প্রতিরোধে বিশেষভাবে কার্যকর।

অ্যালোভেরার রস রক্তের সাথে মিশে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে আমাদের দেহের শিরা উপশিরায় অক্সিজেন সম্বলিত রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায় এবং তা আমাদের হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

অনেকেই হজমের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য অ্যালোভেরার শরবত মহৌষধ হিসেবে কাজ করে থাকে। অ্যালোভেরার একটি বিশেষ গুণ হল এটি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়েরিয়াজনিত সমস্যার সমাধান করতে পারে। অ্যালোভেরা শুধুমাত্র হজম শক্তিই উন্নত করে না, এর পাশাপাশি পেটের নানা সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করতে সহায়তা করে।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Thursday, 10 November 2022

পাকা কলার গুণাগুণ || পাকা কলার উপকারিতা || পাকা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

 


পাকা কলার গুণাগুণ আমরা সবাই কমবেশি জানলেও কাঁচা কলা সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি।কাঁচা কলা সবজি হিসেবেই পরিচিত। অনেকে আবার কাঁচকলা নামেও ডাকে। এটি সহজলভ্য একটি সবজি। বার মাসই কম বেশি বাজারে পাওয়া যায়। দাম কিন্তু একদমই কম নয়।

চিকিৎসকরাও অনেক সময় কাঁচা কলা খাবার উপদেশ দিয়ে থাকেন। কাঁচা কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি৬ ও ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফেট। এতে কার্বোহাইড্রেট কমপ্লেক্স স্টার্চ হিসেবে থাকে। কাঁচা কলার ভিটামিন বি-৬ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৪ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এই জন্য রোগীর পথ্য হিসেবে কাঁচা কলা বেশ পরিচিত।

জেনে নেই কাঁচা কলার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ :

ওজন হ্রাস করে: কাঁচা কলার ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় রাখুন কাঁচা কলা।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে: কাঁচা কলা আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

হজমে সাহায্য করে: কাঁচা কলা পেটের ভিতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তাছাড়া কাঁচা কলায় থাকা এনজাইম ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ইনফেকশন দূর করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। এই পটাশিয়াম হৃদরোগে উপকারী। তাই নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: কাঁচা কলা কোলন থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু এবং ইনফেকশন দূর করে কোলনকে সুস্থ রাখে।

এছাড়া কাঁচকলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস দেহের হাড় মজবুত এবং হাড় ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। শরীরের জন্য অতি উপকারি এই সবজিটি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে



শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে


রক্তাল্পতা :- গরুর দুধে আয়রন কম থাকায় এবং দুধের ক্যালসিয়াম ও ক্যাসিন আয়রন শোষণে বাধা দেওয়ায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের নিচের প্রায় সব শিশুই আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় ভোগে।

আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ :- গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের কম প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুর অন্ত্রে আণুবীক্ষণিক রক্তক্ষরণ হয়।

ডায়াবেটিস :- গরুর দুধে বোভাইন সেরাম এলবুমিন (বিএসএ) থাকে। তা শিশুর অপরিপক্ব অন্ত্রের ছিদ্র দিয়ে পরিপাক ছাড়াই সরাসরি রক্তে চলে যেতে পারে। রক্তে গেলে এই প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই প্রোটিনের গঠনের সঙ্গে শিশুর দেহে ইনসুলিন তৈরিকারী বিটা কোষের গাঠনিক প্রোটিন পি৬৯-এর মিল রয়েছে। ফলে অ্যান্টি-বিএসএ অ্যান্টিবডি বিটা কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে তাকে ধ্বংস করতে পারে। বিটা কোষ ধ্বংস হলে বড় হয়ে ওই শিশুই ইনসুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিসে ভুগতে পারে।

অ্যালার্জি :- গরুর দুধের প্রোটিন আকারে বড় হওয়ায় এবং ১ বছরের নিচের শিশুর পরিপাকতন্ত্রের অপরিপক্বতার কারণে এসব প্রোটিন অনেক সময় অ্যামাইনো এসিডে রূপান্তরিত না হয়ে ছোট-ছোট প্রোটিন অণুতে পরিণত হয়। এগুলো রক্তে গেলে ইমিউনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশনে বিভিন্ন অ্যালার্জির উপসর্গ তৈরি করে।

শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ :- ইমিউনোলজিক্যাল রি-অ্যাকশনের কারণে শিশুর শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হতে পারে। ফলে নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি-কাশি প্রায়ই লেগে থাকে, এমনকী হাঁপানিও হতে পারে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর শ্বাসতন্ত্রের অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১২০ গুণ বেশি।

পেটের অসুখ :- গরুর দুধের জটিল প্রোটিন হজম করতে না পারা ও অন্যান্য উপাদান, বিশেষত দুধের ল্যাকটোজের প্রতি সহনশীলতার অভাবে প্রায়ই পেটের অসুখ-বিসুখ যেমন- পেট ফাপা, ডায়রিয়া, বমি, বদহজম শিশুকে আক্রান্ত করে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর পেটের অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা প্রায় ৪০ গুণ বেশি।

হঠাৎ মৃত্যু :- গরুর দুধের ক্যাসিন প্রোটিন থেকে শিশুর পেটে বোভাইন বিটা ক্যাসোমরফিন-৫ তৈরি হতে পারে। রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গেলে শিশুর শ্বাস মাঝে-মাঝে আটকে যায়। এমনকী শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। ক্রিব রোগ বা হঠাৎ শিশু মৃত্যুর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ২ হাজার শিশুর একজন এভাবে মারা যায়।

জলশূন্যতার আশঙ্কা :- গরুর দুধের অতিরিক্ত প্রোটিন ও খনিজ পদার্থের কারণে এর ওপর নির্ভরশীল শিশুদের মূত্র তুলনামূলক বেশি ঘন হয়ে থাকে। তা অসমোটিক ডাই-ইউরোসিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব আকারে বের করে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি করে। এসব শিশু জ্বর ও ডায়রিয়ার সময় অন্য শিশুর তুলনায় অতি দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তা তার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

ফুলকপি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ || ফুলকপির পুষ্টিগুণ || cauliflower || cauliflower benefits

 


 ফুলকপি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি। ফুলকপিতে পানি থাকে ৮৫% , অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। কম ক্যালোরির এই সবজিতে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যালও থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই শীতের সবজি ফুলকপির আরও পুষ্টিগুণ ও চমৎকার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া পাকস্হলী, প্রোষ্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে ফুলকপি।

মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়:

ফুলকপি মস্তিষ্ক ভালো রাখে, ফুলকপিতে ভিটামিন বি রয়েছে যা মস্তিষ্কের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। গর্ভাবস্থায় এ সবজি একটি ভালো খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ফুলকপি নবজাতকের মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করতে কাজ করে।

ফুসফুসকে রক্ষা করে:

ফুলকপি ফুসফুস রক্ষায় সহায়তা করে। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, ভয়াবহ ফুসফুস রোগের জন্য যেসব কারণ দায়ী তা প্রতিরোধে ফুলকপি সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। ডায়াবেটিসের কারণে রক্তনালীর যে ক্ষতি হয় সবজিটি তা প্রতিরোধেও সহায়তা করে। এছাড়া ফুলকপি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে:

ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

প্রদাহ কমায়:

ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে:

শীতের সুস্বাদু সবজি ফুলকপির আরও একটি অন্যতম গুণের একটি হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা ফুলকপি খাবারের তালিকায় রাখতে দ্বিধা করবেন না।

চোখকে ভালো রাখে:

ফুলকপিতে ভিটামিন এ-এর পরিমাণ বেশি থাকায় চোখকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এমনকি দেহের কোথাও কেটে গেলে ফুলকপির কচি পাতার রস লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

হজমের উন্নতি ঘটায়:

ফুলকপি হজমে সাহায্য করে, ফাইবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হওয়ায় ফুলকপি হজমে সাহায্য করে। সবজিতে বিদ্যমান ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সুস্থ থাকতেও ভূমিকা রাখে।

বাড়তি ওজন কমাতে:

ফুলকপি শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে শরীরকে একটি সুন্দর গঠনে আনতে সাহায্য করে। যারা তাদের শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত ও ডায়েটকরার কথা ভাবছেন তারা নির্দ্বিধায় ডায়েট লিস্টে ফুলকপির নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

চুলকানি প্রতিরোধ করে:

ফুলকপি চুলকানি প্রতিরোধ করে, শীতকালে ঠাণ্ডায় ত্বকে লালচে হয়ে ফুলে যাওয়া এবং চুলকানি হতে পারে। সেক্ষেত্রে ফুলকপির কচি পাতা বেটে লাগালে চুলকানি ভালো হয়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

শাকের অনেক গুণ

 


শাকের অনেক গুণ, ভিন্ন ভিন্ন শাকের ভিন্ন ভিন্ন্ রকম। বৈদ্য শাস্ত্রে এক এক রকম শাকের এক এক রকম গুণ বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি শাক সুষনি থানকুনিকে রসায়ন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রসায়ন অর্থে শরীরে সপ্তধাতু – রস, রক্ত, মাংস, মেদ, মজ্জা্, অস্থি ও বীর্যের পোষক।

 

শাকে লবণ জাতীয় উপাদান ও ক্ষারজ পদার্থ(অ্যালকলি) বেশি পরিমাণে আছে। এগুলি হল ক্যালসিয়াম, সোডা ও ক্লোরিন প্রভৃতি। এ ছাড়া ও শাকে আছে প্রচুর ভিটামিন। কাজে কাজেই আমাদের রোজকার খাওয়ার সামান্য শাকান্ন বা শাক-ভাতের গুণ অশেষ।

 

বিভিন্ন শাকের নাম ও তার উপকারীতা দেওয়া হলো :

গিমে শাক :

জনডিস রোগে উপকারী, জ্বর, লিভারের অসুখ, পিত্ত ও কফ রোগ উপশম করে। এই শাক স্বাদে একটু তেতো। খেলে মুখের অরুচি সারে। বেগুন আলু দিয়ে চচ্চড়ি, বেসন বা ডাল বাটা দিয়ে এই শাকের বড়া খেতে ভাল লাগে।

ছোলার শাক :

রুচিকর, সহজে হজম হয় না, কফ ও বায়ু বৃদ্ধি করে, মল রোধ করে, পিত্ত ও দাঁতের রোগে উপকারী।

পাট পাতা :

কৃমি, কুষ্ঠ ও রক্তপিত্ত(নাক, মুখ থেকে রক্ত পড়া) নাশ করে। শুকনো পাতা যাতে নালিতা বা চলতি বাংলা নালতে বলা হয় বায়ু বৃদ্ধি করে কিন্তু জ্বর চর্মরোগ, কফ ও পিত্তের রোগ সারায়।

পুঁই শাক :

ঠাণ্ডা করে, স্নিগ্ধ করে, গুরুপাক, মল বহিষ্কার করে, মেদ বৃদ্ধি করে, খেয়ে হজম করলে মোটা হওয়া যায়, শরীরে আলস্য সৃষ্টি করে। এই শাক নালচে ভাব অর্থাৎ পিচ্ছিল। বল, পুষ্টি ও শুক্র বৃদ্ধি করে। খেলে ঘুম বেশি পায় নিদ্রাবর্ধক, বাতপিত্ত নাশ করে, শরীরের শ্লেষ্মা সৃষ্টি করে। পেটের অসুখ বা আমাশা হলে, শরীর ফুলে উঠলে বা শোথ রোগ হলে এবং বাত ব্যাধিতে পুঁই শাক খাওয়া উচিত নয়। পুঁই শাকের সঙ্গে তিল খাওয়া বা তিলের তেলে পুঁই শাক রান্না করা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।

মুলোর শাক :

মুলোর কচি পাতা বা কচি মুলোর শাক লঘুপাক অর্থাৎ সহজে হজম হয়। তেলে বা ঘিয়ে ভেজে মুলোর শাক খেলে শরীরের ত্রিদোষ অর্থাৎ বাত, পিত্ত ও কফের দোষ নাশ হয়। কিন্তু ভাল করে সেদ্ধ না করে খেলে কফ ও পিত্ত বাড়িয়ে দেবে।

লাল শাক :

এতে ক্ষারের লবণ গুণ আছে, খুব তাড়াতাড়ি হজম না হলেও খুব গুরুপাক ও নয় অর্থাৎ অল্প গুরুপাক, মল ও প্রস্রাব নিঃসারণ করে, কফ বৃদ্ধি করে।

সর্ষের শাক :

গুরুপাক, মল ও মূত্র বৃদ্ধি করে, শরীরের পক্ষে গরম, শরীরে প্রদাহ জন্মায়। অন্য শাকের চেয়ে এই শাকের গুণ কম। পঞ্জাবিদের ‘সরষোঁ কা সাগ’ ব সর্ষের শাক এবং সেই সঙ্গে মকাই কি রোটি (ভুট্রার আটার রুটি) খুবই প্রিয়।

সাঞ্চে :

কফ ও বাত কমিয়ে দেয়। অর্শ ও লিভারের রোগে উপকারী। এর স্বাদ মিষ্টি মিষ্টি। এই শাকের ভাজা ও তরকারি খুবই স্বাদযুক্ত। সাধারণত গ্রামাঞ্চলেই বেশি পাওয়া যায়।

মটর শাক :

গুরুপাক, মলকারক(খেলে মল বেশি হয়) বায়ুর প্রকোপ বৃদ্ধি করে। কফ ও পিত্ত নাশ করে।

বেতো শাক :

সহজে হজম হয়, খিদে বাড়ায়, হালকা অর্থাৎ লঘু, শুক্র ও মল বৃদ্ধি করে, মল নিষ্কাশন করে, লিভারের অসুখ রক্তপিত্ত নাক মুখ থেকে রক্ত পড়া, কৃমি, অর্শ, বাত, পিত্ত ও কফ অর্থাৎ ত্রিদো্ষ নাশ করে। বেতো শাককে হিন্দিতে বলা হয় ‘বাথুয়া’। টক দই বিট নুন, জিরে ভাজা, রাই, সর্ষের গুঁড়ো দিয়ে এই শাকের রায়তা খেতে অবাঙালিরা খুবই ভাল বাসেন।

হিঞ্চে শাক বা হেলেঞ্চা শাক :

পিত্ত নাশ করে। যাঁদের লিভারের দোষ আছে, যাঁদের হাত গা জ্বালা করে তারা প্রতিদিন সকালে এই শাক থেঁতো করে বা ছেঁচে রস করে খেলে উপকার পাবেন। হিঞ্চে শাকের রস শ্বেত চন্দনের ঘষে নিয়ে সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া বসন্ত রোগের প্রতিষেধক। এই শাকের স্বাদ তেতো। এই শাক শরীর ঠাণ্ডা রাখে, রক্ত পরিষ্কার করে। এই শাক সেদ্ধ করে সর্ষের তেল নুন দিয়ে মেখে ভাতে খেতে ভাল লাগে।


থানকুনি পাতা :


থানকুনি পাতাকে আয়ুর্বেদে রসায়ন বলা হয় কারণ এতে আছে শরীরের সপ্ত ধাতুর রস, রক্ত, মজ্জা্, মাংস, অস্থি ও বীর্যে পুষ্টির গুণ।  শীতল লঘুপাক সহজে হজম হয়, সারক মল নিঃসারণ করে, নিয়মিত খেলে দীর্ঘজীবন লাভ করা যায়। কাশি, অর্শ, লিভারের অসুখ, প্রস্রাবের অসুখ, গোদ, গলগণ্ড, জনডিস, কৃমি ও যোনির রোগে উপকারী। এই পাতার প্রলেপ লাগালে কুষ্ঠ, যৌনব্যাধি, নালী ঘা ও চর্মরোগ সারে।

পেটের অসুখে ও আমাশায় থানকুনি পাতার রস ও থানকুনি পাতার ঝোল খাওয়ার বিধান তো সকলেরই জানা আছে।

 
সুষনি শাক :

সুষনি শাককেও আয়ুর্বেদে রসায়ন বলা হয়েছে। কারণ এই শাকেও আছে শরীরের সপ্তধাতুর পুষ্টির গুণ। এই শাককে আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে নিদ্রাজনক, খেলে ভাল ঘুম হয়, অর্থাৎ অনিদ্রায় উপকার দেয়, অগ্নিদীপক অর্থাৎ খিদে বাড়ায়, মেধা বাড়ায় মেধাজনক। ‘রসায়ন’ তো আগেই বলা হয়েছে।

এই শাক খেতে মিষ্টি। এই শাক ভাজা নিয়মিত খেলে মাথাও ঠাণ্ডা থাকে, রাতে ঘুম ও ভাল হয়। সুষনি শাকের আছে আর ও অনেক অসুখ সারা বার ক্ষমতা।

১। যাঁরা হাঁপানিতে কষ্ট পাচ্ছেন তাঁরা পাঁচ চা চামচ সুষনি শাকের রস গরম করে সন্ধেবেলায় খেলে রোগের প্রকোপ কমবে।

২। যে সব ছেলে-মেয়ে লেখা পড়ায় একটু পিছিয়ে আছে যারা পড়া ঠিক মনে রাখতে পারে না অর্থাৎ সাদা বাংলায় যাদের বলা হয় মাথা মোটা তাদের চার মাস ধরে নিয়মিত ভাতের সঙ্গে সুষনি শাক সিদ্ধ খাওয়ালে মেধা বাড়বে এবং পড়াশোনায় আর পিছিয়ে থাকবে না।

৩। ঘুম না হলে এই শাকের কার্যকারিতার কথা সকলেরই জানা। এই শাক খেলে ঘুম আসে বলে গ্রামাঞ্চলে অনেকে একে ঘুম শাকও বলেন। যদি কোনো রকমের দুশ্চিন্তার জন্যে বা অন্য কেনো শারীরিক বা মানসিক কারণে রাত্তিরে ঘুম ঠিক মতো না হয় তিন-চার চা চামচ সুষনি শাক বেশ খানিকটা জলে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ফুটে ফুটে যখন চার টেবিল চামচ মতো জল বাকি থেকে যাবে সেই জলটা ছেঁকে নিয়ে অল্প দুধ মিশিয়ে রোজ সন্ধেবেলা নিয়মিত খেলেই ঘুম আসবে।


কলাই শাক :

লঘু পাক অর্থাৎ হজম হয় তাড়াতাড়ি, মলকারক মল নিষ্কাশন করে, ত্রিদোষ অর্থাৎ বাত, কফ, পিত্ত নাশক।

 
আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

কাচা ছোলার উপকারিতা || কাঁচা ছোলা || সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা || কাচা ছোলার উপকারিতা ও অপকারিতা

 কাচা ছোলার উপকারিতা


কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার।জেনে নিন….

* ছোলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরে শক্তির যোগান দেয়।

* ছোলা খাদ্যনালীতে ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমায়।

* ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

* ছোলা খাওয়ার পর বেশ অল্প সময়েই হজম হয়। ছোলার আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

* ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

* ছোলার শর্করা গ্লুকোজ হয়ে দ্রুত রক্তে যায় না। তাই ডায়াবেটিকস রোগীর জন্য ছোলা খুবই উপকারী খাবার।

* ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে। এই খাদ্য আঁশ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

* ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

* কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।



যৌন শক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া উপায় || যৌন শক্তি বৃদ্ধির উপায়

 


ছেলেদের যৌন শক্তি কমে যাওয়ার একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমানে। যৌন শক্তি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক গুলো কারণ রয়েছে। কিছু খারাপ অভ্যাস এবং খাদ্যাভাস যৌন শক্তির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। 

ছেলেদের বয়ঃসন্ধির সময় থেকেই সতর্ক না থাকলে কিংবা বিবাহীত জীবনে এসে নানা রকম সমস্যায় পরতে হয়। অনেক ছেলে আছে ছোট বেলায় থেকে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে নিজের যৌন জীবনের মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলেন। আস্তে আস্তে এক সময় ধ্বজভংয় রোগে আক্রান্ত হয়।

 আপনার হারানোর যৌবন ফিরিয়ে পাওয়া কিছু সহজ উপায় দেওয়া হল।


যৌন শক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া উপায়



kokohealthytip.com

মধু -

মধু খেতে যেমন সুস্বাদু তোমনি এর গুণাগুণ রয়েছে হাজর গুণ। যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে মধুর ভূমিকা অতুলনীয়। যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে প্রতি দিন ১ গ্লাস হালকা কুসুম কুসুম গরম পানিতে ১ চামুচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন। নিয়মিত কিছুদিন একটানা পান করলে, দেখবেন আপনার যৌন শক্তি আগের থেকে দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। 

kokohealthytip.com

বাদাম -

ছোট বড় সবাই বাদাম খেতে পছন্দ করে। বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল তা দেহের যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং বীর্য ঘন হতে অনেক সাহায্য করে থাকে। বাদাম তো অনেক প্রকার, যে সব বাদাম খেলে আপনার হারানো যৌবন ফিরে পাবেন। ১) কাঠ বাদাম ২) চিনা বাদাম ৩) কাজু বাদাম ৪) পেস্তা বাদাম।

দুধ -

যৌবন সারাজীবন ধরে রাখতে দুধের কোন বিকল্প নাই। প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধের সাথে ৪/৫টি খেজুর নিন। খেজুরের বিচি গুলো ছাড়িয়ে নিয়ে ২০/২৫ মিনিট গরম দুধের সাথে ভিজিয়ে রাখুন। রাইতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মিশ্রণটি খাবেন। একটানা ১৪ দিন খেলে দেখবেন আপনার যৌন শক্তি দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।


পালং শাক -

যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে পালং শাক খেতে পারেন। প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে পালং শাকে। শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে ম্যাগনেসিয়াম। শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। তাই আমরা প্রতিদিন খাওয়ার টেবিলে শাক-সবজি রাখার চেষ্টা কর। সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শাক সবজী।

kokohealthytip

গরুর মাংস -

গরুর মাংসোর কথা শুনলে তো জিবে পানি চলে আসে। সবাই গরুর মাংস পছন্দ করে প্রায়। গরুর মাংসে প্রচুর পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। যৌন জীবনকে আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। সুতরাং এগুলো আপনার খেতে পারেন। 

গাজর -

প্রাকৃতিক উপায়ে যৌন শক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদিন গাজর খান। প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার ফলে এটি শুক্রাণুর পরিমাণ বৃদ্ধি করে শুধু তাই না। প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রাকে বজায় রাখতে সাহায্য করে। যৌন জীবন সুন্দর রাখতে নিয়মিত গাজর খাওয়ার অভ্যাস করুন।


তরমুজ -

তরমুজ একটি ম্যাজিক পানিও যা খেলে সতেজ থাকে শরীর। প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা বলা হয়ে থাকে তরমুজকে। এক গবেষণায় বলা হয়েছে তরমুজে রয়েছে এমন কিছু বিশেষ উপাদান যা দেহের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত তরমুজ খেতে পারেন।

kokohealthytip

এলাচ -

রোমান্টিক মশলা বলা হয় এলাচকে। কারণ এতে রয়েছে অ্যাফ্রোডিসিয়াক বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। চা এবং কফি হিসেবে এলাচ খাওয়া পুরুষত্বহীনতা দূর করতে সাহায্য করে।

kokohealthytip

ঝিনুক -

যৌবন ধরে রাখতে যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খুবই উপকারী খাদ্য। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও জিঙ্ক যা শুক্রাণুর সংখ্যাকে বৃদ্ধি করে থাকে এবং যৌন-ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ। সুতরাং আপনার ঝিনুক খেতে পারেন।






Thursday, 27 October 2022

শিশুদের ডায়েট চার্ট || baby diet chart || 6 month baby diet chart

 

সদ্য খেতে শিখেছে আপনার খুদে? দেখে নিন কেমন হবে তার খাদ্যতালিকা

সদ্য খেতে শিখেছে একরত্তি। দুধ ছেড়ে একটু একটু অন্য খাবারেরও স্বাদ পেতে শুরু করেছে। কিন্তু খুদের মা পড়েছে সমস্যায়। কী খাওয়াবে কিছুই বুঝতে পারছে না। খাবারে নুন, চিনি নেই সবই ঘেঁটেঘুঁটে খাওয়ানো। বাচ্চাও কিন্তু স্বাদ বোঝে, মাঝে মাঝে স্বাদবদলও পছন্দ করে। নাই বা খেল বিরিয়ানি রোল। কিন্তু একঘেঁয়ে খাবার খেতে ওদেরও ভালো লাগে না। আর তাই ৬ মাস বয়সের পর যখন খাওয়া শুরু করে তখন সহজপাচ্য কিছু বানিয়ে দিন। এমনকী বুকের দুধও সেই তালিকাতে রাখবেন। আর বাচ্চাকেও কিন্তু ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এসব আলাদা করে খাওয়াবেন। আপনার বাচ্চার বয়স যদি হয় ৬-৮ মাস তাহলে দেখে নিন কখন কী খাওয়াবেন 

ঘুম থেকে উঠে
বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ

জল খাবার
গাজর-বিটের স্যুপ/ আপেল সেদ্ধ করে/ ডালের জল/ চটকে মাখা কলা/ কুমড়ো আলুর সেদ্ধ/ রাঙা আলুর সেদ্ধ/ কুমড়োর সেদ্ধ/ চিকেন স্যুপ, সুজির ক্ষীর।

প্রপ্রাতঃরাশে শিশুকে একটি আপেল খাওয়াতে পারেন। মধ্যাহ্নভোজে কোনও একটি সবজির ভর্তা বানিয়ে ঘি বা মাখনে সামান্য ভেজে তাদের খাওয়ান। রাতের খাবারে দালিয়া বা খিচুড়ি খাওয়াতে পারেন। আলু, লাল আলু, গাজর, লাউ, বীটের মতো সবজি বাচ্চাদের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন।

দুপুরের খাওয়া
ডাল-সব্জি দিয়ে খিচুড়ি/ চারাপোনার পাতলা ঝোল দিয়ে ভাত/ সবজি, মুসুরের ডাল, ডিমের কুসুম চটকে মাখা/ ঘি দিয়ে ভাত চটকে মাখা, বাড়িতে পাতা দই খুব অল্প/ পালংশাক ও মুসুরি ডালের স্যুপ/ আলু, ডিমের কুসুম, ভাত অল্প ঘি দিয়ে চটকে মাখা/ সবরকম সবজি সেদ্ধ, অল্প মাছ ও ডিমের কুসুম চটকে মাখা।


বিকেলে
মুড়ি, বাদাম আর ছাতু একসঙ্গে গুঁড়ো করে জল দিয়ে খাওয়ান। সেই সঙ্গে গাজরের ক্ষীরের উপর ড্রাই ফ্রুটসের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন।

রাতে
সুজির হালুয়া, উপমা কিংবা সেরেল্যাক।
ঘুমনোর আগে
বুকের দুধ।
যা খাওয়াবেন না

মধু- ১ বছর বয়স না হলে মধু খাওয়াবেন না। এতে বাচ্চার ডিহাইড্রেশন, নিউমোনিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।   

গরুর দুধ- ১বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত গরুর দুধ নয়। কারণ বাচ্চাদের নানা রকম অ্যালার্জি থাকে। দুধ বাচ্চারা হজম করতে পারে না। সেখান থেকে নানা সমস্যা আসতেই পারে। তাই প্রথম জন্মদিনের পর দুধ খাওয়াবেন। 

 ১ বছর পর্যন্ত কোনও ড্রাই ফ্রুট দেবেন না বাচ্চাদের। ১ বছর পর ড্রাই ফ্রুট বেটে, দুধে মিশিয়ে দিন। বাচ্চারা সহজে এটি হজম করতে পারবে।
ফলের রস- ১৪ মাস বয়স পর্যন্ত ফলের রস নয়। শুধুমাত্র আপেল সেদ্ধ করে খাওয়াতে পারেন। ফলের রসের যা পুষ্টিগুণ তার থেকে অনেক বেশি পুষ্টি রয়েছে মায়ের দুধে। একবছর পর চলতে পারে আঙুরের জুস।
রুটি পাঁউরুটি নয়- রুটি, পাস্তা, পাঁউরুটি এসব কিন্তু একদমই নয়য। একবছর বয়স হলে রুটি চলতে পারে। কিন্তু পাঁউরুটি নয়। আটা বা ময়দা বাচ্চারা হজম করতে পারে না।
মাংস নয়- অন্তত দুবছর বয়স পর্যন্ত মাংস নয়। পনিরও দেবেন না। শুধু ছোট মাছ খাওয়াবেন। যেমন মাগুর, ল্যাঠা বা চ্যাং মাছ। অন্য কোনও মাছ নয়। এমনকী কোনও বড় মাছও চলবে না। এছাড়াও বাচ্চা যদি ডিম খেতে না চায় জোর করে দেবেন না। একবছর মাছ, মাংস, ডিম না খেলে কোনও অসুবিধে হবে না।


 



 

Wednesday, 26 October 2022

শীতকালে অবশ্যই খাওয়ার মতন ফল ও সবজি

 


ছয় ঋতুর দেশ আমাদের এই দেশ। শীতকাল মানেই এক অন্য অনুভূতি। বছরের প্রায় সবসময় কম বেশি শাক-সবজি ও ফলমূল হয়ে থাকে। তবে ষড়ঋতুর আবর্তে বাংলাদেশে শীতকালই শাক-সবজি ও ফলমূলের জন্য উপযুক্ত সময়। বাহারি শাক-সবজিতে সমৃদ্ধ শীতকাল মাছে-ভাতে বাঙালি পরিচয়টিকে যেন আরও পাকাপাকি করে তোলে একটি পরিপূর্ণ আহারের মাধ্যমে। শীতকালে এসব মৌসুমি শাক-সবজি বা ফল গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই শরীরের চাহিদা মোতাবেক পুষ্টি উপাদান, বিশেষ করে ভিটামিন ও মিনারেলসের চাহিদা পূরণ সম্ভব। খাদ্যের উপাদানের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেলসের অন্যতম উৎস হল শাক-সবজি ও ফলমূল। মূলত ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে এবং আমাদের শরীরকে খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বির ব্যবহারে সাহায্য করে। অর্থাৎ আমাদের শরীর রক্ষায় শাক-সবজি ও ফলমূলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

জানাবো ৫টি শীতকালীন সবজির পুষ্টিগুণ ও তাদের উপকারিতা সম্পর্কে-


শিশুদের অপুষ্টি দূর করে মটরশুটি
মটরশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি; প্রতি ১০০ গ্রামে পাওয়া যায় ১২৫ কিলোক্যালরি। উদ্ভিজ আমিষের বড় ভাণ্ডার হল শিম। শিমে আমিষ ছাড়াও স্নেহ ও ফাইবারজাতীয় খাবার অংশ থাকে। শিমের আঁশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর করে। রক্তে কোলেস্টরোলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করে পাকস্থলী ও প্লিহার শক্তি বাড়ায়। লিউকোরিয়াসহ মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে, শিশুদের অপুষ্টি দূর করে এবং পুষ্টি প্রদান করে থাকে।


শীতকালীন বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ফুলকপি
ফুলকপিতে আছে ভিটামিন এ, বি, ও সি। এছাড়াও আছে আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার। গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশু এবং যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করে তাদের জন্য ফুলকপি বেশ উপকারী একটা সবজি। ফুলকপি পাকস্থলির ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি প্রতিরোধ করে। ফুলকপিতে বিদ্যমান ‘সালফোরাফোন’ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই সবজিতে খুব ভালো পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের নানা সমস্যা দূর করে। এই খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর।


দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে গাজর
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি।তরকারি বা সালাদ হিসেবে এই সবজি খাওয়া যায়।গাজরের পুষ্টির উপাদান গুলি হলো — ক্যালোরি ৩০ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ২ গ্রাম, চিনি ৫ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৭ গ্রাম, সোডিয়াম ৬০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ২৫০মিলিগ্রাম। এছাড়াও ক্যালসিয়াম দৈনিক চাহিদার ২শতাংশ, আয়রন ২শতাংশ, ভিটামিন এ ১১০ শতাংশ, ভিটামিন সি ১০ শতাংশ ঘাটতি পূরণ করে। গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। গাজরের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের মরা কোষ দূর হয় ও ত্বক উজ্জ্বল হয়।


ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর টমেটো
টমেটো প্রচুর উপকারী একটি সবজি।এর প্রচুরঔষধই গুনও রয়েছে।এর পুষ্টি তালিকা এমন- প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে ০.৯ গ্রাম আমিষ, ৩.৬ গ্রাম শর্করা, ০.৮ মি. গ্রাম আঁশ, ০.২ মি. গ্রাম চর্বি, ২০ কিলোক্যালরি শক্তি, ৪৮ মি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২০ মি. গ্রাম ফসফরাস, ০.৬৪ মি. গ্রাম লৌহ, ৩৫১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ২৭ মি. গ্রাম ভিটামিন ‘সি’। টমেটোর লাইকোপেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর। নিয়মিত টমেটো খেলে পাকস্থলী ও অন্ত্র সুস্থ ও সবল থাকে। টমেটো মূত্রথলির অম্লতাকে নিরপেক্ষ রাখতে সাহায্য করে। ফলে মূত্রাশয়ের সংক্রমণ ও পাথর তৈরি হয় না।


কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ব্রোকলি
ব্রোকলি বা সবুজ ফুলকপি একটি কপি জাতীয় সবজি। শীতকালীন সবজির হিসেবে ব্রোকলি বর্তমানে আমাদের দেশে চাষ করা হচ্ছে। ব্রোকলিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। ব্রোকলি অত্যন্ত উপাদেয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি সবজি। এটি চোখের রোগ, রাতকানা, অস্থি বিকৃতি প্রভৃতির উপসর্গ দূর করে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।