***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label Depression. Show all posts
Showing posts with label Depression. Show all posts

Tuesday, 25 October 2022

হতাশা থেকে মুক্তির সহজ উপায় || Hotasha theke muktir upay

 


 হতাশা আমাদের জীবনে এক অতি সাধারণ ঘটনা, কিন্তু কি এই হতাশা এই হতাশা কোথাথেকে আসে!

আসলে হতাশা কি?
কোনো কিছুর পরিবর্তন না করতে পারা অথবা কোনো অপূর্ণ রয়ে যাওয়া ইচ্ছা থেকে আমাদের মনে বিষন্নতা, ক্ষোভ এর সৃষ্টি হওয়াকে হতাশা নাম দেওয়া হয়েছে।

আমরা অনেক কারনেই হতাশার সম্মুখীন হই। এটা হতে পারে পড়াশোনা নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে, পারিবারিক ভাবে, ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে, প্রেম ঘটিত ব্যাপারে ইত্যাদি। আপনার হতাশ হওয়ার পেছনে অনেক জটিল কারণ থাকতে  কিন্তু হতাশা ঘিরে ধরা মানেই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া নয়।

এখন পর্যন্ত যত মানুষ জয়ী হয়েছেন, তার অধিকাংশ মানুষই হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। হতাশাগ্রস্ত থেকে উত্তরণের চেষ্টায়ই আজ তারা জয়ী।

পরিস্থিতিভেদে হয়তোবা হতাশার পরিমাণ কম-বেশী হতে পারে তবে হতাশা যে আমাদের সকলের মধ্যেই আছে সেটাও সত্য।
হতাশ হওয়ার কারনগুলোকে খুজে বের করতে হবে আর একবার যদি আমরা এর যথাযথ উৎপত্তিস্থল বের করতে পারি তাহলে হতাশা থেকে বের হয়ে নিজেকে সঠিক পথে নিয়ে আসাটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

১। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিনঃ

ব্যর্থতা মানসিকতাকে এমন জায়গায় নিয়ে আসে যখন মানুষ ভাবতে শুরু করে তার মধ্যে কমতি আছে। আমরা যখন আমাদের কাজে একের পর এক ব্যর্থতার শিকার হতে থাকি তখন অবচেতনভাবেই হতাশা, অবসাদে মন ছেয়ে যায়। তাই কোনো কিছু করতে গিয়ে না পারলে সেটাকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখলে চলবে না। এবং সেই ব্যার্থতার মধ্যে থাকা সফলতাকে খুঁজে পেতে হবে।

এইভাবে নিজের দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করতে পারলে বাঁধাবিপত্তি গুলোকে সুযোগে পরিণত করা যায়। ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে হতাশা থেকে উত্তরণ পেতে ইচ্ছাশক্তির জোর অবশ্যই থাকতে হবে, আর এভাবে তখনই ভাবতে পারবেন যখন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে না ভেবে মাত্রই শুরু করলেন এভাবে ভাবতে পারবেন।

২। অন্যের সাথে তুলনা করা বন্ধ করুনঃ

আমরা এখন একটি প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে বসবাস করছি, যদিও বিষয়টি নতুননা, কিন্তু তারপরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উত্থান এর পর এই প্রতিযোগীতা  এমন ভাবে বেড়েছে, যেন আমরা আগুনে ঘি ঢেলেছি।বিশ বছর আগে আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের সদ্য কেনা গাড়ি অথবা অন্য কোনকিছুর সাথে নিজেদের কাছে থাকা জিনিষের তুলনা করতাম। আর এখন আমরা তুলনা করি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা সেলিব্রেটিদের সাথে অথবা পুরোনো বন্ধু বা কোনো অপরিচিত ব্যক্তির সাথে।
 কিন্তু যখন আপনি কারনে অকারণে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনলাইন হওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন আপনি অনেক বেশি ভালো বোধ করবেন এবং আপনার অকারন হতাশ থেকেও মুক্তি পাবেন।

৩। বাঁধা-ধরা নিয়ম থেকে বের হয়ে আসুনঃ

আমরা প্রত্যেকেই এই সমস্যাটির সাথে পরিচিত, কিন্তু একদম নিখুতভাবে বের করা খুব কষ্ট যে এই বাঁধা-ধরা নিয়মে চলার ফলে আমাদের হতাশা কোথা থেকে আসছে?

আপনি কি ধরণের জীবন-যাপন করবেন সেটা কোন ব্যপার নয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই-ই একই ধরণের কাজ দিনের পর দিন করতে করতে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ি। আপনি আপনার জীবন নিয়ে স্বভাবতই সুখী হতে পারেন, কিন্তু তারপরেও আপনি কিন্তু একটি জালে আটকা রয়েছেন। আপনি একই গতিতে চলতে চলতে একটি নিয়মে আটকা পড়ে আছেন।

নিত্যদিনের কর্মসূচি আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঠিক-ই কিন্তু দিনশেষে আমাদেরকে ধীর আর মনের স্ফুর্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। এর মানে এই না যে, আপনি আপনার কাজ ছেড়ে দিবেন, আপনার পরিবার পরিজন ছেড়ে দূরে কোথাও গিয়ে বসবাস করবেন। এরকম চিন্তা করলে হতাশা তো ছাড়বেইনা আরো বেশি আকারে বেড়ে যাবে। তাই এমন কিছু করার চেষ্টা করুন যা আপনি সব সময় করতে চেয়েছেন যা আপনি পারেন নি আগে, কারন কথায় আছে- আপনিই পারবেন!

৪। ক্ষমতা পুনরায় অর্জন করুন যদি ভাবেন আপনি ক্ষমতাহীণ হয়ে পড়ছেনঃ

আমরা নিয়ন্ত্রন করতে খুব পছন্দ করি, কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা আপনি চাইলেও নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন না।

নিষ্ঠুর সত্য এই যে, আমরা চাইলেই আমাদের মত করে সব কিছু সাজাতে পারবোনা। কিন্তু যেসব বিষয়ের উপর আমরা ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারি বা ট্যালেন্ট দেখাতে পারি সেই কাজগুলো ভালো ভাবে করতে পারলে আমরা অবশ্যই হতাশ হবোনা।
হেরে যাওয়া যুদ্ধে সংগ্রাম না করে পুনরায় নতুন আঙ্গিকে নিজেদের ক্ষমতাকে এমন জায়গায় ব্যবহার করতে হবে যেখানে আমরা সেই বিষয়টিকে আমাদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারি। যেসবের উপর আমাদের হাত নেই সেখানে না চেষ্টা করে এমন কিছু ছোট ছোট বিষয়ের উপর আমরা নজর দিতে পারি যা পরিশেষে আমাদের নিজেদের জন্যেই ভালো কিছু বয়ে আনবে। তখন নিজের উপর বিশ্বাস ফিরে আসতে পারে, যে আপনার ও ভালো কিছু করার ক্ষমতা আছে, আপনি ক্ষমতাহীন নন।

৫। ভয়ের মোকাবিলা করুনঃ

হতাশা ভয়েরই প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ভয় একটি ভীতিকর ব্যপার হতেই পারে কিন্তু এমনও হতে পারে ছোট্ট একটি বিষয়ই আস্তে আস্তে বড় হয়ে গড়ে উঠেছে। এমন হতে পারে শুরুর দিকে এটা খুব ছোট্ট একটা কাজ ছিল, কিন্তু সেটাকে ফেলে রাখতে রাখতে অনেক সময় পার হয়ে গিয়েছে আর এখন অনেক বড় আকার ধারণ করেছে যা এখন ভয় আর হতাশার জন্ম দিয়েছে আপনার মনে।

এর একটাই সমাধান হতে পারে, এখনই এই মুহূর্তে আপনার ভিতরে থাকা ভয়টিকে মোকাবিলা করার। আপনি যেই কাজটি করতে ভয় পাচ্ছেন আজ ই সেটা শুরু করে দিন খুব অল্প পরিসরে, কিন্তু আপনাকে শুরু করতেই হবে তাহলেই আপনার ভেতরে থাকা ভয়টিকে ধীরে ধীরে বিদায় করে দিতে সক্ষম হবেন এবং নিজেকে মুক্ত করতে পারবেন ভয়ভীতি আর হতাশার জাল থেকে।

এসব হতাশার মুখোমুখি হতে ভয় পাবেন না। যখন আপনি আপনার সুবিধাজনক স্থান থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসতে পারবেন, আপনি সব থেকে সুন্দর জীবন যাপন করতে পারবেন।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Saturday, 1 October 2022

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

 


ডিপ্রেশন কী?

ডিপ্রেশন খুবই কমন কিন্তু মারাত্মক একধরণের মানসিক ব্যাধি যা আপনার অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা ও কাজকর্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমরা অনেক সময় দুঃখবোধ(Sadness)ও বিষণ্ণতাকে(Depression)এক বলে মনে করি। এ দুটো কিন্তু এক নয়। দুঃখবোধ হলো সাময়িক মন খারাপ যা অল্প কিছু সময় পরেই ঠিক হয়ে যায়। এর জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, ডিপ্রেশন দীর্ঘকালীন সমস্যা। যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসার ও পরামর্শের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

ডিপ্রেশন কাদের হয়?

যেকোনো দেশের জনসংখ্যার প্রায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ লোক বিষণ্ণতা রোগে ভুগে থাকে। মেয়েদের এ রোগে ভোগার প্রবণতা পুরুষের চেয়ে দ্বিগুণ। বেকার ও নিঃস্ব জীবন যাপনকারীরাও (বৃদ্ধ, স্বামী পরিত্যক্ত স্ত্রী) এ রোগে বেশি ভুগে থাকেন। যারা বিভিন্ন ধরনের নেশা করে তাদের মধ্যেও ডিপ্রেশনের হার বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে সাধারণত এ রোগ বেশি হয়। আগে একটি ধারণা ছিল, সাধারণত বয়স্কদের এ রোগ হয়। কিন্তু এ ধারণা বোধ হয় এখন আর টিকছে না। আধুনিক নাগরিক জীবনের চাপ সব হিসাব ওলট-পালট করে দিচ্ছে।

কেন হয় ডিপ্রেশন?

ডিপ্রেশন একটি জটিল রোগ। কেন এ রোগ হয় নির্দিষ্ট করে কারো পক্ষেই তা বলা সম্ভব না। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই কিছু কমন কারণ থাকে যার জন্য এ রোগের উৎপত্তি হতে পারে।

১. অপমানবোধঃ মানসিক বা শারীরিকভাবে অবমাননার স্বীকার হলে অনেকে ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়।

২. নিরাপত্তাহীনতা বা একাকীত্বঃসামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকে বিষণ্নতার স্বীকার হয়। তাছাড়া, বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধব বা অন্যান্য কাছের মানুষদের সাথে সম্পর্কহীনতা বা মতবিরোধ থেকেও অনেকে বিষণ্ণতায় ভুগে থাকে।

৩. মৃত্যুশোকঃ কাছের মানুষের মৃত্যু অনেকের ক্ষেত্রে বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. বংশগত প্রভাবঃ পরিবারে কারো ডিপ্রেশন থাকলে তা অন্যদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

৫. জীবন পদ্ধতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনঃ জীবনে বড় কোন পরিবর্তন ঘটলে তা থেকে অনেকে বিষণ্ণতায় ভুগে। চাকরি হারালে, অবসরে গেলে, আয় কমে গেলে, জায়গা পরিবর্তন করলে, বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, এমনকি, নতুন বিয়ে করলেও অনেকে ডিপ্রেশনের শিকার হয়।

৬. বড় কোন রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বড় ধরণের কোন রোগ থাকলে রোগী ডিপ্রেশনের শিকার হতে পারে।

৭. ঔষধের প্রভাবঃ নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবনের ফলেও কেউ কেউ বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হয়। যেমন, ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোট্রেটিনিয়ন বা অ্যান্টিভাইরাল “ইন্টারফেরন-আলফা” জাতীয় ঔষধ সেবনেও অনেকে বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হয়।

এছাড়াও আরও বিভিন্ন কারণে মানুষ বিষণ্ণতায় ভুগে থাকে। ব্যক্তিভেদে বিষণ্ণতার কারণে পার্থক্য দেখা যায়।


ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির জন্য কি কি সহায়ক হতে পারে?

১. রুটিনমাফিক চলাঃ ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিনের জীবনকে একটা রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। প্রতিদিনের কাজ-কর্মকে যদি একটা নিয়মের মধ্যে বেঁধে ফেলা যায় তবে তা ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

২. লক্ষ্য নিয়ে কাজ করাঃ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। ডিপ্রেশনে যেহেতু কোন কাজ করতে ইচ্ছা করে না তাই প্রতিদিন একটু একটু করে কাজ করার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।

ধরা যাক, প্রথম দিন আপনি ঠিক করলেন আপনি আজ একটা মজার কিছু রান্না করবেন। যদি আপনি সেই কাজটা ঠিক মত করতে পারেন তবে পরের দিন আর একটু বেশি কিছু করার কথা চিন্তা করতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে কাজের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়াতে পারলে এক সময় ডিপ্রেশন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করাঃ প্রতিদিন অল্প কিছু সময় ব্যায়াম করলে তা আপনার শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখবে। ব্যায়াম করা মানে, ম্যারাথন দৌড় টাইপ কিছু না, আপনি যদি প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটাহাটি করেন তবুও তা আপনার মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যা আপনাকে ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।

৪. সুষম খাদ্য গ্রহণঃ সুষম খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি মেলে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন খাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ থাকে। সাইক্রায়াটিস্টদের মতে, যেসব খাবারে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিড এবং ফলিক এসিড থাকে সেসব খাবার ডিপ্রেশন কমাতে সহায়তা করে।

৫. অনিদ্রা দূর করাঃ পর্যাপ্ত ঘুম ডিপ্রেশন কমায়। ডিপ্রেশনের রোগীদের নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়্। তাই, প্রথমেই ঘুম সমস্যার সমাধান করতে হবে। প্রতিদিনের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে নিদ্রাহীনতা দূর করা সম্ভব। প্রতিদিন ঠিক সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দিনের বেলার হালকা ঘুমের অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। শোবার ঘর থেকে টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল এগুলো সরিয়ে রাখতে হবে। এভাবেই অনিদ্রা রোগ ধীরে ধীরে দূর করা সম্ভব।

৬. ইতিবাচক চিন্তা করাঃ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকলে মানুষের মনে বিভিন্ন রকম নেগেটিভ চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। যেমন, আমিই বুঝি সবচেয়ে খারাপ, আমার মত দুঃখ কারো নেই, আমি সবার চেয়ে অসুস্থ, আমি ব্যর্থ একজন মানুষ- এই ধরণের চিন্তাগুলো সুস্থ হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই, এই নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে মন থেকে দূর করে পজিটিভলি চিন্তা করার চেষ্টা করতে হবে। যুক্তি দিয়ে সবকিছু বিচার করতে হবে। আশাহত হওয়া যাবে না কোনভাবেই।

৭. আনন্দদায়ক কাজের মধ্যে সময় কাটানোঃ নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। মজার কোন কাজ। যেমন, নতুন কোথাও ঘুরতে যাওয়া, মজার কোন বই পড়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া। মন ভালো রাখার সবরকম চেষ্টা করতে হবে। মন ভালো থাকলে ডিপ্রেশন কেটে যাবে একসময়।

৭. ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণঃ ডিপ্রেশন পুরোপুরি না ভালো হওয়া পর্যন্ত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।