***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label জরায়ুমুখে ক্যানসার. Show all posts
Showing posts with label জরায়ুমুখে ক্যানসার. Show all posts

Saturday, 1 October 2022

জরায়ুমুখে ক্যানসার ভয় নয় সাবধান হোন

 


সাধারণত সব কোষ সুবিন্যস্ত পদ্ধতিতে বিভাজিত এবং কোষকলার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে। অবিন্যস্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনে অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষকলার পি- হলো টিউমার। এটি দুধরনের- বিনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারই হলো ক্যানসার। জরায়ুমুখের ম্যালিগন্যান্ট টিউমারটিকে বলে জরায়ুমুখের ক্যানসার।

ক্যানসারের সম্ভাব্য কারণ : ১৮ বছর বয়সের নিচে বিয়ে বা যৌনমিলন, বিভিন্নজনের সঙ্গে যৌনমিলন বা গণিকাবৃত্তি, অপরিচ্ছন্ন জননেন্দ্রিয়, জননেন্দ্রিয়ের সংক্রামক রোগ, যেমন- হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস-টাইপ২ ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, ২০ বছর বয়সের নিচে গর্ভধারণ ও মা হওয়া, ধূমপান ও নিম্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থা।

রোগের লক্ষণ : অনিয়মিত রক্তস্রাব, ঋতু বন্ধের এক বছর পরও রক্তস্রাব, যৌন সঙ্গমের পর রক্তস্রাব, যোনিপথে অধিক পরিমাণ বাদামি বা রক্তমাখা স্রাবের আধিক্য ও দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব। মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণের কোনোটাই ক্যানসার নিশ্চিতকরণের চিহ্ন নয়, তবে এসব গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন দেখে চিকিৎসকরা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, রোগটা কোন ধরনের এবং কোন অবস্থায় রয়েছে।

চিকিৎসা : ক্যানসারের আগের স্তরের শুরুতেই যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা যায়। ক্যানসারের আগের স্তরে জরায়ুমুখের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের চিকিৎসা করা হয় ক্রাইওথেরাপির মাধ্যমে। এ সময় প্রচণ্ড ঠান্ডা প্রয়োগ করে আক্রান্ত কোষকলা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ইলেকট্রোকোওয়াগুলেশন বা বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাধ্যমেও প্রচণ্ড উত্তাপ সৃষ্টি করে আক্রান্ত কোষকলা ধ্বংস করা যায়। চিকিৎসার এ প্রক্রিয়ায় রোগীর সন্তান ধারণক্ষমতা অটুট থাকে।

সার্জারি : ক্যানসার যখন উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন সার্জারি চিকিৎসা বেছে নেন অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। এ চিকিৎসায় রোগীর সম্পূর্ণ জরায়ু অপসারণ করা হয়। এ পদ্ধতিকে হিস্টারেক্টমি বলা হয়। কখনো কখনো যোনিপথের উপরের অংশ এবং কাছের কোষকলা এবং লসিকাগ্রন্থি অপসারণ করা হয়, যাতে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষ দূরবর্তী স্থানে ছড়িয়ে না পড়ে।

রেডিয়েশন থেরাপি : এ চিকিৎসার মূল ভিত্তি হলো, বিকিরণের মাধ্যমে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষের ধ্বংস বা ক্ষতিসাধন করা। অনেক সময় এ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় টিউমারের প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে বা ব্যথা কমানোর জন্য। যখন ক্যানসার আক্রান্ত সব কোষ সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা যায় না, তখন সার্জারির পরে আবার রেডিয়েশন দেওয়া হয়।

চিকিৎসা-পরবর্তীকালে করণীয় : সার্জারি বা রেডিয়েশন থেরাপির পর রোগীকে নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করাতে হয়। যৌনমিলন থেকে কিছুদিন অবশ্যই বিরত থাকতে হয়। সব নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চললে চিকিৎসার দু-তিন মাসের মধ্যে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

প্রতিরোধ : বিবাহিত জীবন বা যৌনজীবনে প্রবেশ করা প্রত্যেক নারীকে অবশ্যই প্রতি তিন বছরে একবার শারীরিক কিছু পরীক্ষা করাতে হয়। এ রোগের উপসর্গগুলো, যেমন- মাসিক অবস্থায় বা ঋতু বন্ধের পর অস্বাভাবিক রক্তস্রাব, স্রাব ইত্যাদি দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এভাবে প্রত্যেক নারী যদি নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হন, তবে জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য কোনো নারীকেই এর চরম মূল্য দিতে হবে না। ক্যানসারের সার্বিক প্রতিরোধ, সঠিক রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে কালব্যাধি ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।