***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Saturday, 1 October 2022

ব্লাড ক্যান্সার লক্ষণ ও প্রতিকার

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আজকের আলোচনার বিষয় ব্লাডক্যান্সার ও তার প্রতিকার

একটা সময় ছিল যখন ব্লাড ক্যান্সার হলে মানুষকে বাঁচানো যায় না। এখন অবশ্য ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা বের হয়েছে। তবে এই চিকিৎসায় ব্লাড ক্যান্সার ভাল হয়েছে এমন তথ্য হাতে গুনা কয়েকটি। তবে চিকিৎসা করিয়ে রোগীকে অনেকদিন বাঁচিয়ে রাখা যায়। 
কিন্তু এই ধরণের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাই জেনে নিন ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ ও প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়-

ব্লাড ক্যান্সারের প্রকারভেদ :-

A. শ্বেতকণিকা থেকে সৃষ্ট ব্লাড ক্যান্সারকে লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যন্সার বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার তিন ধরণের হয়ে থাকে।
১। একিউট মাইলোবস্নাস্টিক লিউকেমিয়া
২। একিউট লিমফোবস্নাস্টিক লিউকেমিয়া
৩। ক্রনিক লিমফোসাইটিক লিউকেমিয়া

B. লসিকা গ্রন্থি থেকে সৃষ্ট এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সারকে লিমফোমা বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার ২ ধরণের হয়ে থাকে।
১। হজকিন ও নন হজকিন লিমফোমা,
২। লিমফোবস্নাস্টিক লিমফোমা ইত্যাদি।

C. মাইলোমা ও প্লাজমা সেল লিউকেমিয়া: প্লাজমা সেল থেকে সৃষ্ট বস্নাড ক্যান্সার।

ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ : -
রক্ত কণিকাগুলো সঠিক মাত্রায় উৎপন্ন না হলে রক্তশূন্যতা, রক্তক্ষরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে রোগীর মৃত্যু ঘনিয়ে আসে।

রক্তশূন্যতাজনিত লক্ষণ : -

১। যেমন-অবসাদ ও দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় ইত্যাদি।
২। শরীরে ইনফেকশনের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ফলে মাঝে মাঝেই জ্বর দেখা দিতে পারে।
৩। রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা দেখা দেয়, যেমন নাক, দাঁতের মাড়ি, চোখ ও ত্বকে রক্তক্ষরণ এবং মাসিকের সময় বেশি রক্ত যাওয়া প্রভৃতি হতে পারে।
৪। শরীর বা হাড়ে ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা।
৫। লিভার ও স্পিলিন বড় হয়ে যাওয়া।
৬। গলায়, বগলে বা অন্যত্র লিম্ফনোড বড় হওয়া।

ব্লাড ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় :

১। যেসব রোগীকে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি একসঙ্গে দেয়া হয় তাদের মধ্যে বস্নাড ক্যান্সারের প্রবণতা প্রায় ২০ গুণ বেড়ে যায়।
২। সকল ধরণের তেজস্ক্রিয়তা পরিহার করতে হবে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে।
৪। এক্স-রে বিভাগে ও নিউক্লিয়ার বিভাগের কাজ করার সময় বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
৫। ধূমপান ও তামাক জাত দ্রব্য গুলি পরিহার করতে হবে।

অধিক ঝুঁকির কারণ :-
১। কৃষি কাজে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা।
২। কলকারখানায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
৩। পরিবেশ দূষণ।

ব্লাড ক্যান্সার নির্ণয় :-
১। বোনাম্যারো ও ট্রিফাইন বায়োপসি পরীক্ষা: কোমরের হাড় থেকে অস্থিমজ্জা সংগ্রহ করে পরীক্ষা।
২। লিমফোনোড এফএনএসি ও বায়োপসি পরীক্ষা: লসিকা গ্রন্থি থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা।

আধুনিক চিকিৎসা :-
১। কেমোথেরাপি
২। বোনম্যারো ট্রান্সপ্লানটেশন (মেরুমজ্জা প্রতিস্থাপন)
৩। টার্গেট থেরাপি।
৪। ইমিউনো বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

গ্লুকোমা কী রোগলক্ষন ও প্রতিকার || চোখের গ্লুকোমা রোগ কি || গ্লুকোমা || চোখের গ্লুকোমা || গ্লুকোমা নিয়ন্ত্রনের ঘরোয়া উপায়

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আজকের আলোচনার বিষয় হলো গ্লুকোমা, রোগলক্ষন ও তার প্রতিকার

গ্লুকোমা কী?
 
এটা চোখের এমন একটি রোগ, যাতে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে চোখের পেছনের স্মায়ু অকার্যকর হয়ে ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি চলে যায়। গ্লুকোমা হলো অনিবারণযোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ।

গ্লুকোমা কাদের হয়:

যেকোনো বয়সে এটি হতে পারে।
যেমন:-
১:) জন্মের সময় বেশ বড় চোখ এবং উচ্চ চক্ষুচাপ নিয়ে জন্মালে একে কনজেনিটাল গ্লুকোমা বা জন্মগত উচ্চ চক্ষুচাপ বলে।

 ২:) তরুণ বয়সেও এ রোগ হতে পারে, একে বলে জুভেনাইল গ্লুকোমা। বেশির ভাগ গ্লুকোমা রোগ ৪০ বছরের পরে হয়। এদের প্রাথমিক গ্লুকোমা বলে।

এ ছাড়া পারিবারিকভাবে যাদের এ রোগ আছে, যারা মাইনাস পাওয়ার চশমা পরেন, যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাদের মধ্যে এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

গ্লুকোমা কেন হয়?

বেশি বয়সজনিত চোখের গঠনে পরিবর্তন, জন্মগত গঠনের ত্রুটি, আঘাত, চোখ লাল হওয়া, ডায়াবেটিসজনিত চোখের রক্তহীনতা, অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড বা হরমোন থেরাপি, ছানি পেকে যাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্লুকোমা হতে পারে।

উপসর্গ বা রোগলক্ষন:

বিভিন্ন প্রকারের উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসতে পারে। হঠাৎ করে এক চোখে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, এর সঙ্গে প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও বমি বমি ভাব হতে পারে।

আবার সব সময় চোখে ও মাথায় হালকা ব্যথা (বিশেষ করে কম আলোতে) এবং আস্তে আস্তে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। অন্যদিকে ব্যথা ছাড়াই উভয় চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া এবং চশমার পাওয়ার পরিবর্তন নিয়েও রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসে। মাঝেমধ্যে দৃষ্টিসীমানার যেকোনো এক পাশে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, ছানি পেকে চোখ লাল হওয়া ইত্যাদিও এ রোগের উপসর্গ হতে পারে। জন্মগত বড় চোখ, চোখ থেকে পানি পড়া এবং আলোতে চোখ বন্ধ করে ফেলা জন্মগত গ্লুকোমার লক্ষণ হতে পারে।

রোগ নির্ণয়:

রোগীর ইতিহাস এবং বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লুকোমা রোগ নির্ণয় সম্ভব। এর মধ্যে দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা (ভিসুয়াল এশুইটি), দৃষ্টিসীমানা পরীক্ষা (ভিজ্যুয়াল ফিল্ড), চোখের চাপ পরীক্ষা (ইন্ট্রাঅকুলার প্রেসার), গনিয়স কপি বা চোখের কোণ পরীক্ষা এবং অফথালমোসকপি বা চোখের স্মায়ু পরীক্ষা বেশি গুরুত্ব বহন করে। স্বাভাবিক চোখের চাপ সাধারণত (১০-২১) মি·মি· মার্কারি। অস্বাভাবিক চোখের চাপ থাকলে সব পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লুকোমা শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
 
১:) পারিবারিকভাবে যাদের গ্লুকোমা রোগের ইতিহাস আছে, তাদের নিয়মিত চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চোখ পরীক্ষা করতে হবে।
২:)  অল্প আলোতে কারও চোখে ও মাথায় ব্যথা হলে ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।
৩:) চোখে ছানি পড়লে তা পেকে যাওয়ার আগে অপারেশন করিয়ে নেওয়া ভালো।
৪:) চোখে প্রদাহ হলে তা থেকে গ্লুকোমা হওয়ার আগে চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।
৫:) চোখে আঘাতের পর দেরি না করে চিকিৎসা করাবেন।
৬:) স্টেরয়েড বা হরমোন থেরাপি যাঁরা নেন তাঁরা নিয়মিতভাবে অন্তত তিন-চার মাস অন্তর চোখ পরীক্ষা করাবেন।
৭:)  আধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ কোনো হাসপাতালে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন অপারেশন করালে অপারেশন-পরবর্তী গ্লুকোমা রোগের ঝুঁকি রোধ করা যায়।
৮:)পরিশেষে জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তন, যেমন-পরিমিত খাদ্যাভাস, লবণজাতীয় খাবার বর্জনের মাধ্যমে তথা ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে গ্লুকোমা রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

চিকিৎসা:
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। চোখের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি হলে একটি ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চোখের চাপ যদি খুব বেশি থাকে অথবা একটি ওষুধে যদি নিয়ন্ত্রণ না হয়, তাহলে দুটি অথবা তিনটি ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
যদি দু-তিনটি ওষুধে চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকে এবং আস্তে আস্তে দৃষ্টিশক্তি লোপ পেতে থাকে, সে ক্ষেত্রে ট্রাবেকুলেকটমি নামক অপারেশনের মাধ্যমে গ্লুকোমা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বাচ্চাদের গ্লুকোমা ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। সে ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে।
লেসার থেরাপির মাধ্যমে গ্লুকোমার চিকিৎসা করা সম্ভব। নিয়মিত ওষুধ ব্যবহার করলে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। যেহেতু এই রোগে স্মায়ুর পরিবর্তন হয়, সেহেতু পরবর্তী সময়ে আরও বেশি ক্ষতি থেকে চোখকে রক্ষা করাই হলো গ্লুকোমা চিকিৎসার উদ্দেশ্য।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

ফুসফুস ক্যান্সারের রোগলক্ষন ও প্রতিকার

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
 
Lung cancer বা ফুসফুস ক্যান্সারে ফুসফুসের টিস্যুগুলিতে অনিয়ন্ত্রিত কোষবৃদ্ধি ঘটে। এই বৃদ্ধির ফলে মেটাস্টাসিস, প্রতিবেশী টিস্যু আক্রমণ এবং ফুসফুসের বাইরে সংক্রমণ ঘটতে পারে। প্রাথমিক ফুসফুসের ক্যান্সারের অধিকাংশই ফুসফুসের কার্সিনোমা, যা ফুসফুসের এপিথেলিয়াল কোষগুলিতে ধরা পড়ে। ফুসফুসের ক্যান্সার পুরুষদের ক্যান্সার-জনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ এবং মহিলাদের এরূপ মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ। 

জেনে নেয়া যাক, ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণগুলো-

১:) চাপা কাশি ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। যদিও অন্য কারণে চাপা কাশি হতে পারে। তারপরও কফ দীর্ঘদিন থাকলে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২:) ধূমপায়ী হলে দীর্ঘস্থায়ী কফের সঙ্গে বেশি শ্লেষ্মা ও রক্ত গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৩:)  বেশ কিছুদিন ধরে মাথা ব্যথা, বুক ব্যথা কিংবা কাঁধে ব্যথা হলেও সাবধান হোন। কেননা এটিও ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

৪:) শ্বাসকষ্ট বা দম কম পড়া ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া শ্বাস প্রশ্বাসের পথে ব্লক হলে, পথ সরু হয়ে গেলে শ্বাস প্রশ্বাসের শব্দ হুইসেলের মতো শোনালেও সতর্ক হন। তবে শারীরিক আরো সমস্যার কারণেও এগুলো হতে পারে।

৫:) হঠাৎ করে অনেকটা ওজন কমে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ হতে পারে।

৬:) কণ্ঠস্বর কর্কশ বা ফেঁসফেঁসে হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান। এই লক্ষণ সাধারণত কাশি বা কফের সময় হয়। তবে এটা যদি দুই সপ্তাহের বেশি হয় তবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ফুসফুসের টিউমার কণ্ঠস্বরের স্নায়ুর ওপর প্রভাব ফেললে এই সমস্যা হয়।

৭:)  হঠাৎ করে খিদে কমে যাওয়া ভাল লক্ষণ নয়। এর জন্য শরীরের ক্যান্সার কোষগুলো দায়ী। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে এমন হতে পারে।

৮:) অনেকেরই হাড় ও মাংসপেশিতে নানা সময়ে ব্যথা হয়। তবে তা সবসময় যে ক্লান্তি বা দুর্বলতার কারণে হয় তা নয়। ফুসফুসে ক্যান্সার হলে এই সমস্যা আরো বেড়ে যায়।

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধের কোনো সঠিক উপায় জানা নেই।
তবে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কি করা উচিত:

১:) ধূমপান বন্ধ করুন এবং ফুসফুসের এর চেক-আপ করবেন​:

আমরা সবাই জানি যে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য হানিকারক এবং আপনার ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। কিন্তু এটা ছেড়ে দেওয়ার জন্য এখনো দেরী হয় নেই। যদিওবা  রোগ ধরা পরে, ধূমপান বিরাম আপনার অবস্থা অনেকটা ভালো করতে সাহায্য করে।
 

২:) পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলুন:      

পরোক্ষ ধূমপান আপনার জন্য ততটাই খারাপ যতটা নিজে ধূমপান করা। যদি আপনি ধূমপান না করেন কিন্তু সবসময় ধূমপায়ীদের মধ্যে থাকছেন, এই অবস্থাটি আপনার ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে না। 

৩:) বাড়িতে রেডন গ্যাসের মাত্রা চেক করুন :

রেডন একটি নির্গন্ধ গ্যাস যেটা মাটির মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ক্ষয় হওয়ার কারণ উৎপন্ন হয়। ধূমপান যারা করে না ওদের মধ্যে ফুসফুস ক্যান্সার হওয়ার একটি মুখ্য কারণ হচ্ছে রেডন গ্যাস এই গ্যাস অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে আপনার শ্বাসে প্রবেশ করে আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি কে বাড়িয়ে দেয়। রেডন গ্যাসের মাত্রা বাড়িতে চেক করবেন এবং সেই বুঝে এটার প্রতিকার করবেন।


তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


ক্যান্সার রোগলক্ষন ও প্রতিকার

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আজকের আলোচনার বিষয় হলো কান্সার ও তার প্রতিকার

ক্যান্সার প্রাণঘাতী একটি রোগ। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করলে কিছু ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে বেশির ভাগ ক্যান্সারই মৃত্যু ডেকে আনে।
 তাই ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই প্রাথমিক পর্যায়ে এর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা উচিত।
অন্য ক্যান্সারের মতো লিভার ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়না। ক্যান্সার কোষ ক্রমশ বড় হতে থাকলে বা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়লে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

লিভার ক্যান্সার এর রোগলক্ষন:

১। পেটে ব্যথা:

যদি পেটে ব্যথা অনুভব করেন বিশেষ করে পেটের ডান পাশে নিয়মিত ব্যথা হলে তা হতে পারে লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ। তখন একজন অনকোলজিস্ট বা লিভার বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

২। পেটে কোন ফোলা বা পিন্ড :
 পেটে কোন ফোলা বা পিন্ড উপরের বা নীচের পেটে ফোলা বা পিন্ডের মত অংশ দেখা দিলে তা হতে পারে লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ। এর পাশাপাশি পেট ভরা থাকার অনুভূতি থাকলে তা লিভার ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ হতে পারে।

৩। পেট ফুলে যাওয়া:

পেট ফুলে গেলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ ক্যান্সার কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে অথবা লিভারে তরল জমে যাওয়ার কারণে পেট ফুলে যেতে পারে। এর ফলে পেটে ও লিভারের মধ্যে চাপ বৃদ্ধি পায়। এতে শুধু লিভারের কাজেই প্রভাব পড়ে না বরং লিভারের অকার্যকারিতাও দেখা দিতে পারে।

৪। জন্ডিস:

জন্ডিসে আক্রান্ত হলেই যে লিভার ক্যান্সার হবে এমনটা নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি লিভার ড্যামেজের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ করে। যা পরবর্তীতে লিভার ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, ফ্যাকাসে মল ও গাঁড় প্রস্রাব হলে অবহেলা করা উচিত নয়। দ্রুত নিরাময়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

৫। অবসাদ:

অবসাদ অনুভব করা লিভার ক্যান্সারের তেমন কোন তীব্র লক্ষণ প্রকাশ করেনা। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্রাম নেয়ার পরেও অনেক বেশি ক্লান্ত অনুভব করা অথবা দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজ করলেই পরিশ্রান্ত হয়ে পড়লে অবহেলা করা উচিত নয়। এগুলোর পাশাপাশি যদি পেটে ব্যথা ও জ্বর থাকে তাহলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৬। জ্বর:

অনেক রোগের বা ইনফেকশনের সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। যদি জ্বরের পাশাপাশি পেট ফুলে যাওয়া বা পেটে ব্যথা হয়, তাহলে তা লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

৭। ক্ষুধা কমে যাওয়া:

কিছু ক্ষেত্রে পেট ভরা অনুভব করা বা ক্ষুধা কমে যাওয়া লিভার ড্যামেজের বা লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। ক্ষুধা কমে গেলে শরীরের ওজন কমে যায়। শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয় না। ফলে লিভারের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে।

দুইভাবে লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব:

১। হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি প্রতিরোধ করা। 
২। অ্যালকোহল বা মদের হাত থেকে বেঁচে থাকা। 
এখন আমাদের জানতে হবে কিভাবে হেপাটাইটিস বি এবং সি-এর হাত থেকে বেঁচে থাকা যায়।

১। হেপাটাইটিস বি অথবা সি-তে আক্রান্ত রোগী রক্ত দিতে পারবেন না। 

২। ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ছাড়া ইঞ্জেকশন গ্রহণ নিষেধ। 

৩। শিরায় যারা মাদক গ্রহণ করে তারা একই সিরিঞ্জ ব্যবহার করে। এসব থেকে দূরে থাকতে হবে। 

৪। যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করতে হবে। 

৫। হেপাটাইটিস বি-এর ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। সবার এই ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। 

৬। ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিকস সবার ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। 

৭। হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া এবং যাদের ডায়ালাইসিস চলছে তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে। 

এলকোহল বা মদের হাতে থেকে বেঁচে থাকতে হবে। এলকোহল গ্রহণ করলে লিভার সিরোসিস এবং পরবর্তী পর্যায়ে লিভার ক্যান্সার হয়। 

এলকোহলের হাত থেকে বেঁচে থাকার উপায় :
১। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 
২। পারিবাকি মূল্যবোধ : এটি খুব গুরুত্বপূর্র্ণ। 
শিশু প্রথম শিক্ষা পায় পরিবার থেকে। পারিবারিক শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্র্ণ।
৩। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। 
৪। আইন প্রয়োগ করা এবং সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন করা। 
৫। উৎপাদন ও পাচার বন্ধ করা। 


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

ডিমেনশিয়া বা আলঝেইমার (ভুলে যাওয়ার রোগ) প্রতিরোধ

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় ডিমেনশিয়া বা আলঝেইমার (ভুলে যাওয়ার রোগ) রোগলক্ষন ও তার প্রতিকার :

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। যেমন- পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা হলে তার নাম মনে করতে না পারা, কোন জরুরি কথা বা জরুরি ফোন নাম্বার মনে করতে না পারা এমনকি চশমা কোথায় রেখেছেন তাও অনেক ক্ষেত্রে মনে থাকে না। এটি হচ্ছে স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া। ডিমেনশিয়া শব্দটি ল্যাটিন শব্দ dementare থেকে এসেছে, যার অর্থ পাগল করে দেওয়া।

ডিমেনশিয়া বা আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির বুদ্ধি, স্মৃতি ও ব্যক্তিত্ব ক্রমান্বয়ে লোপ পায় এবং বাড়তে থাকে। সাধারণত, প্রবীণদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায় এবং হঠাৎ করে অনেক কিছুই মনে করতে পারেন না।
ফলে তার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়। স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে, নিয়মিত ব্যায়াম করলে এবং শরীরের বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেললে হৃদরোগ ঠেকানোর পাশাপাশি আলঝাইমার রোগও ঠেকানো সম্ভব।


ডিমেনশিয়া রোগের কারণ:

বিভিন্ন রোগের কারনে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগ হতে পারে। যেমন- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, এইডস, থাইরয়েডের সমস্যা, দীর্ঘমেয়াদী ধূমপান বা মদ্যপান, আলঝেইমার, শরীরে ভিটামিন বা খনিজ উপাদানের ঘাটতি, ভিটামিন বি’এর অভাব, কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়া, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া এবং মস্তিষ্কের নানান রোগ ইত্যাদি।

ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগ প্রতিরোধে করনীয়:

নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক ব্যয়াম, খাবার গ্রহনে সচেতন হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবেঃ

১:) সবার সাথে মিশতে হবে, অন্যদের খোঁজখবর রাখা এবং নানান রকম সামাজিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

২:) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে হবে।

৩:) নানা রকম বৈচিত্র্যময় কাজে মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখা যেতে পারে। 
যেমন- অবসরে পত্রিকা, ম্যাগাজিন বা বই পড়া, আবার বুদ্ধির খেলা যেমন- শব্দভেদ (ক্রসওয়ার্ড পাজল) মেলানো, দাবা খেলা, ধাঁধার সমাধান ইত্যাদি অথবা যেকোনো সৃজনশীল কাজের চর্চায় স্মৃতিশক্তি বাড়বে।

আরো যেসব ব্যাবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা হলো :

●বেশি করে তাজা শাকসবজি, ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

●সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। মাছের তেল মস্তিস্কের জন্য বেশ উপকারী।

●প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

● রক্তচাপ, ব্লাড সুগার ও চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

● ধূমপান, মদ্যপান কিংবা যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য বর্জন করতে হবে।

ডিমেনশিয়া রোগের লক্ষণ: 

ভুলে যাওয়ার কারণে রোগীর মধ্যে হতাশা কাজ করে। প্রাথমিকভাবে ডিমেনশিয়া খুবই ধীরে বিস্তার লাভ করে, কয়েক মাস এমনকি বছরও হতে পারে। এছাড়াও নিদ্রাহীনতা এবং আরও অন্যান্য সমস্যায় ভুগতে পারে। ধীরে ধীরে রোগী অন্যের ওপর নির্ভ্রশীল হয়ে পড়ে।


চিকিৎসা 

লক্ষণ দেখে সন্দেহ হলে অথবা ডিমেনশিয়া রোগটি শনাক্ত হওয়ার পর, দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
রোগীকে সময় দেয়া, যথাযথ সম্মান করা, সেবা করা সর্বোপরি প্রত্যহিক জীবনের মান বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির হার কমানো যায়।

আবার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু কিছু ওষুধ যেমন- donepezil, nemantidine, tacrine ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। এগুলো রোগীর চিন্তাশীলতা ও শনাক্তকরণ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগটি সেরে উঠার সম্ভাবনা থাকলেও, জটিল হয়ে গেলে রোগীর আর সেরে ওঠার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।

ডিমেনশিয়ার সচেতনতা:

আমাদের সবার ধারনা, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ভুলে যাবেন। এটিকে আমরা অনেকেই খুব স্বাভাবিকভাবে নেই এবং ডিমেনশিয়া যে একটি রোগ, এ বিষয়ে সচেতন থাকি না। এখন এমন অনেক ওষুধ আছে, যেগুলো সেবনে ডিমেনশিয়া রোগটির তীব্র হওয়া ঠেকানো যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে আসলে এটি সম্ভব কিন্তু বেশির ভাগ রোগীই আসেন একেবারে শেষ পর্যায়ে। সচেতনতা বৃদ্ধি করে ডিমেনশিয়ার উৎপত্তি থেকে কিছুটা নিরাপদে থাকা যায়। ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ডিমেনশিয়া সচেতনতা দিবস। ডিমেনশিয়া রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

কম বয়সেও ডিমেনশিয়া রোগ হতে পারে
বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি কিছুটা হ্রাস পাবে এটাই স্বাভাবিক। আবার অনেক পরিচিত মানুষ, সুন্দর কিছু মুহূর্ত এবং জীবনের কিছু ঘটনা মনের পাতায় দাগ কেটে থাকবে এটাও স্বাভাবিক। কিন্তু যদি জীবনের মধুর স্মৃতিগুলো মন থেকে মুছে যাচ্ছে অথবা সাম্প্রতিককালের কোন ঘটনা মনে করতে পারছেন না অথবা অনেক চেনা জানা কোন ব্যক্তির কথা অনেক চেষ্টা করেও মনে আসছে না, তখন বুঝতে হবে আপনি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত। ডিমেনশিয়া বয়স্ক ব্যক্তিদের হবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু বর্তমান সময়ে তরুণদের ডিমেনশিয়া রোগের হার ব্যাপকহারে বাড়ছে।

ডিমেনশিয়া রোগের এই প্রবণতা যদি এই হারে বাড়তে থাকে তাহলে এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সাধারণত ডিমেনশিয়া শুরু হয় বয়স ৭০ এর কোটায় পৌঁছালে। আর কম বয়সে ডিমেনশিয়া শুরু হয় বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। বড়দের ডিমেনশিয়া হলে সাধারণত স্মৃতিশক্তি সমস্যাই বেশি হয়। অপরদিকে কম বয়সে ডিমেনশিয়া হলে সাধারনত ল্যাংগুয়েজ সমস্যাই অধিক হয়। কম বয়সে ডিমেনশিয়ার ক্ষেত্রে পরিবারের সহযোগিতা অনেক বেশি দরকার পড়ে।


তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।