***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Thursday, 17 November 2022

অর্জুন

 



অর্জুন

ভেষজশাস্ত্রে ওষধি গাছ হিসাবে অর্জুনের ব্যবহার বলা হয়েছে। এই উদ্ভিদ কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘টারমিনালিয়া অরজুনা’, সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলোনো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহ্বাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল ওঠানো যায়। ফল দেখতে কামরাঙার মতো, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট।

ভেষজ গুণ

বুক ধড়ফড় করলে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনো হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি জলের সাথে মিশিয়ে জাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে খেলে বুক ধড়ফড়ানি কমে যায়। তবে পেটে যাতে বায়ু না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

অর্জুন ছাল বেটে খেলে হৃৎপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় কার্যক্ষমতা বাড়ে। এটি রক্তের কোলেস্টরল কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বিচুর্ণ ফল মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভারসিরোসিসের টনিক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্জুনের ছালে ট্যানিন রয়েছে, এ টানিন মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যাবহার হয়। এটি মাড়ির রক্তপাত বন্ধ করে এবং শরীরে ক্ষত, খোস পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছাল বেঁটে লাগালে সেরে যায়।

অর্জুনের ছাল হাঁপানি, আমাশয়, ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা, ব্যথা, প্রদর ইত্যাদি চিকিৎসায়ও উপকারী।

এ ছাড়া অর্জুনে স্যাপোনিন রয়েছে, এটি যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়। অর্জুনের ছালের রস যৌন উদ্দীপনা বাড়াতেও ব্যবহার হয়।

অর্জুন গাছের তেল খাদ্য হজম ক্ষমতা বাড়ায়। খাদ্যতন্ত্রের ক্রিয়া স্বভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

ক্যানসার কোষের বর্ধন রোধকারী গ্যালিক অ্যাসিড, ইথিগ্যালি, লিউটেনোলিন রয়েছে অর্জুন ছালে। এ কারণে এটি ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Wednesday, 16 November 2022

কালমেঘ

 


কালমেঘ

কালমেঘ আমাদের দেশে একটি বহুল প্রচলিত ভেষজ উদ্ভিদ। এই গাছের গড় উচ্চতা ১ মিটার। এই গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের ১ সেমি লম্বা ফুলের রং গোলাপী। দেড় থেকে দু সেমি লম্বা ফল অনেকটা ধানের মতো দেখতে। অকেনথেসি বর্গের অন্তর্ভুক্ত এই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম অ্যান্ড্রোগ্রাফিস পানিকুলাটা। 

ভারতের পূর্বাঞ্চল, হিমাচল প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে জন্মে থাকে। আর্দ্র ও অন্ধকারময় স্থানে এই উদ্ভিদের ভালো বৃদ্ধি হয়। তবে অল্প আলোকে বেশি চাষ হয়। সাধারণ ভাবে বিনা যত্নেই এই গাছ বেড়ে ওঠে। শিকড় ছাড়া কালমেঘ গাছের সব অংশই ওষুধের কাজে লাগে। কালমেঘের স্বাদ অত্যন্ত তেতো। জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ অত্যন্ত উপকারী।

তরিতরকারি হিসাবে কালমেঘ পাতা খাওয়া না হলেও ওষুধ হিসাবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। কালমেঘের পাতা থেকে তৈরি আলুই পশ্চিমবঙ্গের ঘরোয়া ওষুধ যা পেটের অসুখে শিশুদের দেওয়া হয়।বড়দেরও পেটের বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে কালমেঘ পাতা বেশ উপকারি। টাইফয়েড রোগে এবং জীবাণুরোধে কালমেঘ কার্যকর।

ভেষজ গুণ

কালমেঘ গাছের পাতার রস জ্বর, কৃমি, অজীর্ণ, লিভার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।

এ গাছের রস রক্ত পরিষ্কারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক ও রেচক হিসেবেও কাজ করে।

গাছের পাতা সিদ্ধ করে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিলে ঘা-পাঁচড়া জাতীয় রোগ সেরে যায়।

টাইফয়েডের প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহার হয়।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জ্বালাভাব দূর করে।

সর্দিকাশি, ব্রঙ্কাইটিস, বাত, অর্শ রোগ নিরাময়ে কার্যকর।

ফ্লু ও সাইনাসাইটিসের জন্য উপকারী।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

অকাল চুলপাকা রোধে কি কি করতে পারেন ?



 আজকাল দেখা যায় অনেকেরই অল্প বয়সে চুল সাদা হয়ে যায়। আর এই সাদা চুল নিয়ে বিপাকে পড়ে যান কেউ কেউ। কারণ চুল সাদা হলে বয়সের ছাপটা যেন একটু বেশি বোঝা যায়। সেইসঙ্গে নিজের ব্যক্তিত্ব খানিকটা ম্লান হয়ে পড়ে। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল সাদা হয়। কিন্তু অল্প বয়সে কালো চুল সাদা হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়।

কিন্তু আমাদের দেশে এখন অনেক কম বয়সী নারী-পুরুষেরই চুল পাকার সমস্যা দেখা যাচ্ছে। অল্প বয়সে চুল পাকার জন্য কিছু জিনিসতো অবশ্যই দায়ী। এসবের মধ্যে ঘুম কম হওয়া, নিম্ন মানের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, অত্যাধিক পরিমাণে চুলে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, চুলের নিয়মিত যত্ন না নেয়া, তেলে ভাজাপোড়াসহ ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়া, পুষ্টিকর খাবারের অভাব, বংশগত বা হরমোনের কারণে, অতিরিক্ত চিন্তা, চুল অতিরিক্ত ড্রাই করা, পানি দূষিত হওয়া, চুলে খুব বেশি রোদর তাপ লাগা প্রধান কারণ। তবে হতাশ না হয়ে একটু সচেতন হলে অল্প বয়সে কাচা চুল সাদা হওয়া থেকে প্রতিরোধ করা যায়। চুল সাদা হওয়া প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

চুল পাকা থেকে মুক্তির পাওয়ার কিছু উপায়




  • হরতকি ও মেহেদী পাতার সঙ্গে নারিকেল তেল দিয়ে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে চুলে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • আমলকির রস, বাদামের তেল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন চুলে লাগালে চুল পাকা কমে যায়।
  • নারিকেল তেল গরম করে মাথার তালুতে ভালো করে ম্যাসেজ করলে চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সঙ্গে সঙ্গে চুল সাদা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
  • চুল সাদা হওয়ার শুরুতে হেনা, ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগালে চুল সাদা হওয়া কমে যাবে। হেনা ব্যবহারে শুধু চুল সাদা হওয়া থেকে রক্ষা করবে না সেই সঙ্গে সাদা চুলে কালো রঙে ফিরে আসবে।
  • চুলে যেন সরাসরি রোদ না লাগে সেজন্য বাইরে বের হলে ছাতা, ক্যাপ অথবা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখা জরুরি।
  • চুলের ধরণ অনুযায়ী নিয়মিত ভালো ব্রান্ডের শ্যাশ্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের ক্রিম, জেল, কালার, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
  • চুলের নিজস্ব রঙ ধরে রাখতে মাঝে মাঝে চায়ের ঘন লিকার ব্যবহার করতে পারেন।
  • চুলে খুশুকি হলে শুরুতেই সাবধান হতে হবে। অতিরিক্ত খুশকির কারণে চুল সাদা হয়ে যায়।
  • ধুমপান পরিহার করে নিয়মিত পানি, ফলমূল, রঙিন শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার খেলে চুল সাদা হবে না বরং চুল হবে সুন্দর ও ঝরঝরে।

চিকিৎসা



ঘাবড়ানোর কারণ নেই। কোন কিছুতেই যদি আপনার অকাল চুলপাকা বন্ধ না হয়, সোজা আপনার হোমিওপ্যাথের কাছে চলে যান কারণ সমস্যাটা আপনার Characteristic Symptoms এর উপর অনেকটা নির্ভরশীল।

কৃমিরোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

 





কৃমিরোগ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

কৃমি আমাদের দেশে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। যে কোনো বয়সের মানুষের কৃমি হতে পারে। তবে শিশু কিশোরদের মাঝে কৃমির সংক্রমণ বেশি দেখা যায়৷ অবশ্য ছোট শিশু যেমন : পাঁচ মাস বয়স পর্যন্ত, যখন শুধু মাত্র মায়ের বুকের দুধই পান করে, তখন সাধারণত কৃমি হয় না৷ আমাদের দেশের মানুষের সুতা কৃমি, কেঁচো ও হুক কৃমির সংক্রমণ বেশি হলেও ফিতা কৃমির সংক্রমণ ও দেখা যায়৷

কৃমি
কৃমি হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে ক্ষতিকর ও বৃহৎ পরজীবী। এটি মানুষের দেহে বাস করে এবং শরীর থেকে খাবার গ্রহণ করে বেঁচে থাকে ও বংশ বৃদ্ধি করে৷ কৃমি অনেক ধরনের আছে৷ তবে আমাদের দেশে কেঁচো কৃমি, বক্র কৃমি ও সুতা কৃমিতে আক্রান্তের হার বেশি৷

চিকিৎসা
কৃমির চিকিৎসা দেবার আগে মল পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া ভালো৷ যদি রোগীর মলে বা বমির সঙ্গে কেঁচো কৃমি বের হয়, রোগী যদি বলে যে রাতে তার মল দ্বার চুলকায়, মল পরীক্ষার সুযোগ ও সামর্থ্যের অভাব, কিন্তু কৃমি আছে বলে সন্দেহ হয় তবে মল পরীক্ষা না করেও কৃমির ঔষধ দেওয়া যায়৷ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বয়স অনুযায়ী আলাদা আলাদা মাত্রায় ঔষধ খেতে হবে৷

কারো কারো কৃমির ঔষধ খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ, যেমন গর্ভবতী মহিলা, জ্বর ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী৷

প্রতিরোধ --

যেহেতু প্রতিরোধ চিকিৎসা অপেক্ষা অধিকতর ভালো তাই প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিৎ

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হবে

মল নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে হবে

খাবার তৈরি, পরিবেশন এবং খাওয়ার পূর্বে সাবান দিয়ে অবশ্যই হাত ধুয়ে ফেলতে হবে

মল ত্যাগের পর সাবান বা ছাই দিয়ে অবশ্যই হাত ধুয়ে ফেলতে হবে

নিয়মিত গোসল করা, পরিষ্কার জামা-কাপড় পড়া এবং নখ বড় হবার আগেই অবশ্যই কেটে ফেলা কারণ বড় নখের ভেতর কৃমির ডিম ঢুকে থাকে

প্রতি চার মাস পর পর পরিবারের সকলকে বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রার কৃমির ঔষধ খাওয়ানো উচিৎ

বাড়ির একজনের কৃমি থাকলে সকলেরই সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাড়ির সবাইকে কৃমির ঔষধ খেতে হবে, বাড়ির কাজের মানুষটিও যেন বাদ না পরে।


আম



আম আমাদের সবার পছন্দের একটা ফল। আম খেতে যেমন সুস্বাদু  তেমনি এর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। ভিটামিন , মিনারেল এবং এন্টি অক্সিডেন্ট সহ আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এবং প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানই আমের মধ্যে রয়েছে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আমের ১০ টি উপকারিতার কথা জানব।

 
১। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেছে আমের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট, কোলন ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া সহ বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২। কোলেস্ট্রেলরের মাত্রা কমায়ঃ আমে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পেক্টিন এবং ভিটামিন সি আছে। এইসব উপাদান শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩। ত্বক সুন্দর রাখেঃ আম খেলে বা ত্বকের উপর ব্যবহার, দুইটাই ত্বকের জন্য উপকারী। আম আমাদের ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলে দিয়ে ব্রণ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে।

৪। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করেঃ ভিটামিন এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। এক কাপ আমে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিনের এ এর চাহিদার ২৫% ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত আম খেলে এটি আমাদের রাতকাণা রোগ ও শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে।

৫। শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করেঃ আমে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।

৬। ডায়বেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ
 আমের পাতায় এমন উপাদান আছে যা আমাদের রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আমের পাতা সিদ্ধ করে, সারারাত সেই পানিতে পাতা ভিজিয়ে ভোর বেলা সেই পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। হজমে সাহায্য করেঃ
 আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা আমাদের হজমে সাহায্য করে।

৮। প্রচণ্ডে গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে আম খানঃ প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আমের জুস আমাদের শরীরকে প্রশান্ত অ ঠাণ্ডা করে। প্রচণ্ড গরমে আমাদের শরীর থেকে অধিক পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায় এবং টক্সিক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়। গরমের সময় আমের জুস শরীরের পানি শুন্যতা যেমিওন দূর করে তেমনি ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।

৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়ঃ আমে প্রচুর ভিটামিন সি, এ এবং প্রায় ২৫ রকমের ক্যারটিনয়েড আছে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আমাদের সাস্থবান বানায়।

১০। এজমা প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এজমা অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

সজনে


সজনে

সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল, তিনেরই উপকারিতা আছে।

সজনে ডাঁটা একটি মরসুমি ফল। আয়ুর্বেদে দু’ ধরনের সজনের উল্লেখ আছে -- লাল ও সবুজ সজনে। লাল সজনে এখন আর চোখে পড়ে না। সবুজ সজনে পাওয়া যায়। এখন বাণিজ্যিক ভাবে কেউ সজনে লাগায় না। চৈত্র মাসে মাত্র কিছু দিনের জন্য সজনে পাওয়া যায়। কারণ পরিকল্পিত ভাবে এ গাছ কেউ চাষ করে না। ডাল মাটিতে পুঁতে দিলে গাছ হয়। অথচ সজনের অনেক গুণ। সজনের পাতা, ফুল ও ছাল সবই উপকারী।

আয়ুর্বেদ মতে সজনে ক্ষুধা বাড়ায়, বলবীর্য বৃদ্ধি করে। এতে রয়েছে ক্ষার ও লবণ। সজনে পেটের অসুখে উপকারী এবং বাত ও শ্লেষ্মা সারে। গোদ ও গলগণ্ড হলে সজনে খেতে বলা হয়। সজনে চোখের জন্যও ভালো। পেটে গ্যাস উৎপন্নে বাধা দেয়। সজনে সব ধরনের ব্যথা, কাশি, নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়া বা রক্তপিত্ত সারায় ও শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে।

শরীরের কোনও জায়গা ফুলে গেলে বা কারও বাত হলে সজনে বেসনের সাথে খড়খড়ে করে রান্না করে খেলে উপকার হবে। সজনে পাতা সামান্য জল দিয়ে বেঁটে রস বের করে সকাল-বিকেল দু’ চামচ করে খাবেন। উচ্চ রক্তচাপ কমবে। সজনে পাতা বেঁটে টিউমারে লাগালে বসে যাবে। কুষ্ঠরোগের প্রাথমিক অবস্থায় সজনে বীজের তেল বেশ কিছু দিন লাগালে সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সজনের মূলের ছাল পিষে দাদ পরিষ্কার করে প্রলেপ দিলে দাদ ভালো হয়। সজনে পাতার ঝোল খেলে সর্দিজ্বর ভালো হয়। সজনে পাতা শাকের মতো রান্না করে বা ঝোল রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে।

সজনে ফুল শাকের মতো রান্না করে খেলে জলবসন্ত হয় না। এ ছাড়া সজনেও বসন্ত প্রতিষেধক। চোখে যদি পিচুটি পড়ে, ব্যথা হয় বা চোখ দিয়ে জল পড়ে তা হলে সজনে পাতা সেদ্ধ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেললে সমস্যা চলে যায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

পায়ের রগে হঠাৎ টান

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।
বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !
আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।


ঘুমের মধ্যে পায়ের কাফ মাসল সংকুচিত হয়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেননি, এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। হাঁটুর নিচ থেকে পায়ের পেছনের দিকের মোটা ও লম্বা মাংসপেশিকে কাফ মাসল বলে। পায়ের রগে এমন হঠাৎ টান পড়ার কারণ, কী করবেন, প্রতিরোধের উপায় কী—তা নিয়ে কিছু পরামর্শ: 

কেন হয়? 

■ শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের ঘাটতি। 

■ অতিরিক্ত ব্যায়াম, পরিশ্রম বা পায়ের পেশির বেশি ব্যবহার। 

■ পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন। খুব ঠান্ডা আবহাওয়া। 

■ গর্ভকালীন, বিশেষ করে শেষের দিকে প্রয়োজনীয় খনিজের অভাবে রগে টান পড়ে। 

■ বেশি সময় বসে থাকা, শক্ত জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, ঘুমের সময় ভুল দেহভঙ্গির কারণে এমন হতে পারে। 

 

কী করা উচিত? 

■ পা সোজা করে পায়ের পেছনের মাংসপেশিতে হালকা মালিশ করতে পারেন। 

■ গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে হালকা সেঁক বা পানির বোতলে গরম পানি দিয়ে সেঁক দিতে পারেন পনেরো থেকে বিশ মিনিট।

■ ভয় পাবেন না, কারণ রিল্যাক্স পজিশনে থাকলে কিছু সময়ের মধ্যে ব্যথা চলে যায়। 

■ গর্ভকালীন যে রগে টান পড়ে, বেশির ভাগ সময় প্রসবের পর পায়ের টান চলে যায়। 

 

প্রতিরোধের উপায়

■ নিয়মিত কাফ মাসল স্ট্রেচিং করতে হবে। 

■ সোজা হয়ে পায়ের আঙুলের ওপর ভর করে দাঁড়ালে কাফ মাসলে স্ট্রেচ হয়। দশ সেকেন্ড ধরে রেখে পা নামিয়ে ফেলুন। তিন বা চারবার করুন। প্রতিদিন অন্তত একবার। 

■ বসে দুই পা সোজা করে, তোয়ালে দিয়ে পায়ের পাতা সামনের দিকে টেনে আনার চেষ্টা করুন। দশ সেকেন্ড ধরে রেখে ছেড়ে দিন। পাঁচ থেকে ছয়বার করুন। 

■ সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ত্রিশ মিনিট করে হাঁটুন

■ শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে পায়ের মাংসপেশিতে টান লাগে। তাই প্রচুর পানি বা তরল গ্রহণ করুন। যেমন স্যুপ, ফলের রস, ডাবের পানি ইত্যাদি। 

■ ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন ডিম, দুধ, সবুজ শাকসবজি, ফল, কলিজা ইত্যাদি। 

ডাক্তারের পরামর্শে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। 

■ কিছু অবস্থান পরিহার করুন: যেমন পা ক্রস করে বসলে পায়ের ওপর চাপ পড়ে এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। তাই এ ধরনের অবস্থানে বসবেন না। দীর্ঘ সময় একই ধরনের অবস্থানে না থেকে দু–এক ঘণ্টা পরপর বদলাতে হবে। 

■ রাতে যাঁদের বেশি ক্রাম্প বা টান হয়, তাঁরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। 

■ সাঁতার খুব ভালো ব্যায়াম। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সাঁতার কাটতে পারেন।

 
তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।
 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ কি কি?

 


আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণ কি কি?

১. পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. গাছপাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে।

৩. সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৪. আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে।

৬. আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে।

৭. আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান পরিমাণে পর্যাপ্ত থাকায় পাকা আম হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।

৯. আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

১০. আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়।

১১. পাকা আম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১৩. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৪. আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে।

১৫. শুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে।

১৬. আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

অতএব বুঝতেই পারছেন আমের উপকারিতা অপরিসীম। আসছে আমের সিজন। অবশ্যই আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা আম খাবেন। তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত আম খেতে হবে। বাজারের ফরমালিন যুক্ত আমের উপকারিতা থেকে অপকারিতাই বেশি। এই বিষয়ে সাবধান হবেন।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

চুল পড়া রোধে প্রাথমিক চিকিৎসা



চুল পড়া রোধে প্রাথমিক চিকিৎসা

চুলের পুষ্টির জন্য তেলের বিকল্প নেই। তেল চিটচিটে ভাবের জন্য অনেকে চুলে তেল লাগাতে চায় না। এতে চুলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে থাকে।

তেল চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যোগিয়ে চুলকে সিল্কি, শাইনি করে তোলে। আমরা সাধারণত বাজারের নারকেল তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকি।

আয়ুর্বেদিক তেল চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুল পড়া রোধ করে চুলকে স্বাস্থ্যজ্বল ঝলমলে করে তোলে।

১। আয়ুর্বেদিক আমলা তেল

১০০ গ্রাম আমলকি পাউডার

২৫০ গ্রাম বিশুদ্ধ নারকেল তেল

৪ লিটার পানি

এক তৃতীয়াংশ আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন। অল্প আঁচে মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন পানি ১ লিটারে কমে না আসা পর্যন্ত। এবার পানিটি একটি সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। বাকী আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এখন একটি বড় পাত্রে আগের ছাকা আমলকি পানি এর সাথে আমলকির পেস্ট এবং নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার পাত্রটি চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে গ্লাস কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।


২। তুলসি আয়ুর্বেদিক তেল

নতুন তুলসি পাতা অথবা তুলসি পাউডার

বিশুদ্ধ নারকেল তেল

পানি

মেথি

কয়েকটি তুলসি পাতা অথবা কয়েক চামচ তুলসি পাতা গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি তুলসি পাতা ব্যবহার করেন তবে তুলসি পাতা পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

এবার ১০০ মিলিলিটার নারকেল তেলের সাথে তুলসি পাতার পেস্ট মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। এর সাথে কয়েকটি মেথি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দেওয়ার পর নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এটি কাঁচের জারে সংরক্ষণ রাখুন। সপ্তাহে দুইবার এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যম্পু করে ফেলুন।


টিপস:-

আয়ুর্বেদিক তেল ঠান্ডা স্থানে রাখুন। এতে কোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করার কারণে রোদের তাপে তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যবহার পর খুব ভাল করে তেলের ঢাকনাটি লাগিয়ে রাখুন। এই তেল আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলবে।


এলার্জি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

এলার্জি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা


অ্যালার্জি জনিত রোগের লক্ষণ ও করণীয় -



এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে

৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।


চিকিৎসা :-

তবে অনেক দিন যাবৎ চুলকানি এবং এলার্জির সমস্যায় ভুগতে থাকলে অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধনকৃত হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ মত কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন, আশা করি আপনার এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের অ্যালার্জি প্রতিরোধ করা

ধুলো মাইট অনেক অ্যালার্জির জন্য একটি সাধারণ কারণ সুতরাং, ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার ঘর নিয়মিত ভ্যাকুয়াম করুন। একটি শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরও ভাল সজ্জিত। সুতরাং, সেই দিকে কাজ করুন।

স্ট্রেস কিছু নির্দিষ্ট ধরণের ত্বকের অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। মানসিক চাপ কমাতে আপনার দৈনন্দিন রুটিনে ধ্যান এবং শারীরিক ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনার যদি অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে, তাহলে একটি এপিনেফ্রাইন ইনজেকশন নিয়ে যান (জীবন-হুমকির অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত) এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা শিখুন। প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত গুরুতর হলে এটি জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।

ত্বকের অ্যালার্জির জন্য ঘরোয়া প্রতিকার

এখানে কিছু সময়-পরীক্ষিত প্রতিকার রয়েছে যা আপনাকে ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে:

  • ওটমিল: ওটমিলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা আপনাকে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার কারণে চুলকানি দূর করতে সাহায্য করতে পারে। ওটমিল অন্তর্ভুক্ত করার সেরা উপায়গুলির মধ্যে রয়েছে ওটমিল বাথ এবং পোল্টিস গ্রহণ করা।
  • বেকিং সোডা: এটিতে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি আপনাকে ত্বকের অ্যালার্জি শান্ত করার সময় আপনার ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। আপনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বেকিং সোডা পেস্ট প্রয়োগ করতে পারেন বা একটি বেকিং সোডা স্নান বিবেচনা করতে পারেন।
  • ভেষজ এবং গাছপালা: ঘৃতকুমারী, নিম, তুলসি, পার্সিমন পাতার নির্যাস, স্টিংগিং নেটেল, ক্যামোমাইল সহ বিভিন্ন ধরণের ভেষজ এবং উদ্ভিদ রয়েছে যা আপনি ত্বকের ফুসকুড়ি বা আপনার ত্বকে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন।

কখন একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করবেন?

ত্বকের রোগগুলি প্রায়ই নিজেরাই বা সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহার করে চলে যায়। যাইহোক, যদি আপনার লক্ষণগুলি অব্যাহত থাকে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা নিশ্চিত করুন। আপনার ডাক্তার আপনার সমস্যার মূল শনাক্ত করবেন এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করবেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন:

কীভাবে ত্বকের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাবেন?

ত্বকের ফুসকুড়ি থেকে মুক্তি পেতে আপনি একটি ওটমিল স্নান, ঠান্ডা কম্প্রেস, সদ্য নিষ্কাশিত অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল বা বেকিং সোডা প্রয়োগ করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যাইহোক, যদি ঘরোয়া প্রতিকারগুলি কাজ না করে এবং লক্ষণগুলি অব্যাহত থাকে বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তবে আপনার ডাক্তারের কাছে যান।

ত্বকের অ্যালার্জিতে কী করবেন?

আপনি ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে হাইড্রোকর্টিসোন বা ক্যালামাইনের মতো মলম এবং ক্রিম প্রয়োগ করতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে, অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলি বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। অন্যান্য প্রতিকারের মধ্যে রয়েছে – ঠান্ডা কম্প্রেস এবং বেকিং সোডা বা ওটমিল বাথ। যাইহোক, আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না, কারণ তিনি আপনার ত্বকের রোগের প্রকৃতি অনুসারে আপনাকে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করবেন।

আপনি কীভাবে ত্বকের অ্যালার্জির ধরন সনাক্ত করতে পারেন?

লালভাব, ব্যথা, চুলকানি এবং প্রদাহ হল ত্বকের অ্যালার্জির কিছু সাধারণ লক্ষণ এবং উপসর্গ। অতএব, আপনার ত্বকের অ্যালার্জির ধরন সনাক্ত করা আপনার পক্ষে কঠিন হতে পারে। অতএব, আপনার লক্ষণগুলি আরও খারাপ হলে আপনার ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত সুপারিশ করা হয়।


বৈদ্যুতিক শক প্রাথমিক চিকিৎসা ও চিকিৎসা



বৈদ্যুতিক শক ঘটে যখন একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ শরীরের মধ্য দিয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শক থেকে আঘাতের ঘটনা ঘটে যখন কেউ ভুলবশত বৈদ্যুতিক উত্সের সংস্পর্শে আসে, যেমন একটি ভাঙা কর্ড বা বিদ্যুতের লাইন

বৈদ্যুতিক শক, কারণ

একটি বৈদ্যুতিক শক ঘটে যখন কেউ একটি উচ্চ-ভোল্টেজ কারেন্টের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে যা শরীরের মধ্য দিয়ে যায়।

বেশ কিছু জিনিস বৈদ্যুতিক শক সৃষ্টি করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বজ্রপাত দ্বারা আঘাত করা হচ্ছে
  • ডাউন পাওয়ার লাইনের সাথে যোগাযোগ করুন
  • বৈদ্যুতিক সকেটে আঙ্গুল বা বস্তু রাখা
  • ত্রুটিপূর্ণ বা ক্ষতবিক্ষত বৈদ্যুতিক তার বা যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা
  • ওভারলোড বৈদ্যুতিক আউটলেট স্পর্শ

বৈদ্যুতিক শকের লক্ষণ ও উপসর্গ

বৈদ্যুতিক শকের লক্ষণ এবং উপসর্গ ভোল্টেজের ধরন এবং পরিমাণের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। কিছু অন্তর্ভুক্ত হতে পারে: 1

  • অসাড়তা এবং কাতরতা
  • বার্নস
  • হৃদরোগের আক্রমণ
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
  • শ্বাস-প্রশ্বাসে অনিয়ম বা অসুবিধা
  • দৃষ্টি বা শ্রবণ সমস্যা
  • পেশী আক্ষেপ
  • মাথাব্যাথা
  • চেতনা হ্রাস
  • কার্ডিয়াক গ্রেপ্তার

একটি ভগ্ন রান্নাঘরের যন্ত্রের কর্ড স্পর্শ করার ফলে সৃষ্ট লক্ষণগুলি সাধারণত পাওয়ার লাইন বা বজ্রপাতের মতো উত্স থেকে উচ্চ-ভোল্টেজের শকগুলির তুলনায় অনেক কম গুরুতর হয়৷

বৈদ্যুতিক শক, চিকিৎসা

বাইরে বৈদ্যুতিক শক হলে, আক্রান্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করার আগে এলাকাটি নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসায় বেশ কিছু পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেমন: 2

  • ব্যক্তিটিকে চাক্ষুষভাবে পরীক্ষা করুন কিন্তু তাদের স্পর্শ করবেন না। যদি এখনও বৈদ্যুতিক উত্সের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে তারা আপনার কাছে বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রেরণ করতে পারে।
  • জরুরি নম্বরে কল করুন বা অন্য কাউকে জরুরি নম্বরে কল করুন
  • বিদ্যুতের উত্স পরীক্ষা করুন এবং সম্ভব হলে এটি বন্ধ করুন। যদি এটি সম্ভব না হয়, কাঠ বা প্লাস্টিকের মতো অ-পরিবাহী উপাদানের একটি বস্তু ব্যবহার করুন।
  • যখন আপনি নিশ্চিত হন যে আপনি বৈদ্যুতিক শক থেকে নিরাপদ থাকবেন, তখন শিকারের শ্বাস এবং নাড়ি পরীক্ষা করুন। অবিলম্বে শুরু কার্ডিওপ্লামনারি রিসাসিটেশন (CPR) যদি হয় থেমে থাকে বা অস্বাভাবিকভাবে কম দেখা যায়।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি যদি শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন কিন্তু অজ্ঞান দেখায় বা শকের অন্যান্য চিহ্ন থাকে, তাহলে তাদের পা উঁচু করে শুইয়ে দিন। মাথাটি শরীরের কাণ্ডের সামান্য নীচে আনুন।
  • কোন পোড়া চিকিত্সা বা কাপড় অপসারণ না, এবং সাহায্য আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন.

বাড়িতে প্রতিকার

যদি কোনও ব্যক্তি বা শিশু বাড়িতে বৈদ্যুতিক শক অনুভব করে, আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন বা জরুরি নম্বরে কল করুন।

কিছু ক্ষেত্রে, শক অভ্যন্তরীণ আঘাতের কারণ হতে পারে যা দৃশ্যত সনাক্ত করা যায় না।

একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী পৃষ্ঠ পোড়া, মুখ পোড়া বা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের আঘাতের জন্য মূল্যায়ন করতে পারেন।

যদি ব্যক্তিটি গুরুতরভাবে পুড়ে যায়, তাহলে তাকে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন হতে পারে।3

বৈদ্যুতিক শক ক্ষেত্রে চিকিৎসা চিকিত্সা

বৈদ্যুতিক শকের জন্য চিকিত্সা যত্ন জড়িত ভোল্টেজ পরিমাণ উপর নির্ভর করবে.

বৈদ্যুতিক শকের সামান্য ঘটনার জন্য চিকিৎসা যত্নের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

বৈদ্যুতিক শকের কম গুরুতর ঘটনাগুলির জন্য চিকিত্সার মধ্যে ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক মলম এবং সামান্য পোড়ার জন্য ড্রেসিং পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

উচ্চ ভোল্টেজের আঘাতের জন্য উচ্চ স্তরের যত্নের প্রয়োজন হবে এবং প্রায়শই খারাপ ফলাফল হতে পারে।

জরুরী চিকিৎসা যত্নের প্রয়োজন হতে পারে:


  • উজ্জীবন
  • আইসিইউ যত্ন
  • IV তরল
  • পুষ্টি সহায়তা
  • সার্জারি

কখন ডাক্তার দেখাবেন

আপনি বা আপনার প্রিয়জন যদি বৈদ্যুতিক শক অনুভব করেন, তাহলে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর দ্বারা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

বৈদ্যুতিক শক থেকে ক্ষয়ক্ষতি নির্ভর করে ভোল্টেজের মাত্রা, উৎস, কীভাবে এটি শরীরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছে, ব্যক্তির বয়স এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর।

ইমার্জেন্সি নম্বরে কল করুন যদি একজন ব্যক্তির বৈদ্যুতিক শক থাকে:

  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
  • পেশী ব্যথা বা পেশী সংকোচন
  • বিশৃঙ্খলা
  • শ্বাসকষ্ট
  • কার্ডিয়াক গ্রেপ্তার
  • হৃদরোগের আক্রমণ
  • চেতনা হ্রাস

বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ

বাড়িতে বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধের সর্বোত্তম অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে:3

  • সমস্ত আউটলেট আবরণ.
  • নিশ্চিত করুন যে তারগুলি সঠিকভাবে উত্তাপ এবং আচ্ছাদিত।
  • তারগুলি বাচ্চাদের নাগালের থেকে দূরে রাখুন।
  • সম্ভাব্য বৈদ্যুতিক বিপত্তি, যেমন বাথটাব বা পুলের কাছে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির মতো এলাকায় শিশুদের তত্ত্বাবধান করুন।
  • বাড়িতে বিদ্যুতের সাথে কাজ করার সময় সার্কিট ব্রেকার বন্ধ করুন।
  • স্নান বা ঝরনা মধ্যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করবেন না.

বাড়ির বাইরে বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: 2

  • আপনার পাওয়ার কোম্পানিকে অবিলম্বে পতিত বা ভাঙা পাওয়ার লাইনের রিপোর্ট করুন। কোন অবস্থাতেই তাদের স্পর্শ করবেন না।
  • বিদ্যুতের লাইন যদি পানিতে পড়ে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে থাকা পানি দিয়ে গাড়ি চালাবেন না বা হাঁটবেন না।
  • আপনি যদি আপনার গাড়িতে থাকাকালীন একটি পাওয়ার লাইনের সংস্পর্শে আসেন তবে আপনার গাড়িতে থাকুন এবং সম্ভব হলে তাড়িয়ে দিন। আপনি যদি গাড়ি চালাতে না পারেন, তাহলে আপনার গাড়িতে থাকুন এবং জরুরি পরিষেবায় কল করুন। জরুরী পরিষেবা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং কাউকে আপনার গাড়ির কাছে যেতে দেবেন না।
  • ভেজা বা জলের কাছাকাছি বৈদ্যুতিক সার্কিটগুলি ঠিক করতে একজন ইলেকট্রিশিয়ানকে কল করুন। যদি সম্ভব হয়, প্রধান ব্রেকারে পাওয়ার বন্ধ করুন তবে এটি অ্যাক্সেস করতে কখনই স্থায়ী জলে প্রবেশ করবেন না।
  • জলে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কখনও বৈদ্যুতিক উত্সের উপর বা কাছাকাছি কাজ করবেন না, বিশেষ করে যদি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেন।
  • নিশ্চিত করুন যে বৈদ্যুতিক উপকরণ শক্তি পুনরুদ্ধার করার আগে সম্পূর্ণ শুষ্ক।
  • একজন প্রত্যয়িত ইলেকট্রিশিয়ানকে নিশ্চিত করুন যে পাওয়ার আবার চালু করা নিরাপদ।
  • আপনার প্রধান সার্কিট ব্রেকার বন্ধ করুন যদি একটি জ্বলন্ত গন্ধ থাকে কিন্তু কোন সুস্পষ্ট উৎস না থাকে, অথবা আপনি যখন পাওয়ার চালু করেন তখন স্ফুলিঙ্গ এবং ক্ষয়প্রাপ্ত তারগুলি দেখতে পান।
  • একটি জেনারেটর ইনস্টল বা ব্যবহার করার সময়, ব্যবহার সম্পর্কে আপনার ইউটিলিটি কোম্পানির সাথে কথা বলুন। অনুমোদিত, স্বয়ংক্রিয়-বিঘ্নিত ডিভাইস ছাড়া জেনারেটর ব্যবহার করবেন না। বিদ্যুৎ আবার চালু হলে জেনারেটর অনলাইনে থাকলে আগুনের ঝুঁকি হতে পারে।

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রাথমিক চিকিৎসা

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রাথমিক চিকিৎসা



গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে তা নামানোর জন্য আমরা নানা পন্থা অবলম্বন করি। তার কোনোটি কাজ হয় আবার কোনটি বা হয় না। আপনি জানেন কি মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্টেই গলায় বিধা মাছের কাটা দূর হয়ে যায়। যাই হোক, আগে আপনাদের কিছু ঘরোয়া সমাধানের কথা বলি।


গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রথমেই খাওয়া হয় পানি, তারপর ভাতকে মুঠো করে খেয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এতেও যদি কাঁটা না নামে, তাহলে কী করবেন? জেনে নিন ৭টি ভিন্নরকম কৌশল।


• গলায় কাঁটা বিধলে পানি পান করেন? কেবল পানি পান করলে হবে না। হালকা গরম পানির সাথে অল্প লবণ গুলিয়ে পান করুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• গলায় কাঁটা বিঁধলে ভাত খেয়ে নামাতে চান? তাহলে এক কাজ করুন, ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলুন। ভাতের গোলা চিবিয়ে খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না। পানি দিয়ে গিলে ফেলাই সেরা উপায়।

• ভাত খাবার চাইতেও সহজ একটি উপায় আছে। গলায় কাঁটা বিঁধলে খেয়ে ফেলুন একটি কলা। কলা খেতে খেতে দেখবেন কাঁটা নেমে গেছে আর আপনি টেরও পাননি।

• এক টুকরো লেবু নিন, তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে লেবুর রস খেয়ে ফেলুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• পানির সাথে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে পান করলেও ঠিক লেবুর মতই কাজ হবে।

• গলায় বিঁধেছে কাঁটা? একটু অলিভ অয়েলও পান করতে পারেন। কাঁটা পিছলে নেমে যাবে।


উপরোক্ত কোনো প্রক্রিয়ায় যদি কাজ না করে তাহলেও চিন্তার কিছু নেই। মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমেই গলায় বিধা মাছের কাটা বেড়িয়ে আসে। তাই সমস্যায় পড়লে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলতে ভুলবেন না যেন।


কানে জল ঢুকলে / পোকা ঢুকলে প্রাথমিক চিকিৎসা

কানে জল ঢুকলে / পোকা ঢুকলে প্রাথমিক চিকিৎসা



কানে জল ঢুকে কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার চাইতে বিব্রতকর সমস্যা আর কিছুই হতে পারে না। খুবই বিচিত্র একটা অনুভব, সেটা কাউকে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। অন্যদিকে কানে পানি রয়ে গেলে কান পাকা ও তীব্র ব্যথা সহ নানান রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। অনেকেই কানে পানি ঢুকলে কটন বাড দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। এই কাজটি একেবারেই ভুল। জেনে নিন কান থেকে পানি বের করার ৬টি সঠিক উপায়-

১) কান থেকে পানি বের করার সবচাইতে নিরাপদ উপায়টি হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (গ্রাভিটি) কে কাজ করতে দেয়া। যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই দিকে মাথাটি কাত করুন। তারপর হাতের তালু রাখুন কানের উপরে এবং চাপ দিন। চাপ দিয়েই হাতটি সরিয়ে নিন। দেখবেন খানিকটা পানি বের হয়ে গেছে। এভাবে বেশ কয়েকবার করুন। পানি বের হয়ে কান বন্ধ হওয়ার সমস্যা দূর হবে।

২) আরেকটি উপায় হচ্ছে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে পানি বের করা। একটি লম্বা শ্বাস নিন, এবার দুই আঙুল দিয়ে নাকের ফুটো বন্ধ করে ফেলুন। এখন এই বন্ধ নাক দিয়েই নিঃশ্বাস ফেলার চেষ্টা করুন। খুব জোরে বল প্রয়োগ করতে হবে না, সাধারণত যেভাবে নিঃশ্বাস ফেলেন সেভাবে ফেললেই হবে। কানে আওয়াজ শুনতে পাবেন, বুঝবেন যে পানি বের করে বন্ধ কান ঠিক হয়ে গেছে।

৩) যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই কানটি বালিশে চাপা দিয়ে শুয়ে থাকুন এবং সম্ভব হলে ঘুমিয়ে পড়ুন। ঘুম ভাঙলে দেখবেন পানির সমস্যা নেই।

৪) চুইং গাম বা যে কোন কিছু চিবিয়ে খান। যেটা বেশ করে চিবাতে হয়, এমন খাবার বেছে নিন। খাবার চিবানোর সময় যে মুভমেন্ট তৈরি হবে, সেটা বন্ধ কানকে খুলে দিতে সহায়ক।

৫) হাই তুললেও কানের পানি বেরিয়ে বন্ধ কান খুলে যায়।

৬) হেয়ার ড্রায়ার বেশ ভালো কাজ করে এক্ষেত্রে। একদম লো-তে ড্রায়ার সেট করুন। তারপর কান থেকে ১০/১২ ইঞ্চি দূরে রেখে তাপ দিন। কানের পানির সমস্যা দূর হবে।


** যদি কিছুতেই কিছু না হয়, অতি সত্বর ডাক্তারের কাছে যান। অনেক সময় ওষুধেরও প্রয়োজন পড়ে কানের পানি বের করতে। তাই এই বিষয়টিকে অবহেলা করবেন না মোটেও।

কানে পোকামাকড় ঢুকে গেলে সরিষার তেল বা অলিভ ওয়েল অল্প পরিমাণ ঢেলে দিলে পোকা মরে যায় এবং বের হয়ে আসে। তাছাড়া মার্বেল জাতীয় কোনো কিছু ঢুকে গেলে নড়াচড়া না করে দ্রুত ডাক্তারের নিকট বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।


 

মাইগ্রেন ও মাথা ব্যাথায় প্রাথমিক চিকিৎসা

মাইগ্রেন ও মাথা ব্যাথায় প্রাথমিক চিকিৎসা




মাথা ব্যাথার প্রাথমিক চিকিৎসা

1.লাল লবঙ্গ চা পান করুন :-

লবঙ্গের ঔষধি গুন এতটাই বেশী যে লবঙ্গ দেয়া লাল চা সহজেই কমিয়ে ফেলে মাথা ব্যাথা। কাজের চাপে এক কাপ লাল চা আপনাকে আবারো চাঙ্গা করে তুলতে পারে|

2. বরফ থেরাপি :-

এটি মাথা ব্যাথা কমানোর আক্ষরিক একটি পদ্ধতি। বরফের প্যাকেট মাথার উপর ধরলেও মাথা ব্যাথা কমে যায়।

3. পেয়াজ এর রস:-

পেয়াজ রস করে কপালে লাগান, মাথা ব্যথা থেকে উপশম হবে।

আধকপালি বা মাইগ্রেন হলে করণীয় মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজও কোনও স্থির সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। টেনশনসহ নানা কারণেই মাথাব্যথা হতে পারে। এসব মাথাব্যথাকে আমরা আধকপালি বা মাইগ্রেন বলি। এ নিস্তারের উপায় কি? সে বিষয়েই আজকের আলোচনা।



কি কারণে মাথাব্যথা হতে পারে:

টেনশন বা অন্য কারণেও এ ব্যথা হতে পারে। রক্তবাহী শিরাগুলো কখনও কোনও কারণে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহ করলেও মাথাব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা মাইগ্রেনের ব্যথার চেয়ে তীব্র এবং মাইগ্রেনের ব্যথা বলে বুঝতে ভুল হতে পারে।

বংশগত প্রভাব:

অন্যান্য ব্যথার তুলনায় মাইগ্রেনের ব্যথার ওপর বংশগত প্রভাব বেশি- যা মূলত কোষের একক ‘জিন’-এর বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। এর প্রমাণ- নেদারল্যান্ডের লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির একদল নিউরোলজিস্ট একজন মাইগ্রেন রোগীর দেহ থেকে মাইগ্রেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিন পৃথক করেন। পরে ওই রোগীর মাইগ্রেনের ব্যথা আর দেখা যায়নি।

দুশ্চিন্তা-অস্থিরতা:

যারা সবসময়ে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। তাছাড়া হঠাৎ করে কোনও বিপজ্জনক খবর বা আবেগপ্রবণ অবস্থা এ মাইগ্রেনের জন্ম দেয়।

প্রভাবিত করে এমন কারণ:


প্রথমত:

কিছু কিছু খাবার মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা বাড়িয়ে দেয় বা হালকা ব্যথার ভাব থাকলে তা পরিপূর্ণ মাইগ্রেনের ব্যথায় রূপ লাভ করে। নিম্নলিখিত খাবার উল্লেখযোগ্য-

১. চকোলেট

২. পনির

৩. মদ

৪. কোলাজাতীয় পানীয়

দ্বিতীয়ত:

মাইগ্রেন রোগী যারা এ ব্যথার পাশাপাশি সাইনাসগুলোর প্রদাহে ভুগছেন বা প্রচন্ড সর্দি-কাশি বা ঠান্ডায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

তৃতীয়ত:

যখন প্রচন্ড গরম পড়ে এবং পরিবেশের অবস্থা ভ্যাপসা আকার ধারণ করে তখন মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে শীতকালে যদি ঠান্ডা বাতাস বেশি লাগে বা কুয়াশা পরিবেষ্টিত অবস্থা বিরাজ করে তখন এর প্রকোপ আরও বেড়ে যায়।


সাধারণ চিকিৎসা:


১. যেসব খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় সেসব খাবার বর্জন করা।

২. যদি কোনও মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে থাকেন, তবে তিনি বড়ি খাওয়া বন্ধ রাখবেন এবং অন্য যে কোনও ধরনের বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করবেন।

৩. পরিবেশগত কারণে যদি ধোঁয়া, ধুলাবালি, প্রচন্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হয় তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে।


মাইগ্রেন কিঃ-

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথা ব্যথা। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ হেমিক্রেনিয়া থেকে। হেমি অর্থ অর্ধেক আর ক্রেনিয়া অর্থ মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যাথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া। কিন্তু ব্যাথা একসাথে দুপাশেও হতে পারে অথবা এক পাশ থেকে আরেক পাশে দৌরাদৌরি করতে পারে।


কারণসমূহ:-

* বংশগত বা জেনেটিক।

* দুশ্চিন্তা এবং অস্থিরতা।

* শব্দ দূষণ, পরিবেশ দুষণ, বায়ু দুষণ ইত্যাদি।

* ধূমপান ও মদ্যপান।

* প্রচণ্ড রোদ অথবা গরম।

* তীব্র গন্ধ যেমন আতর, পারফিউম ইত্যাদি।

* চকলেট বা এ জাতীয় খাবারের কারণে।

* ঘুম কম হওয়া অথবা অতিরিক্ত সময় ধরে বিছানায় শুয়ে থাকা।

* অনিয়মিত খাওয়া দাওয়া এবং কম পানি পান করার কারণেও মাইগ্রেন হতে পারে।


মাইগ্রেনের লক্ষণঃ-

* সহনীয় থেকে তীব্র মাথাব্যাথা, সাধারণত মাথার একপাশে তীব্র ব্যাথা অনুভূত হয় ।এক পাশ থেকে অন্য পাশে তীব্র ব্যাথা অনুভূত হয় ।

* মাথার শিরা ব্যাথায় টনটন করে ।

* শারীরিক পরিশ্রমের সময় ব্যাথা বৃদ্ধি পায় ।

* মাথা ব্যাথার সময় স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যায় না ।

* বমি বমি ভাব ও বমি হয় মাঝে মাঝে ।

* কথা ভালোভাবে বলতে না পারা ।

* কোন কাজে মনোযোগ দিতে না পারা ।

* চোখে ঝাপসা দেখা।

* মাথা ঘোরানো।


করণীয়ঃ-


* যাদের এ রোগ আছে, তাদের অন্তত দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক।

* কফি, চকোলেট,পনির, কোমল পানীয়, মদ এড়িয়ে চলতে হবে।

* দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা যাবে না।

* জন্মবিরতিকরণ পিল না ব্যবহার করে অন্য পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে।

* রিশ্রম, মানসিক চাপ, দীর্ঘ ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে।

* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।

* কড়া রোদ বা তীব্র ঠাণ্ডা পরিহার করতে হবে।

* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।

* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।

* নিয়মিত সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করুন ।

* দুশ্চিন্তা বাদ দিন ।


মুখের ঘায়ের যন্ত্রণা দূর করুন ঘরোয়া ৬ উপায়ে

 


হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।


মুখের ঘা খুব সাধারণ এবং অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। ছোট বড় সব বয়সের মানুষেরা এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। সাদাটে ছোট ছোট এই ঘা বেশ কষ্টদায়ক। এটি সাধারণত মুখের ভিতর, জিহবা, ঠোঁট, দাঁতের মাড়িতে হয়ে থাকে। সাধারণত তিন ধরণের মুখে ঘা দেখা যায়। মাইনর আলসার, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। মেজর আলসার, এটি প্রায় এক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। হারপেটিফ্রম আলসার, এটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেকগুলো ঘা নিয়ে একটি বড় ঘা হয়ে থাকে।

বিভিন্ন কারণে মুখে ঘা হতে পারে। এর মধ্যে জ্বর, রক্ত স্বল্পতা, ফুড অ্যালার্জি, পুড়ে যাওয়া,স্ট্রেস, অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি, ভিটামিনের অভাব ইত্যাদি অন্যতম। ঘায়ের তীব্র ব্যথার কারণে অনেকে ঠিকমত খেতে পারেন না। ওষুধ ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই ঘা ভাল করা সম্ভব।


১। যষ্টিমধু

মুখের ঘা সারাতে যষ্টিমধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দুই কাপ পানিতে দুই থেকে তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এটি দিয়ে দিনে কয়েকবার কুলকুচি করুন। যষ্টিমধুর অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান মুখের ঘা ভাল করে থাকে।

২। টি ব্যাগ

খুব সহজ ঘরোয়া উপায়ে মুখের ঘা দূর করার আরেকটি উপায় হল টি ব্যাগ। এটি দ্রুত ব্যথা এবং ইনফ্লামেশন দূর করে দিয়ে থাকে। একটি টি ব্যাগ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে সেটি ঘায়ের স্থানে লাগান। এটি সাথে সাথে আপনার ব্যথা কমিয়ে দিয়ে দিবে।

৩। নারকেল তেল

সহজলভ্য নারকেল তেল দিয়ে মুখের ঘা দূর করা সম্ভব। একটি তুলোর বলে নারকেল তেল লাগিয়ে সেটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগান। নারকেল তেলের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান ঘা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৪। তুলসি

কয়েকটি তুলসি পাতাসহ পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এটি দ্রুত মুখের ঘা প্রতিরোধ করবে এবং মুখে ঘা হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দিবে।

৫। বেকিং সোডা

এক চা চামচ বেকিং সোডা অল্প পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পাতলা পেস্টটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগিয়ে নিন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। এছাড়া বেকিং সোডা সরাসরিই মুখের ঘায়ের স্থানে লাগাতে পারেন।

৬। মধু

একটি তুলোর বলে মধু লাগিয়ে নিন। এবার এটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগান। এছাড়া মুখের ঘায়ের স্থানে গ্লিসারিন, ভিটামিন ই অয়েল লাগাতে পারেন।

তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।


সাপে কাটলে কী করবেন, সকলের জেনে রাখা উচিত



হ্যালো বন্ধুরা । আমাদের জীবন আনন্দ, সুখ দুঃখ হাসি ও কান্নার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এর মধ্যেই রয়েছে রোগ ব্যাধি ও জড়ার উপস্থিতি।

বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে বেশিরভাগ রোগই নিরাময় করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব, কিন্তু বেশকিছু রোগের চিকিৎসা আজও অজানা !

আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আমরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও তাদের  নিরাময় করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।


বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষত জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিষধর সাপের ওপরের দাঁতের গোড়ায় যে বিষথলি থাকে, কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিষ ক্ষতের মাধ্যমে রক্তনালিতে প্রবেশ করে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

সাপের বিষের বিষাক্ত উপাদানসমূহ স্নায়ুকোষকে আক্রমণ করে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া প্রতিহত করে এবং পরিশেষে মানুষের মৃত্যু ঘটায়।

সব সাপ বিষধর নয়, অল্প কিছু সাপ বিষধর। ভারতবর্ষে ২১৬ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে বিষ থাকে মাত্র ৬৮ প্রজাতির সাপের। সচরাচর বিষধর সাপের মধ্যে রয়েছে গোখরা, কালকেউটে, চন্দ্রবোড়া। তাই এদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো।


সাপের কামড় চেনার উপায়:

বস্তুত দংশিত স্থানে কামড়ের দাগ দেখে সাপটি বিষধর কি না তা শনাক্ত করা সম্ভব। সব বিষধর সাপের সামনে দুটো বিষদাঁত থাকে, যা অন্যান্য দাঁত থেকে বড় এবং বাঁকানো। কোনো কোনো বিষধর সাপের দাঁত ইনজেকশনের সুচের মতো তীক্ষ্ণ। সাপের কিন্তু দাঁতে কোনো বিষ থাকে না।  সাপে কামড়ালে যদি দংশিত স্থানে দুটো তীক্ষ্ণ গভীর দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটা বিষধর সাপের কামড়। আর যদি সে রকম দাগের বদলে কেবল ছোট ছোট এক সারি দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সাপটি বিষধর নয়।

গোখরায় কামড়ালে ছয় থেকে আট মিনিটের মধ্যে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। দংশিত স্থান লাল হয়ে যায় এবং চাপ দিলে ব্যথা লাগে। কিছুক্ষণ পর সেখানে কিছুটা জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়। ২৫ মিনিট পর অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। রোগীর ঘুম ঘুম ভাব আসে। রোগীকে কিছুটা মুমূর্ষু লাগে। তার পা দুর্বল হয়ে আসে এবং সে দাঁড়িয়ে থাকতে বা চলাচল করতে পারে না। ৩৫ থেকে ৫০ মিনিট পর রোগীর মুখে প্রচুর লালা ঝরে, এমনকি সে বমি করতে থাকে। তার জিহ্বা ও স্বরযন্ত্র ফুলে যায়। ফলে সে ঠিকমতো কিছু গিলতে বা কথা বলতে পারে না। দুই ঘণ্টা পর তার শ্বাস-প্রশ্বাস লঘু হয়ে আসে, তার জ্ঞান থাকে তবে কথা বলতে পারে না।

পরিশেষে তার শ্বাসক্রিয়া ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। কালকেউটে সাপে কামড়ালে গোখরার কামড়ের মতো উপসর্গ দেখা দেয় বটে, তবে দংশিত স্থানটি ফুলে ওঠে না কিংবা জায়গাটিতে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভূত হয় না। তবে রোগীর ঝিমঝিম ভাব আসে এবং তাকে মুমূর্ষু দেখায়। গোখরা, কেউটে, শঙ্খচূড় প্রভৃতি কোবরা শ্রেণির সাপের বিষে থাকে নিউরোটক্সিন নামক এক ধরনের রস যা স্নায়ুকে বিকল বা পঙ্গু করে দেয়। 


চন্দ্রবোড়া হলো ভাইপার শ্রেণির সাপ। এই শ্রেণির সাপের বিষে প্রধানত থাকে হিমোটক্সিন রস, যার কাজ হলো রক্তকণিকা ভেঙে দেওয়া এবং রক্তপাত ঘটানো। এর ফলে রক্তবমি, রক্তপায়খানা ও রক্তপ্রস্রাব হতে পারে। হিমোটক্সিন ধীরে কাজ করে বলে এই শ্রেণির সাপের কামড়ে মৃত্যু ধীরে হয়।

কি করবেন:-

(১) সর্পদংশনে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সর্পদংশনের নিরাময়যোগ্য আধুনিক চিকিত্‍সার ব্যাপারে আশ্বস্ত করুন। কারণ সর্পদংশনে আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুভয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন থাকেন। 

(২) পা আক্রান্ত হলে হাঁটা যাবে না।

 (৩) হাত আক্রান্ত হলে এড়িয়ে চলতে হবে হাতের সমস্ত নড়াচড়া। 

(৪) প্রয়োজনে আক্রান্ত হাত বা পায়ের সাথে একটি বন্ধফলক এঁটে দিয়ে তা উপযুক্ত বাঁধন যেমন- দড়ি, গামছা প্রভৃতি দ্বারা বেঁধে রহিত করতে হবে সব নাড়াচাড়া। কারণ আক্রান্ত স্থানের অযাচিত নাড়াচাড়া পুরো শরীরে বিষ ছড়ানোর জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

(৫) যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর মানসিক স্বস্তির লক্ষ্যে লোক সমাজে বহুল প্রচলিত দুটি পট্টি যথাক্রমে আক্রান্ত স্থানের কিছুটা আগে ও পরে এমনভাবে বাঁধতে হবে যে, যার মধ্য দিয়ে হাতের কনিষ্ঠা আঙুল সহজে প্রবেশ করানো যায়। এতে করে পায়ের রক্ত সঞ্চালনে কোনো রূপ বিরূপ প্রভাব পড়ে না। যদিও আধুনিক চিকিত্‍সায় এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তদুপরি চন্দ্র বোড়া সাপের দংশনে এর ব্যবহার পুরোপুরি নিষেধ। 

(৬) সেই সাথে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উন্নত চিকিত্‍সার জন্য নিকটস্থ উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।


কি করবেন না:-

(১) আক্রান্ত স্থানের আগে ও পরে দুই বা ততধিক পট্টি শক্ত বাঁধা। কারণ এতে আক্রান্ত স্থানে রক্তের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এমনকি আক্রান্ত স্থানে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। 

(২) আক্রান্ত স্থান ও এর চারপাশে ধারালো জিনিস দিয়ে চেরার মাধ্যমে বিষ ঝরানোর ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে অযাচিত রক্ত ঝরানো। 

(৩) আক্রান্ত স্থানে চেরার মাধ্যমে রক্ত ঝরানোর পর তা মুখ বা মুরগির বাচ্চার পায়ুপথ (ক্লোয়াকা) দ্বারা চোষানো। 

(৪) কোনো দহনকারক পদার্থ যথা- কার্বলিক এসিড দ্বারা আক্রান্ত স্থান পোড়ানো। 

(৫) আক্রান্ত স্থানে বিষ শোষণকল্পে বিভিন্ন লতাগুল্মের লেই কিংবা গোবর বা কাদামাটি লাগানো। কারণ এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং আক্রান্ত স্থানে তা বিভিন্ন জীবাণুঘটিত জটিল সংক্রমণ তৈরি করতে পারে। 

(৬) আক্রান্ত ব্যক্তিকে তেল, ঘি, গোলমচির কিংবা বিভিন্ন লতাগুল্মজাতীয় পদার্থ খাওয়ানোর মাধ্যমে বমি করানো। 

(৭) আক্রান্ত স্থানে বিষ শোষণকল্পে পাথর, বীজ বা লালা প্রয়োগ করা।



তাহলে আজকের জন্য এইটুকুই , এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মধ্যে share করতে ভুলবেন না।

 আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।